মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্ক ভীষণ জরুরি। কিন্তু সবার সম্পর্ক সুখের হয় না। অনেক স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই সারাক্ষণ ঝগড়া, মান-অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি লেগেই থাকে। ফলে মন মেজাজ হয়ে
ফেসবুকে বিপরীত জেন্ডারের কারো ছবিতে রিএ্যাক্ট করা, তাদের সঙ্গে প্রাইভেট মেসেজ আদান-প্রদান, বা আগের চেয়ে বেশি সময় চ্যাট করা – এগুলো অনেকের কাছে সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু আপনার রোমান্টিক
ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারেন না অনেকে। এর বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরতে পারেন। এই জড়িয়ে ধরাতে শুধু ভালোবাসাই বাড়ে, তা কিন্তু নয়। এর রয়েছে কিছু স্বাস্থ্যগত ও মানসিক উপকারিতাও। সামান্য
প্রেম হোক কিংবা বিয়ে সম্পর্কে থাকলে ভুল বোঝাবুঝি হবেই। আপনার সঙ্গী কিংবা আপনি ভুল করবেন সেটাও স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সমস্যা হয় যখন ভুলের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে। অনেকেই জানেন না তাদের
বিয়ের মাধ্যমে নারী-পুরুষ একসঙ্গে থাকার সামাজিক ছাড়পত্র পান। বিয়ের আগে অনেক দম্পতির মধ্যে সম্পর্ক থাকলেও বিয়ের পরের জীবন অর্থাৎ সংসার জীবনের অভিজ্ঞতা হয় ভিন্ন রকম। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে লাভ ম্যারেজ
ভালোবেসে একে অপরে সম্পর্ক তৈরি করে। সম্পর্কে যেমন সুখ আছে, তেমনই আছে বিচ্ছেদের কষ্টও। ভালোবাসার মানুষটিকে যেমন বলতে হয় সে কথা, তেমনই কোনো সম্পর্ক কখন আর ভালোবাসার নেই তাও বুঝতে
মানুষের জীবন বহতা নদীর মতো। জীবনের গতিপথে নানা বাঁকবদল। তবু এগিয়ে চলতে হয়, বুনতে হয় নতুন নতুন স্বপ্ন। তাই কোনো একটি সম্পর্ক ভেঙে গেলে সেটি নিয়ে ভেঙে পড়ে জীবনের গতি
সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষকে কি ভুলে থাকা যায়? প্রেমে প্রতারিত হওয়ার পর এই প্রশ্নটিই সবার মাথায় ঘোরপাক খায়। এটা সত্যি প্রেমে প্রতারিত হলে অনেক কষ্ট, আঘাত এবং বিশ্বাসঘাতকতার মধ্য দিয়ে যেতে
একুশ শতকে একখানা স্মার্টফোন ছাড়া অচল। খুদে হোক কিংবা প্রৌঢ় সদস্য, এখন মোবাইলের নেশায় বুঁদ হচ্ছেন সকলেই। পড়াশোনার যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই আবার কাজের প্রতিও মনোযোগ কমছে। অনেকের দাম্পত্য জীবনেও
অফিস ও সংসার সামলে সন্তানকে সময় দেওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েন অনেক কর্মজীবী মায়েরা। কিন্তু সন্তানের জন্য সময় তো দিতেই হবে। তা না হলে তার বেড়ে ওঠাতে অভিভাবকের অনুপস্থিতি বেশ বড়