শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক, যা আলোচনা হলো জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের সব পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: পর্যটন মন্ত্রী নিয়ম ভেঙে নিজ জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন কমেছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক সরিয়ে নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দুই বছর পর বাংলাদেশে ফের গুমের অভিযোগ, উদ্বেগ এইচআরডব্লিউর সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সূচকের উত্থানে লেনদেন ১২৭৮ কোটি টাকা

স্কাই নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকা : সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে র‌্যাবের দুই কর্মকর্তা—আলেপ উদ্দিন ও মহিউদ্দিন ফারুকি—নির্যাতন, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দিতে মামুন জানান, শেখ হাসিনার দপ্তর থেকেই র‌্যাবকে অপারেশনের নির্দেশ দেওয়া হতো।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্সে অগ্রিম ভোট ভরে রাখার পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দেন তৎকালীন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী। এছাড়া শেখ হাসিনা সরাসরি ‘লেথাল উইপেন’ ব্যবহারের অনুমোদন দেন। সেই সময়ের ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ও ডিবির হারুন এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহারে খুব সক্রিয় ছিলেন।

মামুন জানান, র‌্যাব-১ ইউনিটে টিআইএফ (TFI) নামে একটি গোপন বন্দিশালা ছিল, যেখানে রাজনৈতিক বিরোধী এবং সরকারের সমালোচকরা ধরে এনে আটকে রাখা হতো। এ ধরনের বন্দিশালা র‌্যাবের অন্যান্য ইউনিটেও ছিল।

তার ভাষ্য মতে, এসব কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল ভিন্নমত দমন এবং সরকারের সমালোচকদের ভয় দেখানো।

এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Skynews24.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com