শিরোনাম
সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই ব্যবস্থা শেখ হাসিনা কালকেই আসুক, হাতকড়া নিয়ে রিসিভ করব : পর্যটনমন্ত্রী বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ গণপূর্ত’র শীর্ষ পদে নিয়মিত হওয়ার চেষ্টায় বালিশ কেলেঙ্কারীর মূলহোতা! নারী কেলেঙ্কারি থেকে দুর্নীতির অভিযোগ, আলোচনায় গণপূর্তের বদরুল আলম খান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক, যা আলোচনা হলো জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের সব পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: পর্যটন মন্ত্রী নিয়ম ভেঙে নিজ জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আর নেই

স্কাই নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৩

ঢাকা : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে রোববার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে বিএসএমএমইউতে আনা হয়।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির কার্ডিওলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোস্তফা জামান।

গতকাল রোববার (১৩ আগস্ট) বিকেলে বুকের ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কাশিমপুর কারাগার থেকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিএসএসএমইউ-তে পাঠানো হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১-এ বন্দি ছিলেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। সেখানে থাকা অবস্থায় রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় বুকে ব্যথা অনুভব করছিলেন জামায়াতের এ নেতা। এরপরই তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।

২০১০ সালের ২৯ জুন রাজধানীর শাহীনবাগের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর থেকেই কারাগারে রয়েছেন জামায়াত ইসলামীর এই সাবেক নায়েবে আমির। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নির্যাতন ও ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়।

ওই রায়ের পর দেশজুড়ে সহিংসতা চালায় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা। ওই তাণ্ডবে প্রথম তিন দিনেই নিহত হন অন্তত ৭০ জন। এছাড়া বহু গাড়ি-দোকানপাট ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, হিন্দুদের মন্দির-ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়।

সাঈদী আপিল করলে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেয়। তাতে সাজা কমে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ আসে। ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন হলেও তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Skynews24.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com