শিরোনাম
লিলকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় লিভারপুল বঙ্গভবন এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এখনো ‘অ্যাডমিন ক্যাডার’ হিসেবে কর্মরত সাবেক আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা চিহ্নিত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা এস কে সুরের গোপন ভল্টের সন্ধান বলিউড থেকে সরে দাঁড়ানোর নেপথ্যে কারণ জানালেন নার্গিস মেঘনা পেট্রোলিয়ামের দুর্নীতির মহারাজা ইনাম ইলাহী চৌধুরী লস অ্যাঞ্জেলেসে কষ্টের কথা জানান নোরা শেষ মুহূর্তে উসমান ম্যাজিক, হ্যাটট্রিক শিরোপা পিএসজির আসিফ নজরুলকে শেখ হাসিনার বিষয়ে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া নারী সহকর্মীকে খুন করে দেহ ২৬ টুকরো, অতঃপর…… ২৯ সেপ্টেম্বর দেখা যাবে দ্বিতীয় চাঁদ, থাকবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত

পতুর্গাল ভ্রমণ: নান্দনিক সৌন্দর্যের তীর্থভুমি

স্কাই নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৩

ফিচার ডেস্ক: পর্তুগাল ইউরোপের অন্যতম দেশ। পর্তুগালের মতো সুন্দর দেশ নাকি পৃথিবীতে খুব কমই আছে। আর তাইতে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দেশটি। এমনকি অভিবাসীদের কাছেও এই দেশটির পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। কেননা, পর্তুগালের নিয়মের ঘেরাটোপ নেই বললেই চলে। ফলে স্থায়ীভাবে বসবাস কিংবা ভ্রমণে উৎসাহীদের সংখ্যা দেশটিতে বেড়েই চলেছে। 

বিগত কয়েক বছর ধরে পর্তুগাল দেশটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হযে উঠেছে। ইউরোপ ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে পর্তুগালকে কেউ বাদ দিতে চান না। পর্তুগালের নাম শুনলে ফুটবল প্রেমীদের চোখের সামনে প্রথমেই ভেসে ওঠে রোনালদোর মুখ। 

বিশ্ব বিখ্যাত পর্তুগিজ ফুটবল খেলোয়াড় রোনালদোর পরিচয় আশা করি কাউকে দিতে হবে না। আর যারা নিজের চোখে দেখেছেন তাদের কথায়, পর্তুগালের মতো সুন্দর দেশ নাকি খুব কমই আছে। 

তাদের পরামর্শ, সুযোগ পেলে এই দেশটি জীবনে একবার অন্তত ঘোরা উচিত। আর কেউ যদি রোনাল্ডোর ভক্ত হন তাহলে তো তাঁর একবার সেখানে যেতেই হবে।

কখনও পর্তুগাল যাওয়ার সুযোগ পেলে যেসব জায়গা অবশ্যই ভ্রমণ করবেন

​ফারো

পর্তুগালের আলগারভে অঞ্চলের প্রধান পৌর নগরী হল ফারো। বিমানবন্দর থেকে শহরের দূরত্ব সামান্যই। অনেক পর্যটকই এই শহরে বেড়াতে যান। অনেকে আবার জায়গাটি মিসও করেন। তবে এই ভুলটি আপনি যেন করবেন না। এখানকার দর্শণীয় স্থানগুলোর মধ্যে পড়ে মেরিনা ডি ফারো, ফারো মিউজিয়াম, একটি অপূর্ব সুন্দর পার্ক ও প্লাজা, চার্চ, একাধিক ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁ।

​লাগোস

ফারো থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত লাগোস ছোট্টো সুন্দর একটি শহর। শহরটিতে তরুণ প্রজন্মের ভিড়ে ঠাসা। তাই বোর হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। এখানে অনেক ঐতিহাসিক স্থান আছে। আর এগুলোর টানেই বহু পর্যটক এই স্থানে যান। এখানকার রাতের জীবন দারুণ রোমাঞ্চর। আশেপাশের কোনও শহরে এমন চমৎকার নাইটলাইফ দেখতে পাবেন না। এখানকার সমুদ্র সৈকতে বসে সানবাথ নিতে দারুণ লাগে। কায়াকিং ট্যুর থেকে শুরু করে বোট ট্রিপ, স্নরকেলিং, ক্লাইম্বিং, স্ট্যান্ড-আপ প্যাডেল ইত্যাদি অনেক মজার ক্রিয়াকলাপও এখানে হয়ে থাকে।

​পশ্চিম আলগারভে

পশ্চিম আলগারভের সাগরিস থেকে অডিসেইক্স পর্যন্ত উপকূলটি একটি চমৎকার সমুদ্র সৈকত এবং শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্যে পরিপূর্ণ। পশ্চিম আলগারভ এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষের ভিড় কম। তাই যারা নিরিবিলিতে ঘোরাফেরা করতে ভালোবাসেন তাদের জন্য এই জায়গাটি উপযুক্ত। এখানে এমন কিছু সৈকত রয়েছে যা পর্যটকরা সহজে মিস করতে চান না। ওডিসিক্স, আমোরেরিয়া, আরিফনা এবং প্রিয়া দো আমাদোকে এই অঞ্চলের অমরাবতী বলে মনে করা হয়। যারা সার্ফিং পছন্দ করেন, তারা এই স্থানগুলো দারুণ ভালো লাগবে।

​লিসবন

ইউরোপের সবচেয়ে আইকনিক শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম হল পর্তুগালের লিসবন। পর্যটকদের কাছে এই শহর দারুণ জনপ্রিয়। লিসবনের সানসেট পয়েন্টটি দারুণ জনপ্রিয়। এখানে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটেতে খুব ভালো লাগবে। এখানকার মানুষজন বেশ মিশুকে। এরা সবসময় সাংস্কৃতিক আবহে মেতে থাকেন। এই স্থানটি বেশ পকেট ফ্রেন্ডলি জায়গা। এখানে সময় কাটাতে দারুণ লাগবে।

​আভেইরো

পোর্তোর খুব কাছে, আভেইরো শহরটি এক বা দুই দিন কাটানোর জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা। উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত এই শহরে সমুদ্র সৈকত গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। এখানকার ঐতিহ্য ও প্রাণবন্ত সংস্কৃতি সবসময়ই মানুষকে আকর্ষণ করে। আভেইরোকে ‘পর্তুগালের ভেনিস’ও বলা হয়। এই শহরে নানা উজ্জ্বল রঙের নৌকা চলে। এগুলো যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। শহরটি এই দেশের অন্যতম রোমান্টিক জায়গা।

এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Skynews24.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com