<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Sat, 17 Oct 2026 15:47:42 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>
	<item>
		<title>নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাই’ যেভাবে টেন্ডার ছাড়াই সমাজকল্যাণের ৩৪২ কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিলেন</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27490</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27490#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 15:47:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27490</guid>

					<description><![CDATA[প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র বাতিল, আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অযোগ্যতার সনদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গোপন নির্দেশনা উপেক্ষা করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হয়েছে ৩৪২ কোটি ৭০ লাখ টাকার দুটি বৃহৎ সরকারি কেনাকাটা। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড’ (ডিইডব্লিউ)- কে সামনে রেখে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতির (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট) মাধ্যমে এই বিশাল কাজ হাসিল করা হয়েছে। তবে এ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র বাতিল, আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অযোগ্যতার সনদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গোপন নির্দেশনা উপেক্ষা করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হয়েছে ৩৪২ কোটি ৭০ লাখ টাকার দুটি বৃহৎ সরকারি কেনাকাটা। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড’ (ডিইডব্লিউ)- কে সামনে রেখে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতির (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট) মাধ্যমে এই বিশাল কাজ হাসিল করা হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রে দেখা যাচ্ছে, সরকারি কাজের মূল অর্থনৈতিক সুবিধাভোগী নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠানটি নয়, বরং পুরো বিষয়টির পেছনে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বকুলের ছোট ভাই সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকতের সরাসরি যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকতের পরিবারের মালিকানাধীন একটি অজানা ও অভিজ্ঞতাহীন প্রতিষ্ঠান এই বিতর্কিত ক্রয় চুক্তির মূল সুবিধাভোগী।</p>
<p>সরকারি অর্থ লুটপাটের সুবিধার্থে এক্ষেত্রে নৌবাহনীর প্রতিষ্ঠানটি- ডিইডব্লিউ’র নাম ব্যবহার করা হয়েছে শুধুমাত্র। তবে এই প্রতিষ্ঠানটিও আর্থিক সুবিধার একটি অংশ পেয়েছে।</p>
<p>অবশ্য, এই অবৈধ ক্রয় চুক্তির সঙ্গে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফও জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। মালামাল সরবরাহ নেওয়া হয়েছে অত্যন্ত নিম্নমানের।</p>
<p>মালামালের মূল্য ধরা হয়েছে বাজারদরের চেয়ে অনেক বেশি। নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, ৩৪২ কোটি ৭০ লাখ টাকার কাজে মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফা হয়েছে অন্ততঃ ১০০ কোটি টাকা। এ থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাই বা তার পরিবারের প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে ট্যাক্স-ভ্যাট বাদে প্রায় ৬৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। তবে সরকারের ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে প্রতারণার মাধ্যমে টেন্ডার ছাড়াই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বা এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিবের হিস্যাটা কত, তা অলিখিত।</p>
<p>তিন প্রতিষ্ঠানের অস্বাভাবিক চুক্তি<br />
গত আগস্ট মাসে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং ডিইডব্লিউ-এর মধ্যে ৩২০ কোটি ৭১ লাখ টাকার একটি চুক্তি হয়। এর আওতায় ৪৮,০০০ টাকা দরে ৬৬,৮১৫টি অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট সরবরাহের কাজ পায় ডিইডব্লিউ। কিন্তু এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক পরদিনই, ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডিইডব্লিউ, ঢাকাভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ‘স্যালস্ট্রা লিমিটেড’ এবং ‘বুরাক ব্রেক লিমিটেড’ নামক একটি অচেনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬ পৃষ্ঠার একটি গোপন ত্রিপক্ষীয় যৌথ ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।<br />
উক্ত চুক্তি অনুযায়ী নৌবাহিনীর পরিচালিত ডিইডব্লিউ কোনো প্রকার মূলধন বিনিয়োগ করবে না, কোনো পরিচালন ব্যয় বহন করবে না এবং ব্যবসার কোনো লাভ-ক্ষতির দায়ভারও নেবে না। কেবল সরকারি চুক্তি এনে দেওয়ার (যাকে নথিতে ‘গুডউইল’ বা সুনাম হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে) বিনিময়ে তারা নিশ্চিতভাবে পাবে মোট চুক্তিমূল্যের ৪ শতাংশ বা প্রায় ১২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। মোবাইল ফোন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান স্যালস্ট্রা লিমিটেড অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট আমদানি ও সরবরাহ বাবদ পাবে ১৭৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সমস্ত কর, নির্দিষ্ট পেমেন্ট এবং ব্যাংক চার্জ কাটার পর অবশিষ্ট সমস্ত মুনাফা জমা হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান ‘বুরাক ব্রেক লিমিটেড’-এর দুটি পৃথক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। ২০ শতাংশ আনুমানিক কর হিসাব করে দেখা গেছে, বুরাক ব্রেক পাবে প্রায় ৬৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা- যা নৌবাহিনীর লভ্যাংশের প্রায় পাঁচ গুণ।</p>
<p>অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বুরাক ব্রেক লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর নিবন্ধিত হয়। এর ঠিকানা: অ্যাপার্টমেন্ট সি-২, বাড়ি ১-এ, রোড ৭৯, গুলশান-২, ঢাকা। নিবন্ধনের সময় এর প্রতিষ্ঠাতা দুই পরিচালক সরদার রাফিন এস এ হোসেন-এর বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর এবং তাঁর বড় বোন অনিকা রাইদা লিয়ার বয়স ছিল ২৩ বছর। এই দুই ভাই-বোন নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাবো) আসনের চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের ভাতিজা ও ভাতিজি। তাদের বাবা সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকত নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছোট ভাই।<br />
আইটি বা ট্যাবলেট সরবরাহের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা, নিজস্ব ওয়েবসাইট বা পূর্বের কাজের রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রভাবে এত বড় আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p>আমলা ও রাজনীতিবিদের গোপন মিটিং<br />
চুক্তি ও ক্রয়নথিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বকুল বা তাঁর ভাই লিয়াকতের নাম সরাসরি না থাকলেও, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ক্রয় প্রক্রিয়া চলাকালীন লিয়াকতের সরাসরি উপস্থিতির ছবি সামনে এসেছে। সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং নৌবাহিনীর ডিজিটাল ক্যামোফ্লাজ পোশাক পরা কর্মকর্তাদের সঙ্গে লিয়াকতকে একই টেবিলে বসে আলোচনা করতে দেখা গেছে। লিয়াকত ক্রয়চুক্তিতে তাঁর সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলেও সরকারি দপ্তরে তাঁর উপস্থিতি নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বকুলও এই প্রক্রিয়ায় নিজের কোনো প্রত্যক্ষ প্রভাব বা সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন। এদিকে চুক্তি সম্পাদনের আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গেও তার দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাই লিয়াকতকে বৈঠক করতে দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত ছবিও সামনে এসেছে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা লঙ্ঘন<br />
২০২৬ সালের ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে ৪০টিরও বেশি মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থায় একটি গোপন চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনী বা সামরিক বাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি কেনাকাটায় যুক্ত করতে হলে অবশ্যই আগে থেকে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে। সমাজকল্যাণ সচিব এবং নৌবাহিনী প্রধানকে পাঠানো এই স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল প্রোটেকশন ফর ইমপ্রুভড রেজিলিয়েন্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড টার্গেটিং (SPIRIT)’ প্রকল্পের ৩২০.৭১ কোটি টাকার ট্যাবলেট চুক্তি এবং প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের ২১.৯৯ কোটি টাকার হুইলচেয়ার চুক্তির কোনোটিতেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পূর্বানুমোদনের নথিপত্র পাওয়া যায়নি।</p>
<p>বাজারমূল্যের তূলনায় আকাশপাতাল ব্যবধান<br />
সরকার প্রতিটি এক্সট্রা এক্সটি ওয়ান (Xtra XT1) ট্যাবলেটের (কীবোর্ড ও স্টাইলাসসহ) দর নির্ধারণ করেছে ৪৮,০০০ টাকা। অথচ যৌথ চুক্তিতে দেখা যায় স্যালস্ট্রা এই ট্যাবলেট সরবরাহ করছে মাত্র ২৬,৮২৮ টাকায়। অন্যদিকে বাজারে সমমানের স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব G9+ (Samsung Galaxy Tab A9+) কীবোর্ডসহ দর ৩৪,০০০ টাকা এবং লেনোভো ট্যাব Gg11 (Lenovo Tab M11) ২৬,৫০০ টাকা। এতে অতিরিক্ত ব্যয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ৯৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।</p>
<p>অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকায় খুচরা বাজারে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের একটি ফোল্ডিং হুইলচেয়ার ৬,৫০০ থেকে ৭,৫০০ টাকায় কেনা সম্ভব। অন্যদিকে চীনের বিভিন্ন কারখানা থেকে ১০টির বেশি ফোল্ডিং হুইলচেয়ার অর্ডার দিলে প্রতিটির দাম পড়ে ৩,৫০০ থেকে ৪,৩০০ টাকা। অথচ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের মাধ্যমে মোট ২৬ হাজার হুইলচেয়ার (যার মধ্যে ২১ হাজার প্রাপ্তবয়স্কদের) সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৮,১৭৫ টাকা।<br />
২,০০০টি পা-চালিত সেলাই মেশিন কেনা হয়েছে প্রতি পিস ১৪,৫০০ টাকায়, যার গতির বর্ণনায় প্রতি মিনিটে ২০০০-৩০০০ সেলাই দাবি করা হলেও মূল মডেল সিঙ্গার ১৫সিএইচ১-এর গতি সর্বোচ্চ ১,০০০। গত ২৪ মার্চ আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের নির্দেশনা পাশ কাটিয়ে কাজটি প্রক্রিয়া করা হয় অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে। ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড ৪ জুন অফার জমা দেয় এবং মাত্র ছয় দিনের মাথায়, অর্থাৎ ১০ জুন তারা হুইলচেয়ার ও সেলাই মেশিন সরবরাহের কার্যাদেশ পেয়ে যায়।</p>
<p>কোয়ালিটি টেস্টে ফেল, তবুও আমদানি<br />
আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান এসজিএস (SGS) সেপ্টেম্বর মাসের ২১ ও ২২ তারিখে ১,৫৪৮টি হুইলচেয়ারের চালান থেকে দৈবচয়ন বা র‌্যান্ডম ভিত্তিতে ১২৫টি হুইলচেয়ার পরীক্ষা করে। পরীক্ষা শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে তারা জানায়, ১২৫টির মধ্যে ৩০টিতেই রয়েছে মারাত্মক ত্রুটি- যেমন অনিরাপদ চাকা ও অনিরাপদ ব্রেক। এছাড়া পরিদর্শনের সময় ৬৮% হুইলচেয়ারের বসার আসন ও ব্যাকরেস্টে লোহার তারের উন্মুক্ত অংশ পাওয়া যায়। উন্মুক্ত লোহার তার এবং সিটের ধারে ধারালো ও বিপজ্জনক মেটাল এজ ছিল, যা প্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীদের জখম করতে পারে। চাকার মান পরীক্ষা করতে কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধা দেয় এবং ডিইডব্লিউ পণ্যের স্পেসিফিকেশন পরিদর্শককে সরবরাহ করেনি। উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী এই ১২৫টির মধ্যে ৭টির বেশি ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গেলে চালান বাতিল করার কথা।<br />
এসজিএস কর্মকর্তা তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, স্যাম্পলের সব হুইলচেয়ারে উন্মুক্ত মেটাল এজ ছিল। ডকইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ চাকার মান পরীক্ষা করতে দেয়নি, এমনকি মূল্যায়নের জন্য কোনো ‘প্রোডাক্ট স্পেসিফিকেশন’ বা বিবরণও জমা দেয়নি। ফলে ১,৫৪৮টি হুইলচেয়ারের ওই চালানটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে &#8216;Not-Conform&#8217; বা মানদণ্ডবহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত করে এসজিএস। পরবর্তীতে ইমেইলের মাধ্যমে এই রিপোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। এসজিএসের ছাড়পত্র না থাকা সত্ত্বেও এই ত্রুটিপূর্ণ হুইলচেয়ারের একটি চালান ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এনে শাহীনবাগে নৌবাহিনীর একটি ভবনের নিচে রাখা হয়েছে।</p>
<p>ভুয়া আইনি ধারা, তড়িঘড়ি প্রক্রিয়া এবং রহস্যজনক ব্যাংক গ্যারান্টি<br />
গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চুক্তিতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০০৮’-এর ৫৪ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০২৫ কার্যকর হওয়ায় ২০০৮ সালের বিধিমালা ইতিমধ্যে বাতিল হয়ে গিয়েছিল। অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে, এসব কেনাকাটার জন্য গত ১০ আগস্ট সকাল ১১টায় মূল্যায়ন কমিটি গঠিত হয় এবং একদিনের মধ্যেই একক উৎস থেকে দরপ্রস্তাব খোলা, মূল্যায়ন এবং ৪৯,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৪৮,০০০ টাকা নির্ধারণ করে চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়। প্রস্তাবিত দরের চেয়ে ১,০০০ টাকা কমানোর বিষয়টি ছিল আদতে আইওয়াশ।</p>
<p>জানা গেছে, সরকারি টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) ৯ জুলাই সরাসরি ট্যাবলেট সরবরাহের প্রস্তাব দিলেও তা বাতিল করে ডিইডব্লিউ এবং তাদের অনভিজ্ঞ বেসরকারি অংশীদারকে সুযোগ দেওয়া হয়। এদিকে সরকারি চুক্তিতে ডিইডব্লিউ সরবরাহকারী হলেও চুক্তি স্বাক্ষরের ৪ দিন আগে (১৯ আগস্ট) স্যালস্ট্রার অনুরোধে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ৩২.৭ কোটি টাকার পারফরম্যান্স গ্যারান্টি দেয়। হুইলচেয়ার চুক্তিতেও বাংলামার্ক লিমিটেড নামক একটি বেসরকারি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নৌবাহিনীর পক্ষ হয়ে ২.২ কোটি টাকার গ্যারান্টি দেয়- যা মূলতঃ সরকারি নিয়মকানুনের মধ্যে পড়ে না। নতুন প্রকিউরমেন্ট নীতি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত মালিকের (Beneficial Ownership) নাম প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক হলেও ডিইডব্লিউ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছাড় পাওয়ায় বুরাক ব্রেকের দুই মালিকের নাম সরকারি নথি থেকে পুরোপুরি আড়াল রাখা হয়।<br />
রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার তহবিল ও সামাজিক কল্যাণ প্রকল্পের অর্থ লোপাটের এই ঘটনায় নৌবাহিনীর মতো সুশৃঙ্খল বাহিনীর যুক্ত হওয়া এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দরপত্র ছাড়াই স্বজনদের ব্যবসায়িক সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি এখন তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে শাহীনবাগের বেসমেন্টে প্রস্তুত রাখা হয়েছে হুইলচেয়ার। অন্যদিকে, ৬৬,৮১৫টি ট্যাবলেটের মধ্যে মাত্র ৯,০০০টি ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয়েছে। প্রতি ট্যাবলেটে সিম কার্টিজ, জিও-ট্যাগিং, গ্রামীণফোনের স্টিকার এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার লোড করতে প্রায় ২২ মিনিট সময় লাগায় সরবরাহ বিলম্বের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে ডিইডব্লিউ।<br />
টাকা লেনদেনের বিশাল এই নথিপত্র এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত এসপিআইআরআইটি (SPIRIT) প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বজনপ্রীতি, দরপত্রহীন কেনাকাটা এবং বিপুল অর্থ তছরুপের এই গুরুতর অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়ার উচিত বলে মনে করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27490/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকার দুই জায়গায় গদি-ঘাট- আড়তে পাপেল চক্রের চাঁদাবাজি, মাসে আদায় হয় ‘কোটি টাকার’ বেশি</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27487</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27487#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 06:18:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27487</guid>

					<description><![CDATA[পাপেলের নেতৃত্বে লেলিন, হানিফ ও শুভ্রের বিরুদ্ধে চক্র গড়ার অভিযোগ; গদি, ঘাট, আড়ত ও পরিবহনে টাকা আদায়। ঢাকা: রাজধানীর গাবতলী-সদরঘাট বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে সারি সারি ইট, বালু ও পাথরের গদি। এসব গদি বা আড়ত চালাতে প্রতিটিকে মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। সেখানে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাককে চাঁদা দিতে হয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পাপেলের নেতৃত্বে লেলিন, হানিফ ও শুভ্রের বিরুদ্ধে চক্র গড়ার অভিযোগ; গদি, ঘাট, আড়ত ও পরিবহনে টাকা আদায়।<br />
ঢাকা: রাজধানীর গাবতলী-সদরঘাট বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে সারি সারি ইট, বালু ও পাথরের গদি। এসব গদি বা আড়ত চালাতে প্রতিটিকে মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। সেখানে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাককে চাঁদা দিতে হয় ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা করে। নদীপথেও রেহাই নেই—চলন্ত নৌযানের কাছে ট্রলার নিয়ে গিয়ে টাকা তোলা হয়।</p>
<p>রাজধানীর গাবতলী ও মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় গদি, ঘাট, আড়ত, পরিবহন ও দোকান ঘিরে মাসে এক কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p>
<p>স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাদের ভাষ্য, এসবের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন যুবদলের সাবেক নেতা মোস্তফা জগলুল পাশা ওরফে পাপেল ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা।</p>
<p>ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হিসাব করলে, শুধু গদি, পণ্যবাহী ট্রাক ও গাবতলী পশুর হাটের সামনের দোকান থেকে মাসে আদায় হয় প্রায় সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা। শাহ আলী মাজারের আড়ত কমপ্লেক্স ও বাইরের জায়গা থেকে ওঠে আরও ৩০ লাখ টাকার বেশি। এর বাইরে নৌপথে শুল্কের নামে এবং বাস টার্মিনাল ও অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড ঘিরেও টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>    রাজধানীর গাবতলী ও মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় গদি, ঘাট, আড়ত, পরিবহন ও দোকান ঘিরে মাসে এক কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p>
<p>স্থানীয় বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা ও ব্যবসায়ীর অভিযোগ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব পাপেলের এই চক্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে রয়েছেন শাহ আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ওরফে লেলিন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মোহাম্মদ হানিফ মিয়া ও হাফিজুল হাসান ওরফে শুভ্র। তাঁদের অনুসারীদের মাধ্যমে পশুর হাট, কাঁচাবাজার, ঘাট, গদি ও পরিবহন স্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং চাঁদা আদায় করা হয়।</p>
<p>গত মাসে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটেও এই চারজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হানিফ। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শুভ্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, কোনো কমিটিতে না থাকায় পাপেল ও লেলিনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে পুলিশ তাঁদের খুঁজছে।</p>
<p>শুভ্রর দাবি, তিনি ব্যবসা করেন; দখল বা চাঁদাবাজিতে যুক্ত নন। রাড্ডার ঘটনায় তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে বলে তিনি দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।</p>
<p>অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে পাপেল, লেলিন ও হানিফের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বন্ধ পাওয়া যায়। হোয়াটসঅ্যাপেও প্রথম দুজনকে পাওয়া যায়নি; হানিফ ফোন ধরেননি। পুলিশ বলছে, তাঁরা পলাতক, গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।</p>
<p>শ্যামলের হয়ে গদিঘরগুলো থেকে টাকা তোলার কাজটি করেন কোটবাড়ী ইউনিট আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ইসমাইল মোল্লা ও আন্তজেলা ট্রাকচালক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ সালেক।</p>
<p>গদি, ট্রাক ও দোকান থেকে মাসে ৩৫ লাখ টাকা</p>
<p>গাবতলী থেকে কল্যাণপুর পানির পাম্প বা স্লুইসগেট পর্যন্ত সোয়া কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে শতাধিক অবৈধ গদি রয়েছে বলে গাবতলী ইট, পাথর, বালু আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি জানিয়েছে। এগুলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে।</p>
<p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইট-বালুর পাঁচ ব্যবসায়ী ও তিন কর্মচারী জানান, ওই এলাকায় শতাধিক গদিঘর রয়েছে। গদিপ্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা দিতে হয়। এই হিসাবে মাসে অন্তত ২০ লাখ টাকা আদায় হয় সেখান থেকে।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, টাকা আদায়ের এই কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন দারুস সালাম থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্যামল আহমেদ ওরফে রাসেল। তিনি পাপেল চক্রের সঙ্গে সমঝোতা করেই এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।</p>
<p>শ্যামলের হয়ে গদিঘরগুলো থেকে টাকা তোলার কাজটি করেন কোটবাড়ী ইউনিট আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ইসমাইল মোল্লা ও আন্তজেলা ট্রাকচালক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ সালেক।</p>
<p>তবে শ্যামল আহমেদ প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তিনি কোনো দখল বা চাঁদাবাজিতে যুক্ত নন। আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিকল্পনা করছেন, তাই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।</p>
<p>সেখানকার ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও গদিগুলো থেকে চাঁদা তোলার কাজটি করতেন এই ইসমাইল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তাঁর ভাই আইয়ুব আলী দারুস সালাম থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হন। ফলে ইসমাইলের প্রভাবও বহাল রয়েছে।</p>
<p>ইসমাইল প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তিনি ছোটবেলা থেকে ইট-বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কোনো চাঁদাবাজিতে জড়িত নন। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতেন, তবে কোনো পদে নেই।</p>
<p>    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সাবেক ছাত্রদল নেতা শ্যামল আহমেদের কর্মী কমল, মাহফুজ, শফিক ও আজহারুল এবং আরও চার-পাঁচজন ট্রাক থেকে টাকা তোলেন। দৈনিক অন্তত ১৫০ ট্রাকে মালামাল আসে। গড়ে ৩০০ টাকা হিসাবে মাসে এই খাত থেকে চাঁদা আদায় হয় প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।</p>
<p>এর বাইরে ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জমিতে প্রায় ৩০০ প্লট রয়েছে, সেখানে গদিঘর রয়েছে। গাবতলী ইট, পাথর, বালু আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির নেতারা জানান, বিআইডব্লিউটিএ প্রতি দেড় হাজার বর্গফুটের জন্য বছরে ২০ হাজার টাকা শুল্ক নেয়। ডিএনসিসির প্লটের ইজারা চেয়ে আবেদন হলেও সমাধান হয়নি।</p>
<p>ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেন, গাবতলীতে করপোরেশনের জমিতে অবৈধ ইট-বালুর ব্যবসার বিষয়ে দুই মাস আগে প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কারা ব্যবসা করছেন, কত দোকান ও কী কার্যক্রম চলছে, তা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।</p>
<p>এদিকে ইট-বালু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, অবৈধ গদির পাশাপাশি ওই ৩০০ প্লটের গদিতে পণ্য আনা ট্রাক থেকেও টাকা তোলা হয়। ছয় চাকার ট্রাক থেকে ২৫০ এবং ১০ চাকার ট্রাক থেকে ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়।</p>
<p>ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সাবেক ছাত্রদল নেতা শ্যামল আহমেদের কর্মী কমল, মাহফুজ, শফিক ও আজহারুল এবং আরও চার-পাঁচজন ট্রাক থেকে টাকা তোলেন। দৈনিক অন্তত ১৫০ ট্রাকে মালামাল আসে। গড়ে ৩০০ টাকা হিসাবে মাসে এই খাত থেকে চাঁদা আদায় হয় প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।</p>
<p>ট্রাক থেকে চাঁদা আদায়কারী চার কর্মীর একজন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা ‘ইজারাদার মালিকের’ হয়ে টাকা তোলেন। মালিক কারা, জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘অনেকেই আছে। শ্যামল আহমেদ রাসেল আছে, ইসমাইল আছে; আরও অনেকে আছে সবাইকে চিনিও না।’</p>
<p>একই এলাকায় অবস্থিত গাবতলী পশুর হাট। হাটের সামনের অর্ধশতাধিক অবৈধ দোকান রয়েছে। দোকানগুলো থেকে মাসে তিন থেকে চার হাজার টাকা করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখান থেকে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকা আদায় করে একই চক্র।</p>
<p>    ট্রাক থেকে চাঁদা আদায়কারী চার কর্মীর একজন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা ‘ইজারাদার মালিকের’ হয়ে টাকা তোলেন। মালিক কারা, জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘অনেকেই আছে। শ্যামল আহমেদ রাসেল আছে, ইসমাইল আছে; আরও অনেকে আছে সবাইকে চিনিও না।’</p>
<p>নৌপথে ‘শুল্কের’ নামে টাকা আদায়</p>
<p>গাবতলী ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে সিন্নিরটেক হয়ে আশুলিয়া নৌপথে চলন্ত পণ্যবাহী নৌযানের কাছে ট্রলার নিয়ে টাকা আদায় করা হয়।</p>
<p>স্থানীয় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পাপেল ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের নিয়ন্ত্রণে এই টাকা আদায় তদারক করেন ইব্রাহিম খলিল, ইসমাইল হোসেন ও জহুরাবাদের বাবুল। ইসমাইল ও বাবুল আওয়ামী লীগ আমলেও টাকা তুলতেন। এখন বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুই পক্ষ মিলে এই চাঁদা আদায় করছে। তাঁরা এই ব্যবস্থাকে ‘প্যাকেজ’ বলেন।</p>
<p>ইসমাইল ও বাবুল গত অর্থবছরে এখানকার বৈধ শুল্ক ইজারাদার বলে দাবি করে থাকেন। তাহলে এখন কীভাবে টাকা তুলছেন—সে বিষয়ে এই দুজনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।</p>
<p>ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, আগের ইজারাদার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি জানিয়ে মামলা করায় চলতি অর্থবছরে নতুন দরপত্র আহ্বান ও ইজারাদার নিয়োগ হয়নি। তবে আগের দর অনুযায়ী প্রতি মাসে আদায় করা টাকা ইব্রাহিম ও বাবুলরা পরিশোধ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।</p>
<p>    আদায়কারী ও চালকদের হিসাবে, দৈনিক ১০০-১৫০টি নৌযান চলে। ১০০টি থেকে দেড় হাজার টাকা করে ধরলেও মাসে আদায় হয় ৪৫ লাখ টাকা। এটি তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে করা আনুমানিক হিসাব; প্রকৃত আদায় যাচাই করা যায়নি।</p>
<p>তবে নিয়ম হচ্ছে পণ্য খালাসের জায়গায় থেকে ইজারাদার হিসেবে শুল্ক তুলবে। চলন্ত নৌযান থেকে এভাবে শুল্ক আদায়ের সুযোগ নেই বলেও জানান এই কর্মকর্তা।</p>
<p>বর্তমানে কাগজপত্রে কোনো ইজারাদার না থাকলেও সিন্নিরটেক ঘাটে ‘শুল্ক’ আদায়কারী কর্মী আম্বর আলী গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, নৌযানের আকার অনুযায়ী এক-দেড় হাজার টাকা নেওয়া হয়। তিনি ইজারাদার হিসেবে পাপেল, রাসেল ও পারভেজের নাম বলেছেন।</p>
<p>তবে তীরে পণ্য খালাস করা নৌযানের চালক ও কর্মীরা বলেন, বাস্তবে একেকটি পণ্যবাহী নৌযান থেকে নেওয়া হচ্ছে দুই-আড়াই হাজার টাকা।</p>
<p>আদায়কারী ও চালকদের হিসাবে, দৈনিক ১০০-১৫০টি নৌযান চলে। ১০০টি থেকে দেড় হাজার টাকা করে ধরলেও মাসে আদায় হয় ৪৫ লাখ টাকা। এটি তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে করা আনুমানিক হিসাব; প্রকৃত আদায় যাচাই করা যায়নি।</p>
<p>বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতির সহসভাপতি আহমাদুল কবির মোল্লা বলেন, বিক্রয়মূল্যে তফাত থাকলেও পাথর, কয়লা ও বালুতে প্রতি ঘনফুটে সমান ৬০ পয়সা শুল্ক নির্ধারণ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এতে মালিকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, সুযোগ নিচ্ছেন ইজারাদারেরা। তাঁর অভিযোগ, সাধারণত তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়; যেসব নৌযানের মালিক প্রভাবশালী, তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হয় এক-দুই হাজার টাকা।</p>
<p> পরিচয়–নির্বিশেষে চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিরপুরে কেউ অশান্তি সৃষ্টি করলে কিংবা আগে অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।</p>
<p>পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার</p>
<p>টার্মিনাল ও ট্রাকস্ট্যান্ডেও আদায়</p>
<p>গাবতলী বাস টার্মিনাল এখন গোলাম রসুল পারভেজের নিয়ন্ত্রণে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে। গোলাম রসুল পারভেজ দারুস সালাম থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক। রাড্ডার ঘটনার পর সংগঠন থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।</p>
<p>বাস টার্মিনালে বৈধ কাউন্টার ও দোকান বাদে হকার ও ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে পারভেজের লোকজন টাকা তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দারুস সালাম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মির্জা মাসুদ এবং থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন ওরফে রিপন। সম্প্রতি তাঁরা সাতটি টিকিট কাউন্টার নির্মাণ করেছেন বলেও জানা গেছে।</p>
<p>ডিএনসিসির পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, খালি কাউন্টার না থাকায় আবেদনকারীদের নিজ খরচে নির্মাণের অনুমতি দিয়ে পরে অনুমোদন করা হয়।</p>
<p>এই অনুমোদনের সুযোগে এই নেতারা কিছু কাউন্টার নিজেদের পরিবহনের নামে নির্মাণ করেছেন। অন্যগুলো এককালীন টাকায় অন্য পরিবহনকে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে মুঠোফোনে চেষ্টা করেও গোলাম রসুল পারভেজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মির্জা মাসুদের ভাষ্য, নিজের পরিবহন প্রতিষ্ঠান মির্জা এন্টারপ্রাইজের জন্য করপোরেশনের অনুমতি নিয়ে নিজ অর্থে কাউন্টার নির্মাণ করেছেন। ইকবাল হোসেনের প্রতিষ্ঠান ঢাকা নাগরপুর লিংক লিমিটেডের নামেও কাউন্টার বরাদ্দ হয়েছে।</p>
<p>টার্মিনালের কাছে সিটি করপোরেশনের বর্জ্যবাহী গাড়ি রাখার স্থান বা যান্ত্রিক শাখার পেছনে করপোরেশনের জমিতে অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড রয়েছে। এটি পরিচালনা করেন আন্তজেলা ট্রাকচালক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও সহসভাপতি সালেক।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হিসাবে, দিন-রাতে পালা করে ১৬০-১৭০টি ট্রাক রাখা হয়। প্রতিটি থেকে মাসে দেড় হাজার টাকা নেওয়া হয়। ১৬০টি ধরলে মাসিক আদায় অন্তত ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।</p>
<p>তবে এ বিষয়ে মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও সালেকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>অভিযোগ আছে, পাপেল, লেলিন, হানিফ ও শুভ্র—এই চক্র সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ ওরফে মিষ্টির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। রাড্ডার ঘটনার জেরে দলীয় প্রধানের নির্দেশে ফেরদৌসী আহমেদ সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর পাপেলরা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু চাঁদাবাজি, দখল এখনো বহাল আছে।</p>
<p>যেভাবে প্রভাব বাড়ে</p>
<p>স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ আমলে এসব এলাকায় দখল ও চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ ছিল ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হক ও তাঁর অনুসারীদের হাতে। ২০২১ সালে আসলামুল হক মারা যান। এরপর নিয়ন্ত্রণ করতেন যুবলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান ওরফে নিখিলের লোকজন।</p>
<p>গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একশ্রেণির নেতা-কর্মী। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য এস এ খালেকের ছেলে এস এ সিদ্দিক সাজু দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর তাঁর অনুসারীদের প্রভাব কমে যায়। এলাকায় ক্রমে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন পাপেল, লেলিন, হানিফ ও শুভ্র। তাঁরা এলাকার অবৈধ উপার্জনের খাতগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।</p>
<p>অভিযোগ আছে, পাপেল, লেলিন, হানিফ ও শুভ্র—এই চক্র সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ ওরফে মিষ্টির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। রাড্ডার ঘটনার জেরে দলীয় প্রধানের নির্দেশে ফেরদৌসী আহমেদ সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর পাপেলরা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু চাঁদাবাজি, দখল এখনো বহাল আছে।</p>
<p>এ বিষয়ে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার প্রথম আলোকে বলেন, পরিচয়–নির্বিশেষে চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিরপুরে কেউ অশান্তি সৃষ্টি করলে কিংবা আগে অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27487/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ময়মনসিংহে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27467</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27467#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 08:47:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27467</guid>

					<description><![CDATA[ময়মনসিংহে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর আকুয়া বাইপাসের গন্দ্রপা এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ময়মনসিংহে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর আকুয়া বাইপাসের গন্দ্রপা এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।</p>
<p>কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত একটি অটোরিকশার ওপর উঠে যায়। এতে অটোরিকশায় থাকা সাতজন নিহত হন।</p>
<p>দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে যায়। দুর্ঘটনার কারণে ওই সড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।</p>
<p>ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে শিশুকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ</p>
<p>এ ঘটনায় নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27467/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27460</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27460#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 06:09:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27460</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বয়ে একটি আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (০২ অক্টোবর) ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বয়ে একটি আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>শুক্রবার (০২ অক্টোবর) ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে আমাদের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও-এর উদ্যোগে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ পালিত হচ্ছে।</p>
<p>এ উপলক্ষ্যে সরকার প্রধান দেশের শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, শ্রমিক কর্মচারী এবং শিল্প ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার এ উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।</p>
<p>জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’-বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত সময়োপযোগী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে শিল্পের ধরন ও চরিত্র দ্রুত বদলে দিচ্ছে। বাংলাদেশকেও এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের শিল্পকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম দক্ষ, সৃজনশীল ও অভিযোজনক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতার সঙ্গে নতুন ও উচ্চদক্ষতার কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোও জরুরি। সরকারের উন্নয়ননীতিতে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘোষিত ইশতেহারেও প্রযুক্তিনির্ভর ও উচ্চদক্ষতার অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যা বর্তমান সরকার বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের লক্ষ্য হল আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। উৎপাদনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে দক্ষতাভিত্তিক ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহার, কারিগরি ও আইটি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং তরুণদের প্রযুক্তিগত ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের দেশীয় ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। তবে শুধু প্রযুক্তি গ্রহণ করলেই উৎপাদনশীলতা বাড়বে না; প্রয়োজন গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিকের সার্বিক কল্যাণ।</p>
<p>নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও দক্ষতাবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে শ্রমিক ও কর্মীদের সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে লাগাতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ এবং কর্মীদের নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>তিনি বলেন, ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিল্প ও সেবা খাতের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরো আধুনিক ও সম্প্রসারিত হবে-এটাই আমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করি, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনশীল, উদ্ভাবনী, দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতিতে পরিণত করি।’</p>
<p>তিনি ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27460/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শুল্কমুক্ত মদ ‘অবৈধ গুদামে’, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27464</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27464#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 05:12:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[শুল্কমুক্ত মদ ‘অবৈধ গুদামে’]]></category>
		<category><![CDATA[সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27464</guid>

					<description><![CDATA[শুল্কমুক্ত মদ অননুমোদিত গুদামে রাখার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের চারটি গুদাম সিলগালা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যৌথ দল। এর মধ্যে দুটি গুদাম প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এ অভিযান চালিয়ে গুদামগুলো সিলগালা করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শুল্কমুক্ত মদ অননুমোদিত গুদামে রাখার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের চারটি গুদাম সিলগালা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যৌথ দল। এর মধ্যে দুটি গুদাম প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত বলে জানানো হয়েছে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এ অভিযান চালিয়ে গুদামগুলো সিলগালা করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।</p>
<p>এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভিযানে প্রাথমিকভাবে ‘গুরুতর অসংগতি’ পাওয়ায় অধিকতর যাচাইয়ের জন্য চারটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়েছে।</p>
<p>গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ‘টস বন্ড’ একটি ডিপ্লোমেটিক ওয়্যারহাউজ, যেখান থেকে বিদেশি কূটনীতিকদের শুল্কমুক্ত অ্যালকোহল সরবরাহ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ আসার পর কয়েক মাস ধরে অনুসন্ধান চলছিল।</p>
<p>এনবিআর সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত বা অনুমোদিত গুদামের সংখ্যা দুটি।</p>
<p>তবে অভিযানে মোট চারটি গুদামে পণ্য মজুত রাখার তথ্য পাওয়া যায়। বন্ড সুবিধায় আমদানি করা শুল্কমুক্ত পণ্য অননুমোদিত গুদামে স্থানান্তর বা অপসারণ ঠেকানো এবং তদন্তের স্বার্থে চারটি গুদামই সিলগালা করা হয়েছে।</p>
<p>শুল্ক গোয়েন্দার এক কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অভিযান চলে।</p>
<p>এদিকে নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিদেশি নাগরিকত্ব এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের তথ্য নিয়েও তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।</p>
<p>এনবিআরের সিআইসি ও আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট কানাডা থেকে এ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ঢাকার কূটনৈতিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজটির পরিচালক হিসেবে নুর ইসলাম, তাঁর স্ত্রী শীলা ইসলাম ও মেয়ে তাসনিম ইসলামের নাম থাকার কথা বলা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত পরিবারের আর্থিক লেনদেনের ১৬৩টি প্রতিবেদনও বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর মধ্যে এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আনার তথ্য পাওয়া গেছে বলে তাদের দাবি।</p>
<p>তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুদামে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। সিআইসির এক কর্মকর্তা বলেন, সালমান মুক্তাদির এ তদন্তের বিষয় নন এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগে থেকেই কাজ করছিল।</p>
<p>আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এক কর্মকর্তা জানান, নুর ইসলামের বিভিন্ন ব্যবসা ও বন্ডেড ওয়্যারহাউজের বিষয়ে আগে থেকেই অভিযোগ ছিল। বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হয়। আমদানি, শুল্ক ও ভ্যাটের বিষয় থাকায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।</p>
<p>এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার দক্ষিণ মানিকদীতে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ‘ব্রাউনফিশ’ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p>
<p>ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে সালমান মুক্তাদির হামলার জন্য বিএনপির চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন। পরে তিনি সেই অভিযোগ থেকে সরে আসেন। এ ঘটনায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া যে মামলা করেন, তাতে জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার জেরে হামলার অভিযোগ আনা হয়।</p>
<p>মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় ১৫০ থেকে ২০০ জনকে। মামলায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তারের খবর দিয়েছে পুলিশ।</p>
<p>এর মধ্যে বুধবার সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27464/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডেনমার্ককে গোলবন্যায় ভাসাল পর্তুগাল</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27457</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27457#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 03:51:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<category><![CDATA[ডেনমার্ককে গোলবন্যায় ভাসাল পর্তুগাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27457</guid>

					<description><![CDATA[ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্কের মাঠে স্বাগতিকদের ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। রোমাঞ্চে ঠাসা এই ম্যাচে পর্তুগালের হয়ে গোল করেছেন জোয়াও কানসেলো, গনসালো রামোস, ভিটিনিয়া ও জোয়াও ফেলিক্স। অন্যদিকে, ডেনমার্কের হয়ে গোল দুটি করেছেন মিকেল ডামসগার্ড ও রাসমুস হইলুন্দ। কোপেনহেগেনের পারকেন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্কের মাঠে স্বাগতিকদের ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। রোমাঞ্চে ঠাসা এই ম্যাচে পর্তুগালের হয়ে গোল করেছেন জোয়াও কানসেলো, গনসালো রামোস, ভিটিনিয়া ও জোয়াও ফেলিক্স। অন্যদিকে, ডেনমার্কের হয়ে গোল দুটি করেছেন মিকেল ডামসগার্ড ও রাসমুস হইলুন্দ।</p>
<p>কোপেনহেগেনের পারকেন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। ১৩ মিনিটে গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন জোয়াও কানসেলো। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি স্বাগতিকদের। ২৩ মিনিটে মিকেল ডামসগার্ডের গোলে সমতায় ফেরে ডেনমার্ক। এক মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় পর্তুগাল—গোল করেন গনসালো রামোস।</p>
<p>প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পর্তুগাল। বিরতির পর ম্যাচে ফেরে ডেনমার্ক। ৫৫ মিনিটের দিকে রাসমুস হইলুন্দের গোলে আবারও সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।</p>
<p>এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে পর্তুগাল। ৭০ মিনিটের পর ভিটিনিয়ার গোলে আবার এগিয়ে যায় সফরকারীরা। শেষ দিকে ডেনমার্ক সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও উল্টো আরও একবার জালে বল পাঠায় পর্তুগাল। ৮৮ মিনিটে জোয়াও ফেলিক্সের গোলে ৪-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়।</p>
<p>এই জয়ের মধ্য দিয়ে নেশন্স লিগে টানা তিন ম্যাচ জিতল পর্তুগাল। এর আগে ওয়েলস ও নরওয়েকে হারিয়েছিল তারা। ২০২৬-২৭ নেশন্স লিগের লিগ পর্বে পর্তুগাল ‘এ৪’ গ্রুপে খেলছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27457/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিষেধাজ্ঞার কবলে পুলিশের আকাশযান কেনার প্রকল্প</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27450</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27450#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 03:40:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[ভিন্ন স্বাদের খবর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27450</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: বাংলাদেশ পুলিশ স্থল ও নৌপথের পাশাপাশি আকাশপথেও সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে দুটি হেলিকপ্টার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর হেলিকপ্টার কিনতে রাশিয়ায় যায় পুলিশের প্রতিনিধি দল। কয়েক দফায় তিন বছরে হেলিকপ্টারের মূল্য বাবদ প্রায় ৪২৮ কোটি টাকা পরিশোধও করা হয়। তবে প্রায় পাঁচ বছরেও দেশে আসেনি হেলিকপ্টার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: বাংলাদেশ পুলিশ স্থল ও নৌপথের পাশাপাশি আকাশপথেও সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে দুটি হেলিকপ্টার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর হেলিকপ্টার কিনতে রাশিয়ায় যায় পুলিশের প্রতিনিধি দল। কয়েক দফায় তিন বছরে হেলিকপ্টারের মূল্য বাবদ প্রায় ৪২৮ কোটি টাকা পরিশোধও করা হয়। তবে প্রায় পাঁচ বছরেও দেশে আসেনি হেলিকপ্টার দুটি।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে হেলিকপ্টার দুটি দেশে আনার প্রক্রিয়া আটকে গেছে। শুধু হেলিকপ্টার কেনাই নয়, এগুলো পরিচালনার জন্য চার পাইলট ও একজন রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছিল। হেলিকপ্টার না আসায় প্রশিক্ষণ নেওয়া পাইলট ও প্রকৌশলীকে অন্য দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে।</p>
<p>হেলিকপ্টার দুটি গ্রহণ করা হবে কি না, অর্থ পরিশোধের বিষয়টি কীভাবে নিষ্পত্তি হবে এবং ভবিষ্যতে এগুলোর ব্যবস্থাপনা কী হবে—এসব নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।</p>
<p>চুক্তির পর টাকা পরিশোধ হলেও হেলিকপ্টার আসেনি</p>
<p>জানা যায়, ২০২১ সালে বাংলাদেশ পুলিশকে দুটি হেলিকপ্টার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল পুলিশের নিজস্ব আকাশ সক্ষমতা গড়ে তোলা। দুর্গম এলাকায় দ্রুত পৌঁছানো, উদ্ধার ও জরুরি অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দ্রুত মোতায়েনের মতো কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল।</p>
<p>হেলিকপ্টার পরিচালনার জন্য জনবল তৈরির কাজও শুরু করা হয়। পুরো প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৫৬ কোটি টাকা। রাশিয়ার একটি কোম্পানি থেকে এমআই-১৭১-এ২ মডেলের দুটি হেলিকপ্টার কেনার জন্য বাংলাদেশ সরকার চুক্তি করে। ২০২২ সালের অক্টোবরে ক্রয় প্রক্রিয়ার অনুমোদন এবং নভেম্বরে চুক্তি সম্পন্ন হয়।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চুক্তির সময়ই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সামনে আসে। এরপরও ২০২৪ সাল পর্যন্ত হেলিকপ্টার দুটির মূল্য বাবদ প্রায় ৭০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করা হয়। এর পরিমাণ প্রায় ৪২৮ কোটি টাকা। পরে ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হেলিকপ্টার দুটি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p>চার পাইলট এখন অন্য বিভাগে</p>
<p>হেলিকপ্টার পরিচালনার জন্য ২০২২ সালে চার পুলিশ সদস্যকে পাইলট এবং একজনকে রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে হেলিকপ্টার না আসায় তাঁরা এখন সেগুলো পরিচালনা করছেন না।</p>
<p>প্রশিক্ষণ নেওয়া চার পাইলট ও একজন রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলীকে র‍্যাবের এয়ার উইংয়ে পদায়ন করা হয়েছে। সেখানে তাঁদের দক্ষতা ধরে রাখার প্রশিক্ষণও চলছে।</p>
<p>মধ্যস্থতাকারী পেয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকা</p>
<p>রাশিয়া থেকে হেলিকপ্টার দুটি আনতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তি করে। এ প্রক্রিয়ায় একজন মধ্যস্থতাকারীকে মোট চুক্তিমূল্যের ৪ শতাংশ দেওয়ার শর্তে নিয়োগ করা হয়। এতে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ছিলেন সৈয়দ আহসান আহমেদ সায়মুম। তিনি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ক্যাশিয়ার ছিলেন বলে সূত্রের দাবি। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তিনি ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা পেয়েছেন। তবে বর্তমানে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।</p>
<p>এখন যে অবস্থা</p>
<p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী ৭০ শতাংশ অর্থ পরিশোধের পরও হেলিকপ্টার দুটি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p>পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাশিয়ার কাছ থেকে হেলিকপ্টার কিনলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব রাজনীতি, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতিতেও পড়তে পারে।</p>
<p>আরেক কর্মকর্তা বলেন, চুক্তির পর যে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, তা এখন অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে হেলিকপ্টার পাওয়া যেতে পারে। তবে তা কবে সম্ভব হবে, তা বলা কঠিন। রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে কি না, সেটিও অনিশ্চিত।</p>
<p>কী বলছে বাংলাদেশ পুলিশ</p>
<p>বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া বিভাগের এআইজি সাহাদাত হোসেনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, হেলিকপ্টার কেনার সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। কিছু অর্থও পরিশোধ করা হয়েছে। তবে হেলিকপ্টার এখনো দেশে আসেনি। কবে নাগাদ আসবে, তা তিনি জানাতে পারেননি।</p>
<p>তবে চার পাইলট এখন আবার পুলিশ বিভাগে ফিরে তাঁদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান তিনি।</p>
<p>চলতি বছরের মে মাসে এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই মুহূর্তে পুলিশের জন্য আলাদা এভিয়েশন উইং প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন নেই। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27450/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মদিনায় বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27454</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27454#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 03:32:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[মদিনায় বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27454</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের মদিনায় একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। মিত্রবাহিনীর দাবি, হুথির চালানো এই হামলায় তায়বাহ পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন স্টেশনের একটি ট্রান্সফরমার বন্ধ হয়ে গেলেও পুরো বিদ্যুৎব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়েনি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মদিনার তায়বাহ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সৌদি আরবের মদিনায় একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। মিত্রবাহিনীর দাবি, হুথির চালানো এই হামলায় তায়বাহ পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন স্টেশনের একটি ট্রান্সফরমার বন্ধ হয়ে গেলেও পুরো বিদ্যুৎব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়েনি।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবার সকালে মদিনার তায়বাহ পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন স্টেশন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে মিত্রবাহিনী। হামলার পর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার বন্ধ হয়ে যায়।</p>
<p>তবে হামলার কারণে মদিনার সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছে মিত্রবাহিনী। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।</p>
<p>মিত্রবাহিনীর দাবি, মদিনার নবীজির (স.) মসজিদ মসজিদে নববি এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী লাইন লক্ষ্য করে হুথিরা ধারাবাহিকভাবে হামলার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।</p>
<p>সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন মিত্রবাহিনী জানিয়েছে, দুই পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হুথিদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।</p>
<p>তবে হামলার দায় স্বীকার করে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হামলায় হতাহত বা বিদ্যুৎ সরবরাহে অন্য কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়নি।</p>
<p>মদিনা মুসলিমদের কাছে অন্যতম পবিত্র শহর এবং এখানে মসজিদে নববি অবস্থিত। শহরের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার ঘটনা তাই নিরাপত্তার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। তবে মিত্রবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এবারের হামলায় মদিনার সামগ্রিক বিদ্যুৎব্যবস্থা সচল রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27454/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইরান ঘিরে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মোতায়েন করছে ৩ রণতরী</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27449</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27449#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2026 02:29:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27449</guid>

					<description><![CDATA[ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপস (উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট) মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ এসব সামরিক শক্তি ইরানের আশপাশে অবস্থান নেবে বলে আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) গণমাধ্যমটির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপস (উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট) মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ এসব সামরিক শক্তি ইরানের আশপাশে অবস্থান নেবে বলে আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) গণমাধ্যমটির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের ওই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রুজভেল্ট তার স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো ঘাঁটি ছেড়েছে। রণতরিটি মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।</p>
<p>এ ছাড়া মাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সও সোমবার সান ডিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এই ইউনিটের সঙ্গে দুই হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন।</p>
<p>ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট মোতায়েন থাকবে।</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ সামরিক শক্তি জড়ো করতে পারলে ইরানকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সামনে বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিকল্প তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেছেন ওই কর্মকর্তা।</p>
<p>বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27449/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবার এক হয়েছে:  প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/27440</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/27440#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 14:43:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবার এক হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=27440</guid>

					<description><![CDATA[‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবার এক হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মধ্যে যারা অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবার এক হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মধ্যে যারা অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা আজকে অরাজকতা তৈরি করছে দেশের মধ্যে, বিশৃঙ্খলতা তৈরি করতে চাচ্ছে- তাদের ব্যাপারে সতর্ক করতে হবে।’</p>
<p>গুপ্তবাহিনী প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘এই গুপ্তবাহিনী এই যাদের সম্পর্কে কথা বলছি এদের আরেকটা কথা বলি। গত ১৭ বছর যখন স্বৈরাচার দেশের শাসনভার জোর করে ধরে রেখেছিল, মানুষের কণ্ঠস্বর ও ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল; পরে সেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যখন ৫ আগস্ট মানুষ বেরিয়েছিল পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।গুপ্তবাহিনীর লোকজন বলল কয়েক দিন আগে যে তারা যদি আসে, রাজনীতি করে আমাদের কোনো আপত্তি নাই।’</p>
<p>আপত্তি থাকবে কেমন করে- প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘বরাবরই তো এরা একসাথে ছিল। সেই ’৯১ সালেও তারা একসাথে ছিল, ’৮৬ সালেও একসাথে ছিল। গত নির্বাচনের সময়ও তারা একসাথেই তলে তলে কাজ করেছিল। এই জন্যই তো তাদেরকে গুপ্ত বলা হয়।’</p>
<p>গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা জেল-জুলুম, হত্যার শিকার হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা গায়েবি মামলার শিকার হয়েছে। শুনেছেন তাদের ওইসবের শিকার হয়েছিল।’</p>
<p>রাজপথের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজপথে মিছিল করেছিলেন, মিটিং করেছিলেন, হরতাল করেছিলেন, তাদের কাউকে দেখেছিলেন রাজপথে আপনাদের সাথে? তারা রাজপথে কেউ ছিল না। আজকে তারা এবং ওরা যারা পালিয়ে গেছ- —এই স্বৈরাচার এবং গুপ্ত আবার একসাথে হয়েছে।’</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এবং বিএনপি সরকার আজ দিয়ে আমরা প্রমাণ করেছি যে আমরা জনগণের জন্য কাজ করি। আমরা আমাদের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছি যে, বিএনপি যা বলে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করে কাজ করে। আমরা আমাদের কর্মসূচি নিয়ে প্রমাণ করেছি যে বিএনপি সবসময় জনগণের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করে।’</p>
<p>দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ-সংক্রান্ত প্রকল্প উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।</p>
<p>ফুলগাজীর অনুষ্ঠানে ফেনীর ৭ হাজার ৬৪৩ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি ৫১০ জনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কর্মসূচি ছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/27440/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
