<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>2ndlead &#8211; skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/archives/category/2ndlead/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Tue, 18 Aug 2026 08:39:11 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1</generator>
	<item>
		<title>বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26651</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26651#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2026 08:39:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26651</guid>

					<description><![CDATA[বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি ও ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ২৪ জন ঠিকাদার। অভিযোগে বলা হয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলীর চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কমিশন না দিলে কোনো ঠিকাদারের কাজ শতভাগ শেষ হলেও বিল পরিশোধ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি ও ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ২৪ জন ঠিকাদার।</p>
<p>অভিযোগে বলা হয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলীর চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কমিশন না দিলে কোনো ঠিকাদারের কাজ শতভাগ শেষ হলেও বিল পরিশোধ হয় না। এমনকি মাঠপর্যায়ে কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকলেও কাগজে-কলমে অগ্রগতি দেখিয়ে বিলের কাজ এগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কাজের জামানতের টাকা ফেরত পেতেও অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন ঠিকাদাররা।</p>
<p>‎</p>
<p>‎ঠিকাদারদের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কথা বললে বিল আটকে দেওয়া এবং কাজের সাইটে নানা ধরনের জটিলতা তৈরির আশঙ্কায় অনেকে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না। এ কারণে কয়েকজন ঠিকাদার ছদ্মনামে তাঁদের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন।</p>
<p>‎</p>
<p>‎রাসেল (ছদ্মনাম) নামে এক ঠিকাদার বলেন, কাজের মান শতভাগ ঠিক থাকলেও স্যারের নির্ধারিত কমিশন না দিলে ফাইল স্বাক্ষর হয় না। আমরা এখন পুরোপুরি তাঁর কাছে জিম্মি।</p>
<p>‎আরিফ (ছদ্মনাম) নামে আরেক ঠিকাদার বলেন, নাম প্রকাশ্যে এলে চলতি প্রকল্পের বিল আটকে দেওয়া হবে এবং সাইটে নানা অজুহাতে ত্রুটি ধরা হবে। তাই বাধ্য হয়ে নাম গোপন রেখে প্রতিবাদ করছি।</p>
<p>‎</p>
<p>‎অভিযোগে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছরের ২৯ নভেম্বর ফারুক হোসেন নামে এক ঠিকাদারকে ফোনে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এর পরদিন ৩০ নভেম্বর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ঘটনায় লিখিত সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২০৭৬) করেন ওই ঠিকাদার।</p>
<p>‎</p>
<p>‎এ ছাড়া দপ্তরের সরকারি রেস্ট হাউস ব্যক্তিগত ও অনৈতিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগও সচিবের কাছে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>‎</p>
<p>‎জাহিদ (ছদ্মনাম) নামে এক ঠিকাদার বলেন, সরকারি রেস্ট হাউস ব্যক্তিগত ও অনৈতিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। একটি সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক প্রধানের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয়।</p>
<p>‎</p>
<p>‎অয়ন (ছদ্মনাম) নামে আরেক ঠিকাদার বলেন, মাঠপর্যায়ে কাজের অগ্রগতি না থাকলেও কাগজে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলনের যে অভিযোগ উঠেছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।</p>
<p>‎</p>
<p>‎অভিযোগ অস্বীকার নির্বাহী প্রকৌশলীর ‎অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।</p>
<p>‎</p>
<p>‎তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কতিপয় স্বার্থান্বেষী ঠিকাদার নিয়মবহির্ভূত সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে কাল্পনিক ও অপপ্রচারমূলক অভিযোগ তুলছেন। দপ্তরের প্রতিটি প্রকল্প সরকারি বিধিমালা মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য প্রকাশিত হবে।</p>
<p>‎</p>
<p>‎তবে অভিযোগ ওঠার পর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি সাক্ষাৎ না দিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্টের কথা বলে এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ নিয়েও স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।</p>
<p>‎</p>
<p>‎সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও প্রকল্পের মান নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর বিষয়ে শিক্ষা বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26651/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণপূর্ত’র শীর্ষ পদে নিয়মিত হওয়ার চেষ্টায় বালিশ কেলেঙ্কারীর মূলহোতা!</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26637</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26637#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 11:18:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[গণপূর্ত’র শীর্ষ পদে নিয়মিত হওয়ার চেষ্টায় বালিশ কেলেঙ্কারীর মূলহোতা! ছবির ক্যাপশন: খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে পোস্টিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26637</guid>

					<description><![CDATA[গণপূর্ত’র শীর্ষ পদে নিয়মিত হওয়ার চেষ্টায় বালিশ কেলেঙ্কারীর মূলহোতা! ছবির ক্যাপশন: খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে পোস্টিং বাণিজ্য, ভাই-ভাগিনাদের দিয়ে ঠিকাদারী ব্যবসা, ডেভেলপার ব্যবসা, সন্ধ্যার পরে ও ছুটির দিনগুলোতে একটি গোপণ আস্তানায় অফিস করা, আওয়ামী কানেকশন, স্টাফ অফিসার কেলেঙ্কারীসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও লাগাতার দুর্নীতির অভিযোগ জয়নাল আবেদীন যশোরী ও আসাদ মাহমুদ: রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রর গ্রীণসিটির [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গণপূর্ত’র শীর্ষ পদে নিয়মিত হওয়ার চেষ্টায় বালিশ কেলেঙ্কারীর মূলহোতা! ছবির ক্যাপশন: খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে পোস্টিং বাণিজ্য, ভাই-ভাগিনাদের দিয়ে ঠিকাদারী ব্যবসা, ডেভেলপার ব্যবসা, সন্ধ্যার পরে ও ছুটির দিনগুলোতে একটি গোপণ আস্তানায় অফিস করা, আওয়ামী কানেকশন, স্টাফ অফিসার কেলেঙ্কারীসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও লাগাতার দুর্নীতির অভিযোগ</p>
<p>জয়নাল আবেদীন যশোরী ও আসাদ মাহমুদ:<br />
 রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রর গ্রীণসিটির নির্মাণ কাজে বালিশ কেলেঙ্কারী নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় হয় ২০১৯ সালে। সাড়া জাগানো বালিশ কান্ডের সময়ে রাজশাগী গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন খালেকুজ্জামান চৌধরী। এর আগে প্রকল্পের শুরুতে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে এই কর্মকর্তার হাত দিয়েই গ্রীণসিটির টেন্ডার প্রত্রিয়া শুরু হয়। বালিশ কান্ডের পরিকল্পনা সে সময়েই রচিত হয়। বালিশকান্ডে উপসহকারী প্রকৌশলীরা ফেঁসে গেলেও মুলহোতা খালেকুজ্জামান চৌধুরী রয়ে গেছেন ধরাছোয়ার বাইরে। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক জার্সি ত্যাগ করে সময়-সুযোগে ঝোপ বুঁঝে কোপ মেরে তিনিই এখন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী। আর এই পদে বর্তমানে নিয়মিসত হওয়ার জন্য জোড় প্রচষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।<br />
বালিশ কান্ড নিয়ে প্রধান মন্ত্রীর বক্তব্য: রুপপুরের বালিশ কান্ড নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১২ মে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ১৭ বছরের স্বৈরাচারী আমলের দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থ পাচার নিয়ে কথা বলার সময় তিনি বলেন, একটি প্রকল্পের বালিশ কেনা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা করে। ৮০ হাজার টাকায় একটি বালিশ, সেই বালিশে ঘুম হবে কী-না এটা একটা চিন্তার বিষয়। এর আগে গত  মে সিএজি’র উত্থাপিত অডিট রিপোর্টের প্রতিবেদনে প্রতিটি বালিশের অবিশ্বাস্য দাম দেখে প্রধানমন্ত্রী সিএজিকে বলেন, এই দামি বালিশগুলোর একটি জাদুঘরে রাখা উচিত।<br />
খালেদা জিয়ার বাড়ি ভাঙ্গার ঠিকাদারকে প্রতিষ্ঠিত করে নিজে প্রতিষ্ঠিত খালেকুজ্জামান: ঢাকা সেনানীবাসে খালেদা জিয়ার বাড়ি ভাঙ্গার ঠিকাদার মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশনকে রূপপুরে বড় বড় কাজ পাইয়ে দেওয়া কর্মকর্তা বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী। অবাক করার মতো বিষয় হলেও বর্তমানে এটাই বাস্তব ও চিরসত্য। বিএনপি’র ঊদ্ধর্তন পর্যায়ের বেশীরভাগ নেতৃবৃন্দ বিষয়টিকে মনেপ্রাণে না মানতে পারলেও কোন এক বিশেষ আশীর্বাদে অদৃশ্য রাহুর প্রভাবে খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ পদে বহালতবিয়তে আছেন।<br />
খালেকুজ্জামান চৌধুরী ২০১৪’র শেষদিক থেকে শুরু করে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছিলেন পাবনা গণপূর্ত ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী। সে সময়ে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রীণসিটি প্রকল্পের বহুতল বিশিষ্ট ভবনগুলোর নির্মাণের টেন্ডার হয়। প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ওই দপ্তরে থাকতেই বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজগুলোর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। আপোষহীন নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাড়ি ভাঙ্গার পুরুষ্কার হিসাবে মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লিঃ নামক প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্বে সাজিন ও তমা কনস্ট্রাকশনকে নিয়ে একটি লুটেরা সিন্ডিকেট তৈরী করে নামে-বেনামে প্রায় সবগুলো কাজ পাইয়ে দেওয়া হয় রূপপুর গ্রীণ সিটিতে। এর নেপথ্য কারিগর ছিলেন তখনকার নির্বাহী প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী। বিনিময়ে হাতিয়ে নিয়েছেন শতাধিক কোটি টাকা। ২০১৯ সালে রূপপুরে বালিশ কেলেঙ্কারীর ঘটনা প্রকাশের সময়েও তিনিই রাজশাহী গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে থেকে শুধুমাত্র নিজের ব্যাচমেট ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান ছাড়া নীরিহ উপসহকারী প্রকৌশলীদের বলির পাঠা বানিয়ে তিনি নিজেসহ ঊর্দ্ধতন প্রকৌশলীদের বাঁচিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। কালের বিবর্তনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের সময়ে তিনিই এখন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী পদে থাকায় বিএনপি’র বেশীরভাগ ঊর্দ্ধতন নেতারা বিষ্ময় ও উষ্মা প্রকাশ করেছেনূ। পদে বসে ফ্যাসিবাদের রক্ষকবচ হিসাবে কাজ করা, স্বৈরাচারের তোষণ, নারী কেলেঙ্কারী ও বদকর্মে চ্যাম্পিয়ন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলকে অবৈধ কালেকশনের ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব দেওয়া, নিয়োগ টেন্ডার পোষ্টিং পদোন্নতি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে ওই প্রকৌশলীসহ পাঁচ/ছয়জনকে নিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গঠন, পিএইচডি ডিগ্রী জালিয়াতি লিয়েনের শর্ত ভঙ্গ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব গ্রহণ ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অস্ট্রেলিযায় পাঁচার, বেইলীরোডে ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনায় বহুলোকের প্রাণ কেড়ে নেওয়া গ্রীণ কোজি কটেজ রেষ্টুরেন্টের নকশা অনুমোদনসহ বহুগুণে গুণান্বিত প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী। তবুও স্বৈরাচারের একনিষ্ঠ দোসর এই রকম একজন ফ্যাসিস্ট গুণধর কর্মকর্তা গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর সেবায় ধন্য হতে চলেছে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের একশ্রেণীর লোকেরা। জাতীয়তাবাদী সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও উন্নয়নের এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে চলেছে বিতর্কিত ও ফ্যাসিস্ট গুণধর এই প্রকৌশলীর হাত দিয়ে। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের। </p>
<p>যেভাবে গণপূর্তর শীর্ষ পদে খালেকুজ্জামান:  ২০২৫ এর ২৮ অক্টোবর সকালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তাসনিম ফারহানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপণে মোহাম্মদ শামীম আখতারকে তখনকার প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রিজার্ভ) পদে পদায়ন করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে মো. খালেকুজ্জামন চৌধুরীকে প্রধান প্রকৌশলীর রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয়। অখচ ওই সময়ে গ্রেডেশন তালিকা অনুযায়ী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর চেয়ে সিনিয়র ছিলেন মো. আশরাফুল আলম, ড. মো. মঈনুল ইসলাম, মো. শামছুদ্দোহা ও মো. আবুল খায়ের। একদিন পরে আরেকটি প্রজ্ঞাপণে তাকে চলতি দায়িত্বে প্রধান প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পূর্ত প্রকৌশলীদের মধ্যে জোড়ালো গুঞ্জন রয়েছে ওই দায়িত্ব প্রদানে শত কোটি টাকার গোপণ লেনদেন হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলমের মাধ্যমে সদ্য সাবেক জামায়াতপন্থী সচিবের ভাই আমিনুর রহমানের হাত দিয়ে এই টাকা লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ও বদরুল ধরে নিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসছে। সে অনুযায়ী জামায়াতের নায়েবে আমীর ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া (পরাজিত প্রার্থী) তাহেরকে গত ১০ ফেব্রুয়ারী প্রধান প্রকৌশলীর পক্ষ থেকে প্রকৌশলী বদরুল আলম ১ কোটি টাকা নির্বাচনী খরচ পাঠিয়ে দেন। ওইদিন সন্ধ্যার পরে পূর্ত ভবনের জোন বিল্ডিং থেকে সাভার সার্কেলের লাল গাড়িতে করে ওই টাকা নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।<br />
প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ছাত্র জীবনে কুয়েট থেকে লেখাপড়া করছেন এবং কুয়েট ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পর তিনি এখন গণপূর্তের কুয়েট, চুয়েট ও রুয়েট নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিভেদ সৃষ্টি করে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরী করেছেন। ৩/৪টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন গণপূর্ত প্রকৌশলীরা। এ কারণে ভেঙ্গে পড়েছে চেইন অব কমান্ড। ফুঁসে উঠছে শোষিত বঞ্চিত প্রকৌশলীরা।<br />
আরো  জানা যায়, ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর সাবেক পূর্ত সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকারের আশীর্বাদপ্রাপ্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের ১৫তম ব্যাচের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী ২০১৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রি জলিয়াতে ধরা পড়ে শাস্তির বদলে পেয়েছেন পাবনা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে প্রাইজ পোস্টিং। সেখানে গ্রীণসিটি প্রকল্পের টেন্ডারে মজিদ সন্স ও সাজিন কনস্ট্রাকশনকে ব্যাপক সুবিধা পাইয়ে দিয়ে শতাধিক কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১৬ সালে ওই সময়ের প্রধান প্রকৌশলী টিপু মুন্সী তাকে চুয়াডাঙ্গায় বদলী করেন। এর পরে নতুন করে কথিত লিয়েন কাটিয়ে পিএইচডি ডিগ্রী জালিয়াতি করে ধরা খেয়েও সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকারের মাধ্যমে দন্ড মওকুফ করিয়ে নিয়ে ২০১৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও সল্প ব্যবধানে পুনরায় পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়ে রাজশাহীতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে থেকে বালিশ কান্ডে উপসহকারী প্রকৌশলীদের ফাঁসিয়ে দিয়ে নিজেসহ উর্দ্ধতনদের রক্ষা করার ব্যবস্থা করেন তিনি। পরবর্তীতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসাবে খুলনার দায়িত্বে থেকে শেখ হেলালের পদ লেহন করে আওয়ামী এজেন্ডার সুপরিকল্পিত ও সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করায় শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে গোপালগঞ্জে নিয়ে আসা হয় ২০২৪ সালে। গত বছরের ২৪ জুন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন জোনের’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে আবারও প্রাইজ পোস্টিং বাগিয়ে নেন জামায়াতের ঊর্দ্ধতন নেতাদের তদবীরে। গণপূর্ত মেট্টোপলিটন জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তখন থেকেই ঠিকাদার ও ঢাকা শহরে একাধিক ওয়ার্কিং ডিভিশনে নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে শত কোটি টাকা কালেকশন করে জামায়াতকে ম্যানেজ করে তখনকার প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের আরো ২মাস চাকরি থাকা সত্ত্বেও ল্যাং মেরে ফেলে দিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ার দখল করেন। গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।<br />
আরো জানা যায়, চাকরি জীবনে খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বড় সময় কেটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। স্ত্রী-সন্তান অস্ট্রেলিয়ায় থাকায় সেখানে তিনি বহুবার যাতায়াত করেন। শিক্ষা ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যান, পিএইচডি এর নাম করে দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়েছেন তিনি। অনুমোদনবিহীন ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়াতে চাকুরিও করেছেন। ফিরে এলে তার বিরুদ্ধে ডিজারশনের মামলা হবার কথা।<br />
অপরদিকে, রাজধানীর বেইলি রোডে ২০২৪ সালের শুরুতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে কঙ্কালসার হয়ে যায় গ্রিন কোজি কটেজ। সাততলার এই বাণিজ্যিক ভবনে ওই বছর প্রাণ হারিয়েছিল ৪৬ জন; দগ্ধ ও আহত হয় আরও ১৩ জন। ঘটনার রেশ কাটার আগেই রাজধানীজুড়ে হোটেল রেস্তোরাঁগুলোয় সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও সিটি করপোরেশন। গ্রেপ্তার করা হয় আট শতাধিক মানুষকে। জনমনে প্রশ্ন ওঠে, গ্রিন কোজি কটেজে থাকা রেস্তোরাঁগুলোতে প্রতিদিন যেখানে অসংখ্য মানুষ ভিড় করত, সেই ভবনের নকশার এমন করুণ দশা কেন? ভবনটিতে কোনো জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা ছিল না কেন? ভবনে চলাচলের সিঁড়িটাই-বা এত সরু কেন? জরুরি নির্গমন পথ থাকলে বা সিঁড়িটা প্রশস্ত হলে তো এত প্রাণহানি হতো না। পত্রপত্রিকা মারফত খবর আসে, গ্রিন কোজি কটেজের নকশার অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন রাজউক অথোরাইজড অফিসার প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। ২০১১ সালে রাজউকের অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি ভবনটির অনুমোদন দেন। সে সময় খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে নিয়ে ব্যাপক শোরগোল চললেও গোপালগঞ্জ সিন্ডিকেটের ম্যাজিকে একপর্যায়ে তা থেমে যায়।<br />
রাজউক সূত্রে জানা যায়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে ২০১১ সালে খালেকুজ্জামান অথরাইজড অফিসার প্রেষণে রাজউকে আসেন। সে সময় বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের নকশার অনুমোদন দেন তিনি। জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা না থাকা, সরু একটিমাত্র সিঁড়িসহ নানা অনিয়মে পূর্ণ ছিল নকশাটি। গোপালগঞ্জপন্থী ও গণভবনের আশীর্বাদপুষ্ট এই কর্মকর্তা চাকুরি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিস্থিতি অনুমানে ঝোঁপ বুঝে কোপ মেরে বার বার শাস্তির বদলে পেয়েছেন পুরস্কার। অথচ এখন তিনি সবচেয়ে বড় ছাত্রদল (সাবেক) নেতা সেজেছেন। সুযোগ বুঝে ভোল পাল্টানো এই কর্মকর্তা ইতোমধ্যে ঠিকাদার অফিসারদের নিয়ে একটি লগ্নিকারী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেটটির সাথে তার গোপণ সমঝোতা হয়েছিলো প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পরে বদলী টেন্ডার বাণিজ্যের সিন্ডিকেট তাদের হাতেই থাকবে। গত নভেম্বর থেকে ওই সিন্ডিকেটই অধিদপ্তরের যাবতীয় পোষ্টিং পদোন্নতি টেন্ডারসহ গণপূর্তের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রধান প্রকৌশলীর পদে বসেই এক সপ্তাহে অর্ধশতাধিক বদলী অর্ডার করেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে। গোপণীয় ঘুষ বাণিজ্যের অংশ হিসাবে মার্চ মাসে একই দিনে ৫৭ প্রকৌশলীকে বদলী করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে গত ১০ মার্চ ভিন্ন ভিন্ন প্রজ্ঞাপনে তা বাতিল করতে বাধ্য হন প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান। এতো নাটকীয়তা সত্ত্বেও চিহ্নিত অভিযুক্ত মার্কামারা দুর্নীতিবাজ কয়েকজন নির্বাহী প্রকৌশলীকে ইতোপূর্বে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় পোষ্টিং দিয়ে ফ্যাসিবাদকে উসকে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন মহিলা প্রকৌশলীকে সাথে নিয়ে বিদেশ ট্যুরের নামে প্রমোদ ভ্রমন করে এসেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। এ নিয়ে রসালো গুঞ্জন রয়েছে গোটা গণপূর্ত অধিদপ্তর জুড়ে। এ বিষয়ে আমাদের তথ্যানুসন্ধান অব্যাহত আছে। </p>
<p><img decoding="async" src="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/fbi3-300x162.jpeg" alt="" width="300" height="162" class="alignnone size-medium wp-image-26639" srcset="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/fbi3-300x162.jpeg 300w, https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/fbi3.jpeg 680w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ও স্টাফ অফিসার ফারিবা হালিম অরিন</p>
<p>স্টাফ অফিসার কেলেঙ্কারী: গণপূর্ত’র ইতিহাসে অতীতে কোন প্রধান প্রকৌশলী নারী স্টাফ অফিসার রাখেননি। বর্তমানে চলতি দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী চেয়ারে বসার একদিন পরেই একজন মহিলা এসডিইকে (উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ফারিবা হালিম অরিণ) স্টাফ অফিসার হিসাবে নিয়ে আসেন। অথচ এই পদটি নির্বাহী প্রকৌশলী পদমর্যাদার। ওই নারী এসডিইকে দুই মাস পরে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। প্রধান প্রকৌশলী বেশীরভাগ দাপ্তরিক কাজ এই নারী স্টাফ অফিসারের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আলোচিত স্টাফ অফিসার ও বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী দু’জনেই লিয়েনে অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন। সেখানেই তাদের জানাশোনা। ভালো বোঝাপড়ার কারণে তাকেই স্টাফ অফিসার হিসাবে নিয়ে এসেছেন প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান। তবে বিষয়টি নিয়ে রসালো আলোচনা সমালোচনা চলছে গণপূর্ত প্রকৌশলীদের মধ্যে। </p>
<p>বদলী পদোন্নতি ও টেন্ডার নিয়ে ৫/৬ জনের সিন্ডিকেট: ডিপার্টমেন্টের বদলী পদোন্নতি টেন্ডারসহ সামগ্রীক বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে রয়েছে পাঁচজনের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ছাড়া অন্য চারজন হচ্ছেন-তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১) বদরুল আলম খান (তিনি বদকর্ম ও নারী কেলেংকারীতে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিত), সংস্থাপণ শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান, সার্কেল-২ এর স্মার্ট দুর্নীতিবাজ হিসেবে পরিচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু নাসের চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলীার ওই নারী স্টাফ অফিসার ও ই/এম এর একজন নির্বাহী প্রকৌশলী পদের নারী কর্মকর্তা। </p>
<p><img decoding="async" src="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/fbi3-300x162.jpeg" alt="" width="300" height="162" class="alignnone size-medium wp-image-26639" srcset="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/fbi3-300x162.jpeg 300w, https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/fbi3.jpeg 680w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/vgn3-300x170.jpeg" alt="" width="300" height="170" class="alignnone size-medium wp-image-26640" srcset="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/vgn3-300x170.jpeg 300w, https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/vgn3.jpeg 500w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />খালেকুজ্জামানের ভাই ও ভাগিনা<br />
প্রধান প্রকৌশলীর আত্মীয়-স্বজনদের দিয়ে ঠিকাদারী: খালেকুজ্জামান প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পরে গোটা গণপূর্ত দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ভাগিনা জগলু। সে এখন গণপূূর্ত প্রকৌশলীদের গণ ভাগ্নে। ভাই পরিচয়ে জনৈক ডলার কাজ নিয়েছেন এবং নিচ্ছেন গণপূর্ত’র প্রতিটি ডিভিশনের। প্রধান প্রকৌশলীর চাচাতো মামাতো ভাই ভাতিজাও আছেন এ্ই তালিকায়। সাথে আরো আছেন সদ্য সাবেক গৃহায়ন গণপূর্ত সচিব নজরুল ইসলামের আপন ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম। এই আমিনুল ইসলামই সচিবের সাথে যাবতীয় অনৈতিক লেনদেনের বাহক হিসাবে এতাদিন কাজ করেছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।<br />
ডেভেলপার ব্যবাসা: প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান আগে থেকেই নিজের ভাই ও ভাগিনা নিয়ে ডেভেলপার ব্যবসায় জড়িত। রাজধানীর ফার্মগেইট এলাকার রয়েছে ওই ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের অফিস। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অভিযাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে অসংখ্য ভবন বানিয়ে ফ্ল্যাট ব্্যবসা করছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। বিষয়টি আমাদের অনুসন্ধানী টিমের পর্যাবেক্ষণে রয়েছে।  </p>
<p>জালিয়াতিতে শস্তিপ্রাপ্ত খালেকুজ্জামান:<br />
ভুয়া পিএইচডি সনদ দেখিয়ে উচ্চতর শিক্ষা ছুটিতে প্রেষণ ভোগের ঘটনায় বিভাগীয় মামলা হয় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে। বিভাগীয় তদন্তে জালিয়াতি ও অসদাচরণের বিষয়টি প্রমাণিত হলে তিনি দোষ স্বীকার করেন। তবে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সঙ্গে ‘ফুপু-ভাতিজা’ সম্পর্কের সুবাদে তাকে দেওয়া হয় লঘুদন্ড। মাত্র এক বছরের জন্য বন্ধ রাখা হয় বেতন বৃদ্ধি।<br />
এই শাস্তির তিন বছরের মধ্যেই ফুপুর প্রভাবে তিনি হন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে পদোন্নতি পান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে। এরপর দায়িত্ব পালন করেন গোপালগঞ্জ গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে।<br />
জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি খোঁজেন নতুন রাজনৈতিক পরিচয়। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী ডা. হাবিবা আক্তার চৌধুরীকে (সুইটি) ‘ফুপু’ হিসেবে পরিচয় দেন। জামায়াতপন্থি তৎকালীন গণপূর্ত সচিব নজরুল ইসলামের তদবিরে তখন পাঁচজন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে ডিঙিয়ে বসেন প্রধান প্রকৌশলীর (রুটিন দায়িত্ব) চেয়ারে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে টেন্ডার ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।</p>
<p><img decoding="async" src="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/anl3-300x202.jpeg" alt="" width="300" height="202" class="alignnone size-medium wp-image-26641" srcset="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/anl3-300x202.jpeg 300w, https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/anl3.jpeg 503w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />খালেকুজ্জামানকে জালিয়াতির দায়ে দেওয়া শাস্তির অনুলিপি</p>
<p>বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্বে) হিসেবে আছেন মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। এই পদ স্থায়ী বা নিয়মিত করতে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যেই জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীদের ডিঙিয়ে পদোন্নতির সংক্ষিপ্ত তালিকার শীর্ষে নিজের নাম বসাতে সমর্থ হয়েছেন। বাকি জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীদের বাদ দিতে তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার সাজানো মামলার তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডে (এসএসবি)। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের দালিলিক নথিপত্র পর্যালোচনায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।<br />
রাজনৈতিক আত্মীয়তায় জ্যেষ্ঠতা ডিঙ্গিয়ে পদোন্নতি:  গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তালিকা ও পার্সোনাল ডাটা শিট (পিডিএস) পর্যালোচনায় দেখা যায়, খালেকুজ্জামান চৌধুরী ক্ষমতার পালাবদলের সুযোগ বারবার কাজে লাগিয়েছেন। ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চাকরিজীবনে সরকারি প্রেষণ ও ছুটির সুযোগে তিনি প্রায ১১ বছর অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন। পদোন্নতির সুযোগ তৈরি হলেই দেশে ফিরে এসেছেন।<br />
পোস্টের হাতে আসা নথি অনুযায়ী, প্রেষণে যেতে তিনি ভুয়া অফার লেটার ও জাল কাগজপত্র তৈরি করেছিলেন। এতে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট তৎকালীন গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার তার এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করেন। আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সুপারিশে গুরুদন্ড এড়িয়ে সে যাত্রায় এই লঘুদন্ড পান তিনি।<br />
বিভাগীয় মামলার তিন বছরের মধ্যেই এই আওয়ামী লীগ নেত্রীর লিখিত সুপারিশে খালেকুজ্জামান একই বছরে দুই দফা পদোন্নতি পান। তখন সাজেদা চৌধুরীকে ‘ফুপু’ ডাকতেন তিনি।<br />
সরকারি চাকরির সার্ভিস রেকর্ড বলছে, ২০১৯ সালের ২২ জুলাই খালেকুজ্জামান চৌধুরী নিয়মিত পদোন্নতি পান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে। এর কয়েক মাসের মাথায় ১৫ ডিসেম্বর পদোন্নতি পান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে। রীতি ভেঙে তখন এই পদোন্নতি দেওয়া হয় তাকে।<br />
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বদলে যায় খালেকুজ্জামান চৌধুরীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান। আওয়ামী লীগের বদলে এবার জামায়াত ঘনিষ্ঠ বনে যান তিনি।<br />
জামায়াতপন্থি সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম এবং জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের তদবিরে ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর পাঁচজন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে ডিঙিয়ে বসেন প্রধান প্রকৌশলীর (চলতি) চেয়ারে। এর আগে তাকে গোপালগঞ্জ থেকে দেওয়া হয়েছিল ঢাকা মেট্রো জোনের দায়িত্ব।<br />
খালেকুজ্জামানের বাড়ি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার তালমা গ্রামে। একই উপজেলার ফুলসুতি গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের শ্বশুরবাড়ি।<br />
ডা. তাহেরের শ্বশুর আহম্মদ উল্লাহ চৌধুরী এবং খালেকুজ্জামানের বাবা বদিউজ্জামান চৌধুরী সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। এই সূত্রে জামাযাত নেতার স্ত্রী ডা. হাবিবা আক্তার চৌধুরীকে (সুইটি) তিনি ডাকেন ‘ফুপু’। এই আত্মীয়তার সুবাদে গত অন্তর্র্বতী সরকারের সময় ডা. তাহেরের প্রভাবে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি পান তিনি।</p>
<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আবারও নিজের রাজনৈতিক রূপ বদলে ফেলেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নিজেকে পরিচয় দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের ঘনিষ্ঠ ও আত্মীয় হিসেবে।</p>
<p>জ্যেষ্ঠদের বাদ দিতে সাজানো মামলার তালিকা ঃ প্রধান প্রকৌশলী পদ স্থায়ী করতে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) বৈঠকের জন্য গত ৬ জুলাই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় পাঁচজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর তালিকা। এই তালিকায় প্রশাসনিক জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/a4l-300x216.jpeg" alt="" width="300" height="216" class="alignnone size-medium wp-image-26642" srcset="https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/a4l-300x216.jpeg 300w, https://skynews24.net/wp-content/uploads/2026/08/a4l.jpeg 502w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" />প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জানের বিরুদ্ধে দুদকে দেওয়া অভিযোগ ও থানায় দায়েরকৃত সাধারণ ডায়েরির অনুলিপি</p>
<p>বর্তমানে অধিদপ্তরের দাপ্তরিক জ্যেষ্ঠতার তালিকায় শীর্ষে আছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের (ঢাকা জোন) ও উৎফল কুমার দে (রিজার্ভ)। জ্যেষ্ঠতার হিসেবে তিন নম্বরে থাকা খালেকুজ্জামান চৌধুরী নিজেকে তালিকার এক নম্বরে বসাতে সমর্থ হয়েছেন।<br />
তালিকায় আরও আছেন মো. শহিদুল আলম (স্বাস্থ্য উইং) এবং ড. মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন হায়দার (প্রেষণে মহাপরিচালক, এইচবিআরআই)।<br />
নথিপত্র বলছে, তালিকা থেকে সিনিয়রদের স্থায়ীভাবে বাদ দিতে জুলাই অভ্যুত্থানের পর রামপুরা থানার একটি মামলার আসামির তালিকায় কৌশলে এসব জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ মোট ৪৭ জন প্রকৌশলীর নাম ঢোকানো হয়। এই মামলার নথি এসএসবি কমিটিতে জমা দিয়ে তাদের অবস্থান দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়, যাতে জ্যেষ্ঠতার তালিকায় তিন নম্বরে থাকা খালেকুজ্জামান চৌধুরীর শীর্ষ পদ পাওয়ার পথে কোনো বাধা না থাকে। </p>
<p>বদলি বাণিজ্য<br />
২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন পর্যায়ের ৬৫ জন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাকে পছন্দের কর্মস্থলে পদায়নের জন্য ১০ লাখ থেকে শুরু করে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এসব লেনদেনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে পরিচিত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনর্বাসনের অভিযোগ রয়েছে।<br />
চলতি বছরের ৩ মার্চ পৃথক প্রজ্ঞাপনে একদিনে অর্ধশতাধিক নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও উপসহকারী প্রকৌশলীকে গণবদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে এতো বড় রদবদল করায় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী প্রধান প্রকৌশলীকে তলব করে ব্যাখ্যা চান।<br />
সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় ৫ ও ৮ মার্চ পৃথক আদেশে বাতিল করা হয অধিকাংশ বদলি। এরপরও পর্দার আালে ছোট পরিসরে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চালুর খবর পাওয়া গেছে।<br />
এক ঘটনায় দেখা যায, দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত হওয়া প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামানকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে পুরোনো তারিখে জারি করা হয বদলির আদেশ। সাইফুজ্জামান ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের গণপূর্তমন্ত্রী শরিফ আহমেদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।<br />
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গত ৩ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে দুর্নীতির দায়ে সাইফুজ্জামানকে বরখাস্ত করে। ওই আদেশে তাকে উল্লেখ করা হয় লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে। কিন্তু গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত আরেক আদেশে দেখা যায়, বরখাস্তের এক দিন আগে অর্থ্যাৎ ২ ফেব্রুয়ারি তাকে ঢাকায় রিজার্ভে বদলি করা হয়েছে। ৩ তারিখে বরখাস্ত হওয়া একজন কর্মকর্তা কীভাবে ২ তারিখে ঢাকায় বদলি হন, আর তা প্রকাশিত হয় ১৫ তারিখে। এমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ নথিকে জালিয়াতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন দপ্তর সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>কমিশন না পাওয়ায় টেন্ডার বাতিল<br />
বদলি বাণিজ্যের পাশাপাশি বড় প্রকল্পের টেন্ডার পুনর্মূল্যায়নের নামে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-১, বিভাগ-৩ এবং শেরেবাংলা নগর গণপূর্ত বিভাগ-২-এর অধীনে বড় অঙ্কের পাঁচটি দরপত্র কমিশনসংক্রান্ত অসন্তোষের কারণে পুনর্মূল্যায়নের জন্য ফেরত পাঠানো হয়।<br />
পিপিআর ২০২৫ (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস)-এর ত্রুটির অজুহাত দেখানো হলেও সূত্র বলছে, নতুন পিপিআর চালুর পর সব প্রকৌশলীকে যথেষ্ট প্রশিক্ষণ দেওযা হয়। প্রকৃতপক্ষে নির্ধারিত কমিশন না পাওয়ায় পুনর্মূল্যায়নের অজুহাতে এসব টেন্ডার আটকে রাখা হয়েছিল।<br />
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিদপ্তরের একাধিক প্রকৌশলী ও ঠিকাদার জানান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারকে সরানোর পরও দুর্নীতি থামেনি। বরং খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে নতুন একটি সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটকে আর্থিক সুবিধা দিতে পারা কর্মকর্তারাই সুবিধাজনক পদে বহাল রয়েছেন।<br />
খালেকুজ্জামান চৌধুরীর দুর্নীতি, নথি জালিয়াতি, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন এবং দেশে-বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনসংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণসহ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে লিখিত অভিযোগ। একাধিক ভূক্তভোগী কর্মকর্তা ও ঠিকাদার দুদকে সরাসরি হাজির হয়ে জমা দিয়েছেন দালিলিক প্রমাণ।<br />
‘ক্ষমতা বদলালেই তৈরি হয় নতুন আত্মীয়তা’<br />
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে সাজেদ আকবর বলেন, ‘একই নির্বাচনি আসনে বাড়ি হওয়ায় তখন আম্মার কাছে অনেকে আসতেন। তারা নিজেকে ক্ষমতার কাছাকাছি রাখতে কোনো না কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি করতেন। ক্ষমতা চলে যাওয়ার পরে তাদের ফের নতুন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি হয়। তবে আমি তাকে (খালেকুজ্জামান চৌধুরী) চিনি না, আম্মার সঙ্গে পরিচয় ছিল না কি না জানা নেই।’ পরবর্তীতে সাবেক মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী ও আ’লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আবুর রহমানবে নিকটাত্মীয় পরিচয়ে ছড়ি ঘুরিয়েছেন গণপূর্ত কর্মকর্তাওে ওপরে।।<br />
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘জালিযাতি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত কোনো কর্মকর্তাকে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে বসানো দেশ ও সংস্থার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশে একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা প্রতিটি আমলে নতুন নতুন পরিচয় তৈরি করে সুবিধা বাগিয়ে নেয। এর ফলে প্রকৃত সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠবান কর্মকর্তারা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়ে উপেক্ষিত থেকে যান।’<br />
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও অনৈতিক উপায়ে পদপদবি বাগানোর এই সংস্কৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। দুর্নীতি দমনে সরকারের যে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তার প্রতিফলন ঘটাতে প্রতিটি পদায়নের আগে ব্যাকগ্রাউন্ড গভীরভাবে তদন্ত করা উচিত। পাশাপাশি, দুদকের মতো সংস্থাগুলোর মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগ আমলে নিয়ে যোগ্যদের মূল দায়িত্বে আনা জরুরি।’<br />
এসব বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তার দপ্তরে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফোনে কল করে ও খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি। এর পূর্বেও বিষয়টি নিয়ে মতামত জানার জন্য তাকে একাধিকবার ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে হোয়াটস্আ্যাপে। সে সময়ে অধিদপ্তরের এক কর্মচারীকে দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন এই প্রতিবেদককে। (ক্রমশঃ)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26637/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সব পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26613</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26613#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 12:36:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26613</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: বিচার ও সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বিমসটেক নিয়ে আয়োজিত সেমিনার শেষে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: বিচার ও সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।</p>
<p>সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বিমসটেক নিয়ে আয়োজিত সেমিনার শেষে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামিকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের দুই বছর পূর্তিতেও আমরা এখনও সেই শোক বয়ে বেড়াচ্ছি। এত মানুষের রক্ত ঝরেছে, এত প্রাণহানি ঘটেছে। আমাদের প্রত্যাশা, এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত হোক। এ সময় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা চিন্তা করে ভারত এবার ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ের আগে-পরে মিলিয়ে হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে তিন দফায় চিঠি পাঠায় ঢাকা। তবে এবার আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাঠানো হয়েছে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26613/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: পর্যটন মন্ত্রী</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26610</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26610#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 12:14:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26610</guid>

					<description><![CDATA[মানিকগঞ্জ: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছি। আজ যেসব চারা বিতরণ ও রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করার বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।’ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মানিকগঞ্জ: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।  </p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছি। আজ যেসব চারা বিতরণ ও রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করার বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।’</p>
<p>মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘একটি শিশু, একটি গাছ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি গতকাল এসব কথা বলেন। তিনি মানিকগঞ্জ সফরে গতকাল পরপর তিনটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। </p>
<p>মন্ত্রী বলেন, আমরা এখানে কেবল গাছের চারা রোপণ করতে নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমবেত হয়েছি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারওয়ার আলম এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মানিকগঞ্জ জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।</p>
<p>এছাড়াও,তিনি মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী-২০২৬’ অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26610/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিয়ম ভেঙে নিজ জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26607</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26607#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 09:13:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26607</guid>

					<description><![CDATA[টাঙ্গাইল: সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় নিজ জেলা টাঙ্গাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন জাহানারা পারভীন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সদ্য জারিকৃত নীতিমালায় নিজ বা জীবনসঙ্গীর জেলায় পদায়নে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রভাবশালীদের সুপারিশে এ বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ডাকঘরের লেটার রাইটার জানা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>টাঙ্গাইল: সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় নিজ জেলা টাঙ্গাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন জাহানারা পারভীন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সদ্য জারিকৃত নীতিমালায় নিজ বা জীবনসঙ্গীর জেলায় পদায়নে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রভাবশালীদের সুপারিশে এ বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p>গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ডাকঘরের লেটার রাইটার</p>
<p>জানা গেছে, এলজিইডির কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনাতে এবং স্থানীয় প্রভাব ও স্বার্থের সংঘাত এড়াতে চলতি বছরের ২ জুলাই একটি নীতিমালা জারি করে সরকার। তবে প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় সরকারি প্রজ্ঞাপন ভেঙে নিজ জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী পদে বদলি হন জাহানারা পারভীন। অথচ সরকারি নথি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় তার ও তার স্বামী শামছুল বারীর স্থায়ী বাসস্থান।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জাহানারা পারভীন গত বছরের ১৬ মে টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগদান করেন। তার স্বামী স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সে সময় টাঙ্গাইলে নামে-বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করেন এবং স্ত্রীর পদের প্রভাব খাটিয়ে নানা সুযোগ-সুবিধা নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৪ মে সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী থেকে পদোন্নতি পেয়ে জাহানারা পারভীন ঢাকা এলজিইডি সদর দপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু সেখানে দুই মাস পার না হতেই রহস্যজনকভাবে আবারও তাকে নিজের জেলায় ফিরিয়ে আনা হলো।</p>
<p>এর আগে লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কাওসার আলম এবং নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুজ্জামানকে তাদের নিজ জেলায় পদায়ন করা হয়েছিল। তবে নীতিমালার পরিপন্থী হওয়ায় সমালোচনার মুখে পরবর্তীতে সেই আদেশ বাতিল করে কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলজিইডির একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেন, এ বদলি ও পদায়নের পেছনে আর্থিক লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে। এছাড়া জাহানারা পারভীনের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে তদবিরের জন্য নিয়মিত ঢাকা যাতায়াত, টেন্ডারে অনিয়ম এবং স্বামীর মাধ্যমে বেনামে ঠিকাদারি করারও অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে টাঙ্গাইল এলজিইডির বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুলুজ্জামান বলেন, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে একটি চক্রের মাধ্যমে এ বদলি করা হয়েছে। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী নিজ জেলায় কাজ করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরকারি নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। এ পদে নিরপেক্ষ অন্য কাউকে দায়িত্ব দিলে সরকারি নীতিমালার মর্যাদা বজায় থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26607/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন কমেছে</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26604</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26604#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 09:06:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26604</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২০ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮২ শেয়ারের দর কমেছে। সেই সাথে গত কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২০ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮২ শেয়ারের দর কমেছে। সেই সাথে গত কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান।</p>
<p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে</p>
<p>সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ০১ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৫৭ পয়েন্টে।</p>
<p>এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ০ দশমিক ৬০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৯৭ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ০১ দশমিক ৯০ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।</p>
<p>আজ ডিএসইতে ৯৬৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ১ হাজার ৭০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।</p>
<p>এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৮ টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৮ টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৮২ টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৫৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26604/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুই বছর পর বাংলাদেশে ফের গুমের অভিযোগ, উদ্বেগ এইচআরডব্লিউর</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26598</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26598#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 08:44:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26598</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: ২০২৪ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায় এইচআরডব্লিউ। বিবৃতিতে গুম প্রতিরোধে নেওয়া সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১২ জুলাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: ২০২৪ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায় এইচআরডব্লিউ। বিবৃতিতে গুম প্রতিরোধে নেওয়া সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১২ জুলাই দেওয়া হাইকোর্টের নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করে ৩০ বছর বয়সি মিরাজ শেখের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ তদন্ত করা প্রয়োজন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সর্বশেষ তাকে কোস্ট গার্ডের হেফাজতে দেখা গিয়েছিল।</p>
<p>বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালে গণ-আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া শেখ হাসিনার সরকারের সময় জোরপূর্বক গুম ব্যাপক মানবাধিকার সংকটে পরিণত হয়েছিল।</p>
<p>এ প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকারী অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের নভেম্বরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ জারি করে।</p>
<p>ওই অধ্যাদেশে গুমের অভিযোগ স্বাধীনভাবে তদন্তের ক্ষমতা এবং আদালতের অনুমতি ছাড়াই যেকোনো আটককেন্দ্র পরিদর্শনের অধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছিল।</p>
<p>তবে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি নবায়ন বা স্থায়ী আইনে রূপ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে।</p>
<p>সরকার নতুন একটি আইন প্রস্তাব করেছে, যাতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা মানবাধিকার কমিশনের কাছ থেকে প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।</p>
<p>এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, ‘শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে হাজারো মানুষ জোরপূর্বক গুমের শিকার হয়েছেন। সাম্প্রতিক ঘটনাটি প্রমাণ করে, কার্যকর সংস্কার না হলে এ ধরনের ঘটনা আবারো ঘটতে পারে।</p>
<p>নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে এ ধরনের অপকর্ম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া নতুন সরকারের উচিত যথাযথ সুরক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা।’</p>
<p>আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় বাহিনী বা তাদের নির্দেশে পরিচালিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে কাউকে আটক বা অপহরণের পর তার আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা কিংবা তার অবস্থান গোপন রাখাকে জোরপূর্বক গুম হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার জোরপূর্বক গুম থেকে সব ব্যক্তির সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে যোগ দেয়। ওই কনভেনশন অনুযায়ী, গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা, তদন্ত করা এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।</p>
<p>এইচআরডব্লিউর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১০ এপ্রিল রাতে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী সুন্দরবনের কাছে মোংলার জয়মণির ঘোল এলাকায় জেলে মিরাজ শেখকে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা আটক করে একটি স্পিডবোটে তুলে নিয়ে যেতে দেখেছেন।</p>
<p>পরদিন মিরাজের পরিবারের সদস্যরা মোংলার দিগরাজে কোস্ট গার্ড কার্যালয়ে গেলে প্রথমে তাদের জানানো হয়, ‘মিরাজ একটি অভিযানে’ রয়েছেন এবং বিকেলে আসতে বলা হয়। পরে গেলে কর্তৃপক্ষ জানায়, মিরাজ কখনোই সেখানে ছিলেন না।</p>
<p>২১ এপ্রিল যে চায়ের দোকানের সামনে থেকে মিরাজকে আটক করা হয়েছিল বলে অভিযোগ, সেই দোকানের মালিক জানান, নিজেকে কোস্ট গার্ডের সদস্য পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি এসে মিরাজের রেখে যাওয়া মোটরসাইকেল নিয়ে যান। পরদিন কোস্ট গার্ড সদস্যরা সেটি আবার ফিরিয়ে দেন।</p>
<p>মিরাজের পরিবারের আইনজীবী মুজাহেদুল ইসলাম শাহীন এইচআরডব্লিউকে বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শীরা কীভাবে এবং কখন তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, কোস্ট গার্ডের সদস্যরাই তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন।’</p>
<p>মিরাজের পরিবার অভিযোগ দায়ের, সংবাদ সম্মেলন এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করলেও কোনো সুরাহা পায়নি। পরে তার বাবা হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস আবেদন করলে গত ১২ জুলাই আদালত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ১৫ দিনের মধ্যে মিরাজকে খুঁজে বের করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।</p>
<p>অন্যদিকে, কোস্ট গার্ডের পশ্চিম জোনের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহবুব হোসেন বারবার দাবি করেছেন, মিরাজকে কোস্ট গার্ড আটক করেনি এবং তার সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।</p>
<p>এইচআরডব্লিউ বলছে, ঘটনাটি অতীতের গুমের ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত তদন্ত কমিশনের হিসাবে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p>এর মধ্যে ১ হাজার ২৮২ জন কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত গোপন কোনও স্থানে আটকে থাকার পর ফিরে আসেন। কমপক্ষে ২৫১ জন আর কখনও ফিরে আসেননি এবং তাদের মৃত বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া আরও ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কমিশনের মতে, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে।</p>
<p>কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গোপন আটককেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক ও পরিকল্পিত নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।</p>
<p>সবচেয়ে আলোচিত গুমের ঘটনাগুলোর একটি হলো ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম (আরমান)-এর ঘটনা। ২০১৬ সালের আগস্টে র‍্যাব সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায় এবং টানা আট বছর বন্দি রাখা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর তিনি বলেন, ‘আট বছর সূর্যের আলো দেখিনি। মনে হতো, যেন আমাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছে।’</p>
<p>আরমানের গুমের ঘটনাটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলাগুলোর একটি। এ মামলায় র‍্যাবে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ১০ জন কর্মরত কর্মকর্তাও আসামি।</p>
<p>এইচআরডব্লিউ জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২৫ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ এবং জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এ দুটি অধ্যাদেশ কার্যকর থাকলে গুমের অভিযোগ স্বাধীনভাবে তদন্ত এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর সুযোগ থাকত।</p>
<p>কিন্তু নবনির্বাচিত সরকার এসব অধ্যাদেশের মেয়াদ শেষ হতে দেয়। নতুন প্রস্তাবিত আইনে গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের হাতেই রাখা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন কেবল সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রধান বা সরকারের কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে। পাশাপাশি কমিশনের সদস্য নিয়োগ ও বিধিমালা প্রণয়নে সরকারের প্রভাব বাড়ানোরও প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানায় এইচআরডব্লিউ ।</p>
<p>মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, ‘সরকারের উচিত প্রস্তাবিত আইন সংশোধন করে মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং জোরপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্তের ক্ষমতা পুনর্বহাল করা। পুলিশের ওপরই তদন্তের দায়িত্ব রেখে দিলে প্রকৃত জবাবদিহি নিশ্চিত হবে না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ বন্ধে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধও তৈরি হবে না।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26598/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26595</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26595#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 08:25:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26595</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী হলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। শনিবার (১৯ জুলাই) তাকে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রোববার (২০ জুলাই) তার নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান রাশেদ খাঁন নিজেই। পোস্টে তিনি প্রজ্ঞাপনের একটি ছবিও শেয়ার করেন। ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী হলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। শনিবার (১৯ জুলাই) তাকে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p>
<p>রোববার (২০ জুলাই) তার নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান রাশেদ খাঁন নিজেই। পোস্টে তিনি প্রজ্ঞাপনের একটি ছবিও শেয়ার করেন।</p>
<p>ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে তার সহকারী ( রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিমূর্তি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্যারকে।</p>
<p>তিনি ওই পোস্টে আরও লেখেন, আমি যেন আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি, এজন্য সবার দোয়া ও ভালবাসা চাই। নতুন জীবনের এই পথচলায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26595/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26592</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26592#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 08:22:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26592</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশে ইকোকার্ডিওগ্রাফির শিক্ষা, গবেষণা ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত দিনব্যাপী ‘ইকোকার্ডিওগ্রাফি ও কার্ডিওমায়োপ্যাথি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সাফিউদ্দিন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকোকার্ডিওগ্রাফির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশে ইকোকার্ডিওগ্রাফির শিক্ষা, গবেষণা ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়।</p>
<p>শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত দিনব্যাপী ‘ইকোকার্ডিওগ্রাফি ও কার্ডিওমায়োপ্যাথি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সাফিউদ্দিন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।</p>
<p>আহ্বায়ক কমিটিতে অধ্যাপক আহসান হাবিবকে আহ্বায়ক, ডা. কামরুল হুদা মো. সোহেলকে প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, ডা. লোহানী মো. তাজুল ইসলামকে সদস্যসচিব, ডা. হারুনুর রশিদ খান রাকিবকে কোষাধ্যক্ষ, ডা. জাফর ইকবাল জামালিকে প্রথম যুগ্ম সদস্যসচিব এবং ডা. আবু ফয়েজ মো. মতিউর রহমান আজাদকে দ্বিতীয় যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে।</p>
<p>কর্মশালায় বক্তারা বলেন, নবগঠিত এ সংগঠন দেশে ইকোকার্ডিওগ্রাফির শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ক্লিনিক্যাল চর্চা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি হৃদরোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার গুণগত মান উন্নয়নে সোসাইটিটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষায়িত হাসপাতালের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও চিকিৎসকেরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26592/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি দুবাই পুলিশের, ৪ বিষয়ে ব্যাখ্যা দাবি</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26584</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26584#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 04:05:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26584</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: দুর্নীতির একাধিক মামলার আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আইনি ও কারিগরি বিষয়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের ব্যাখ্যা চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র জানিয়েছে, প্রায় পাঁচ দিন আগে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: দুর্নীতির একাধিক মামলার আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আইনি ও কারিগরি বিষয়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের ব্যাখ্যা চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।</p>
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র জানিয়েছে, প্রায় পাঁচ দিন আগে দুবাই পুলিশের পাঠানো চিঠিটি বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বর্তমানে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখার সহায়তায় চিঠির জবাব প্রস্তুত করছে দুদক।</p>
<p>বেনজীর আহমেদের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত নথিপত্র সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বলেন, “চিঠি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত জবাব পাঠানো গেলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।</p>
<p>এর আগে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি ই-মেইলে বাংলাদেশ সরকারকে জানায়, দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটক করা হয়েছে।</p>
<p>পরে বাংলাদেশ সরকার ইন্টারপোলের মাধ্যমে তার প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক আবেদন করে। দুদকের প্রস্তুত করা প্রায় ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি আরবি ভাষায় অনুবাদ করে কূটনৈতিক চ্যানেলে দুবাইয়ে পাঠানো হয়। ওই নথিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার বিবরণ এবং প্রত্যর্পণের প্রয়োজনীয় আইনি কাগজপত্র সংযুক্ত ছিল। প্রায় এক মাস পর সেই আবেদনের জবাব দিয়েছে দুবাই পুলিশ। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের একটি কারাগারে রয়েছেন।</p>
<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুবাই পুলিশ বাংলাদেশ সরকারের কাছে চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—বাংলাদেশ কোন আইনের ভিত্তিতে এবং কী পদ্ধতিতে বেনজীর আহমেদকে ফেরত নিতে চায়। কারণ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ বিষয়ে কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নেই।</p>
<p>এ ছাড়া আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি, পরোয়ানার কার্যকারিতা এবং পুরো প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে কেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বয় করছে—এসব বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে দুবাই কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বেনজীর আহমেদ ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, র‌্যাবের মহাপরিচালক এবং পরে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।</p>
<p>পরে ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে দুদক। আদালতের নির্দেশে তার এবং পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ করা হয়। তদন্ত চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ মে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন।</p>
<p>এরপর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে।</p>
<p>দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার ও জালিয়াতিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান।</p>
<p>দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে তার কয়েকজন সাবেক সহযোগীর দেওয়া তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ব্যবসায়িক ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তারা দুবাই পুলিশকে তথ্য দেন। পরে একটি শপিং মল থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ক্ষেত্রে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও দুবাই পুলিশের বিবেচনায় ছিল বলে জানা গেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26584/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
