<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>2ndlead &#8211; skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/archives/category/2ndlead/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Tue, 20 Jan 2026 04:11:57 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>
	<item>
		<title>গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ ভাইরাস, নজিরবিহীন স্বাস্থ্য বিপর্যয়</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26372</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26372#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 04:11:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ ভাইরাস]]></category>
		<category><![CDATA[নজিরবিহীন স্বাস্থ্য বিপর্যয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26372</guid>

					<description><![CDATA[ইসরায়েলের অবরোধে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ঢুকতে না পারায় ফিলিস্তিনের গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ এক শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস। এতে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা মানুষদের মধ্যে প্রাণহানি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন গাজার শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের আঘাতে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধসে পড়ার মুখে। টিকাদানের অভাব, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরায়েলের অবরোধে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ঢুকতে না পারায় ফিলিস্তিনের গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ এক শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস। এতে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা মানুষদের মধ্যে প্রাণহানি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন গাজার শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের আঘাতে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধসে পড়ার মুখে। টিকাদানের অভাব, তীব্র অপুষ্টি ও যুদ্ধজনিত মানসিক আঘাত পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে চিকিৎসা সহায়তা আটকে দেয়ার গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন তিনি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড</p>
<p>গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের চিকিৎসা পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া সোমবার আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে, বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা রোগীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এক নজিরবিহীন স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মুখোমুখি। পরিস্থিতি এমন গতিতে খারাপের দিকে যাচ্ছে, যা আমরা আগে কখনও দেখিনি।’</p>
<p>আবু সালমিয়া জানান, এই ভাইরাসটি সম্ভবত ফ্লু বা করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। সব বয়সী মানুষের মধ্যেই এটি ছড়িয়ে পড়ছে। তীব্র অপুষ্টি, দীর্ঘদিনের মানসিক আঘাত এবং টিকাদানের প্রায় অভাবে এই সংক্রমণ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। তার মতে, আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গ অনেক সময় টানা দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার জ্বর, গিঁট ও হাড়ে তীব্র ব্যথা, লাগাতার মাথাব্যথা ও বমি। অনেক ক্ষেত্রে এই অসুস্থতা পরে তীব্র নিউমোনিয়ায় রূপ নিচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘এই জটিলতাগুলো প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে, বিশেষ করে যেসব বাস্তুচ্যুত পরিবার ঠান্ডা, আর্দ্রতা বা গাদাগাদি থেকে সুরক্ষা না পাওয়া তাঁবুতে বাস করছে তাদের জন্য।’</p>
<p>আবু সালমিয়া জানান, ইসরায়েলের গণহত্যা শুরুর পর থেকে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। যুদ্ধবিরতির চুক্তির ১০০ দিনের বেশি সময় পার হলেও এই ধস আরও দ্রুত ঘটছে বলে তিনি সতর্ক করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোতে ন্যূনতম চিকিৎসা সরঞ্জামেরও মারাত্মকভাবে ঘাটতি রয়েছে। আর এখন এভাবেই চলছে হাসপাতালগুলো।</p>
<p>তার ভাষায়, ‘আমাদের কাছে জীবাণুমুক্ত গজ বা অস্ত্রোপচারের গাউন পর্যন্ত নেই। অ্যান্টিবায়োটিকের ভয়াবহ সংকট রয়েছে। ক্যানসারের ওষুধ পুরোপুরি নেই। কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগী ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষের চিকিৎসার ওষুধও নেই’। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানসিক রোগীদের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রায় নেই বললেই চলে। এতে শুধু রোগীরাই নয়, পুরো সমাজই ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।</p>
<p>আবু সালমিয়া আরও জানান, গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ চিকিৎসা পরীক্ষাগার এখন আর কাজ করছে না। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণের অভাবে চিকিৎসকেরা এমনকি সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করতে পারছেন না।</p>
<p>আল-শিফার এই পরিচালক অভিযোগ করেন, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সুপারিশ করা সরঞ্জামও ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ ও যন্ত্রপাতি আটকে দেয়া হচ্ছে, অথচ কোমল পানীয়, স্ন্যাকস ও মোবাইল ফোনের মতো অপ্রয়োজনীয় জিনিস ঢুকতে দেয়া হচ্ছে’। তিনি একে পরিকল্পিতভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেন।</p>
<p>এমন অবস্থায় অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরীক্ষাগারের উপকরণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি অবাধে গাজায় ঢোকার ব্যবস্থা করতে আবু সালমিয়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p>ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েল বারবার হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র, ওষুধের গুদাম ও স্বাস্থ্যকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। পাশাপাশি চিকিৎসা সহায়তার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে কার্যত পঙ্গু করে দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া গণহত্যামূলক যুদ্ধে ৭১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হন আরও ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ।</p>
<p>অবশ্য গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলেও তা বারবার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪৬৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ১২৮৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26372/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ আফ্রিকায় স্কুলবাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ১৩ শিশু নিহত</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26369</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26369#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 04:06:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26369</guid>

					<description><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকার গাউতেং প্রদেশে ট্রাকের সঙ্গে স্কুলগামী মিনিবাসের সংঘর্ষে ১৩ জন শিশু নিহত হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলেই ১১ স্কুলশিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশু মারা যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল প্রায় ৭টার দিকে জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ আফ্রিকার গাউতেং প্রদেশে ট্রাকের সঙ্গে স্কুলগামী মিনিবাসের সংঘর্ষে ১৩ জন শিশু নিহত হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।</p>
<p>প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলেই ১১ স্কুলশিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশু মারা যায়।</p>
<p>কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল প্রায় ৭টার দিকে জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়ার সময় ওই বেসরকারি মিনিবাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।</p>
<p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুদের বহনকারী মিনিবাসটি ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে।</p>
<p>ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং ট্রাকচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p>
<p>গাউতেং জরুরি সেবা বিভাগ পাঁচজন আহতকে সেবোকেং হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়াও আরও দু’জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কোপানং হাসপাতালে পাঠানো হয়। মিনিবাসটির চালকও আহত হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জাতীয় ও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলোকে প্রয়োজনীয় মানসিক ও সামাজিক সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26369/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26363</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26363#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 15:09:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26363</guid>

					<description><![CDATA[সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিনগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে।</p>
<p>আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিনগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে।</p>
<p>সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন।</p>
<p>সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর আনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ১৪৪৭ হিজরির শাবান মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি।</p>
<p>শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) লাইলাতুল বরাত বা শবেবরাত পালিত হয়। সেই হিসাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিনগত রাতই শবেবরাতের রাত। শবেবরাতের পর দিন দেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি। এবার এ ছুটি পড়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার)।</p>
<p>শবেবরাতের পুণ্যময় রাতটি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াতসহ ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে কাটিয়ে থাকেন। শাবান মাস শেষেই মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের আনন্দ বারতা নিয়ে শুরু হয় সিয়াম সাধনার মাস রমজান।</p>
<p>সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামুল কবীর, ঢাকা আলিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল অধ্যাপক মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস এর গভর্নর মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম মিয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও ইসলামিক শিক্ষা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবদুল্লাহ ফারুক ও জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার উপাধ্যক্ষ আবদুল গাফফার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26363/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26348</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26348#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 10:37:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26348</guid>

					<description><![CDATA[আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (বি১/বি২) প্রক্রিয়ায় নতুন শর্ত যুক্ত হচ্ছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ইউএস অ্যাম্বেসি ঢাকা জানিয়েছে, ২১ জানুয়ারির পর যারা বি১/বি২ ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। দূতাবাস জানিয়েছে, ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (বি১/বি২) প্রক্রিয়ায় নতুন শর্ত যুক্ত হচ্ছে।</p>
<p>সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ইউএস অ্যাম্বেসি ঢাকা জানিয়েছে, ২১ জানুয়ারির পর যারা বি১/বি২ ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।</p>
<p>দূতাবাস জানিয়েছে, ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।</p>
<p>দূতাবাস আরও জানায়, ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনোভাবেই বন্ড পরিশোধ করা যাবে না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। একই সঙ্গে তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট বা মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধকে প্রতারণামূলক হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে দূতাবাস।</p>
<p>দূতাবাস জানায়, সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। তবে ভিসার সব শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরবর্তীতে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26348/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কম্বল দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে বিধবাকে ধর্ষণ জামায়াত কর্মীর</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26342</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26342#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 07:29:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[কম্বল দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে বিধবাকে ধর্ষণ জামায়াত কর্মীর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26342</guid>

					<description><![CDATA[নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কম্বল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে এক বিধবা নারীকে (৪৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কাউছার (৪০) নামে এক জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্ত কাউছারের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত কাউছার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোশারফ হোসেন ওরফে আবুল হাশেমের ছেলে। ভুক্তভোগী নারীও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কম্বল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে এক বিধবা নারীকে (৪৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কাউছার (৪০) নামে এক জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে।</p>
<p>রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্ত কাউছারের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।</p>
<p>অভিযুক্ত কাউছার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোশারফ হোসেন ওরফে আবুল হাশেমের ছেলে। ভুক্তভোগী নারীও একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।</p>
<p>অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে অভিযুক্ত কাউছার একটি সংস্থার মাধ্যমে ওই নারীকে টয়লেট স্থাপনের জন্য ১০টি রিংয়ের ব্যবস্থা করে দেন। পরবর্তীতে গত ২৭ ডিসেম্বর শীতের কম্বল দেওয়ার কথা বলে তাকে ফোন করে নিজের বাড়িতে আসতে বলেন। পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) সকালে কম্বল নিতে গেলে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>ভুক্তভোগী নারী জানান, ঘটনার পর কাউছার বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে এবং তার ২০ বছর বয়সী মেয়েকে হত্যার হুমকি দেন। প্রাণভয়ে তিনি দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখেন। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।</p>
<p>অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মো. কাউছার বলেন, আমি জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী এবং আসন্ন নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বেলায়েত হোসেনের পক্ষে কাজ করছি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই একটি কুচক্রী মহল ওই নারীকে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. শরফুদ্দিন সৌরভ বলেন, দলীয়ভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযুক্ত দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধেও আমরা কঠোর অবস্থান নেবো।</p>
<p>নোয়াখালী-৫ আসনের জামায়াতের প্রার্থী বেলায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, যারা পাথর নিক্ষেপ করে মানুষ মারে, যারা তেলের দাম না দিয়ে শ্রমিককে চাপা দিয়ে হত্যা করে এসব তাদের ষড়যন্ত্র। আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।</p>
<p>কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম এজাহার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26342/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পোস্টাল ব্যালটে কারচুপির সুযোগ নেই : ইসি সানাউল্লাহ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26339</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26339#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 07:27:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26339</guid>

					<description><![CDATA[পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি বা একজনের ভোট আরেকজন দেয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘ফেইস ডিটেকশন প্রযুক্তির কারণে পোস্টাল ব্যালটে একজনের ভোট অন্য কেউ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’ সোমবার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি বা একজনের ভোট আরেকজন দেয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘ফেইস ডিটেকশন প্রযুক্তির কারণে পোস্টাল ব্যালটে একজনের ভোট অন্য কেউ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’</p>
<p>সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।</p>
<p>তিনি জানিয়েছেন, ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় মালয়েশিয়া থেকে ৪ হাজার পোস্টাল ব্যালট ফেরত এসেছে। একই কারণে ইতালি থেকে ফেরত এসেছে ১৬০০ পোস্টাল ব্যালট।</p>
<p>সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় এসব ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।’</p>
<p>এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালটে ৩৯টি মার্কা যা ভাঁজের মধ্যে পড়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26339/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বৈধ অস্ত্র ৩১ জানুয়ারির মধ্যে থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26335</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26335#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 06:19:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26335</guid>

					<description><![CDATA[আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর অংশ হিসেবে বৈধ অস্ত্র ৩১ জানুয়ারির মধ্যে কাছের থানায় জমা দিতে হবে। গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর অংশ হিসেবে বৈধ অস্ত্র ৩১ জানুয়ারির মধ্যে কাছের থানায় জমা দিতে হবে।</p>
<p>গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঘোষিত তফসিল অনুসরণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র বহন-প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।</p>
<p>তবে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দ বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাঁর জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।</p>
<p>এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই আদেশ লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।</p>
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগ্নেয়াস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সহিংসতা ও ভয়ভীতির আশঙ্কা কমবে।</p>
<p>নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটের পরিবেশ আরও শান্তিপূর্ণ রাখা সম্ভব হবে। তবে মাঠপর্যায়ে তদারকি ও নজরদারি জোরদার করার ওপরও তাঁরা গুরুত্ব দেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26335/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26332</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26332#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 05:18:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ]]></category>
		<category><![CDATA[ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26332</guid>

					<description><![CDATA[চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তীব্র গরম ও প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিক নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ক্যাটাস্ট্রোফি) ঘোষণা করেন। এ দুটি অঞ্চল রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে। দেশটির বন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তীব্র গরম ও প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।</p>
<p>রোববার (১৮ জানুয়ারি) চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিক নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ক্যাটাস্ট্রোফি) ঘোষণা করেন। এ দুটি অঞ্চল রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে।</p>
<p>দেশটির বন বিভাগ কনাফ জানায়, সারা দেশে অন্তত ২৪টি সক্রিয় দাবানল জ্বলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আগুন লাগে নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে।</p>
<p>দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে। নিরাপত্তার জন্য প্রায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ২৫০টির বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।</p>
<p>কর্তৃপক্ষ জানায়, তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠায় এবং প্রবল বাতাস বইতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। একই ধরনের তাপপ্রবাহ ও দাবানলে চলতি মাসে প্রতিবেশী আর্জেন্টিনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26332/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না: ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26322</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26322#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 03:39:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না: ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26322</guid>

					<description><![CDATA[গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া অবস্থানে রয়েছে। এর বিরোধীতাকারীদের শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে নতুন করে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না—এমন বার্তা দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। ইউরোপীয় ঐক্য জোরালো হয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিরোধিতা চললে আগামী ফেব্রুয়ারি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া অবস্থানে রয়েছে। এর বিরোধীতাকারীদের শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে নতুন করে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না—এমন বার্তা দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। ইউরোপীয় ঐক্য জোরালো হয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।</p>
<p>গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিরোধিতা চললে আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্কসহ ইউরোপের আটটি মিত্র দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তালিকায় রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন ও যুক্তরাজ্য। এই হুমকির পরই ইউরোপজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ে এবং দেশগুলোর অবস্থান নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়।</p>
<p>ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করে ট্রাম্প প্রয়োজনে কঠোর পথ নেয়ার কথাও উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক মহলে তার এ বক্তব্য সমালোচনার জন্ম দেয়। শুল্ক-হুমকির আওতায় থাকা ইউরোপীয় দেশগুলো এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় সতর্ক করে জানায়, এ ধরনের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। একই সঙ্গে তারা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং ন্যাটোর সদস্য হিসেবে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। সংলাপের ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার নীতিকে অটল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।</p>
<p>ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং সংঘাত এড়ানোর আহ্বান জানান। ইউরোপজুড়ে যে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তার মতে, ইউরোপীয় কমিউনিটির মৌলিক মূল্যবোধের প্রশ্নে এখন আরও দৃঢ় থাকা জরুরি।</p>
<p>এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন। পরে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গেও কথা বলেন। স্টারমারের কার্যালয় জানায়, গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ন্যাটোর সব সদস্যের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মিলিত নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ সঠিক বার্তা দেয় না।</p>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আটটি দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যে প্রাথমিকভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে, যা ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই হার ২৫ শতাংশে উন্নীত হতে পারে এবং সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আরেক পোস্টে ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও উল্লেখ করেন।</p>
<p>গ্রিনল্যান্ড জনসংখ্যায় ছোট হলেও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক তৎপরতা নজরদারিতে এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও মন্তব্য করেছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে—এমন ধারণাই ওয়াশিংটনের অবস্থানের কেন্দ্রে রয়েছে।</p>
<p>সব মিলিয়ে গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও ইউরোপের দৃঢ় প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন এক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে শুল্ক, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব—তিনটি বিষয়ই সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26322/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26313</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26313#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 02:36:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26313</guid>

					<description><![CDATA[মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর-উত্তম) আজ ৯০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় নিভৃত পল্লি বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচি সামনে রেখে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর-উত্তম) আজ ৯০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় নিভৃত পল্লি বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচি সামনে রেখে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।</p>
<p>জিয়াউর রহমানের ডাকনাম কমল। তার বাবা মনসুর রহমান পেশায় ছিলেন রসায়নবিদ। বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব-কৈশোর অতিবাহিত করার পর জিয়াউর রহমান বাবার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসাবে কমিশন লাভ করেন।</p>
<p>একজন সৈনিক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও জিয়াউর রহমানের জীবনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দেশের সংকটে তিনি বারবার ত্রাণকর্তা হিসাবে অবতীর্ণ হয়েছেন এবং দেশকে সংকট থেকে মুক্ত করেছেন। তিনি শুধু বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষণাই দেননি, স্বয়ং অস্ত্র হাতে যুদ্ধও করেছেন। যুদ্ধ শেষে তিনি আবার সৈনিক জীবনে ফিরে গেছেন। জিয়াউর রহমান সময়ের প্রয়োজনেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিএনপি। তার গড়া সেই রাজনৈতিক দল তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। বর্তমানে তার ছেলে তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসাবে স্বীকৃত।</p>
<p>অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসিকতা, সততা-নিষ্ঠা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক জিয়াউর রহমানের অবদান অসামান্য। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করেছেন। আবার বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের একটি সেক্টরের কমান্ডার হিসাবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। বিশ্ব-মানচিত্রে তিনি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে ব্যাপকভাবে পরিচিত করেছেন। জাতির মর্যাদাকেও তিনি বিশ্বব্যাপী সমুন্নত করেছেন। জিয়াউর রহমানের সৈনিক ও রাজনৈতিক জীবনের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম প্রতিটি মানুষ শ্রদ্ধাভরে এখনো স্মরণ করেন।</p>
<p>১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর তারই সহকর্মী খন্দকার মোশতাক আহমেদ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। পরবর্তী সময়ে নানা রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ অভ্যুত্থান ঘটে। দেশের সেই চরম ক্রান্তিকালে সিপাহি-জনতার মিলিত প্রয়াসে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বের হাল ধরেন। রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাক-ব্যক্তিস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে তিনি আমৃত্যু চেষ্টা চালিয়েছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শাহাদতবরণ করেন দেশপ্রেমিক এ রাষ্ট্রনায়ক।</p>
<p>মির্জা ফখরুলের বাণী : জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, তিনি ছিলেন তার জীবদ্দশায় সব ক্রান্তিকাল উত্তরণে অন্যতম দিশারী। রণনায়ক হিসাবে ছিলেন দেশাবাসীর কাছে সমাদৃত ও সম্মানিত। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার বিরুদ্ধে জিয়াউর রহমান সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। স্বাধীনতাত্তোর ক্ষমতাসীন মহল যখন মানুষের বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করে গণতন্ত্রকে মাটিচাপা দিয়েছিল, দেশকে ঠেলে দিয়েছিল দুর্ভিক্ষের করালগ্রাসে, বাংলাদেশ পরিচিতি লাভ করে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসাবে, জাতির এরকম এক মহাসংকটকালে ৭ নভেম্বর সৈনিক-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবে শহীদ জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে চলে আসেন। একজন সৈনিক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও তার জীবনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দেশের সব সংকটে তিনি ত্রাণকর্তা হিসাবে বারবার অবতীর্ণ হয়েছেন। ক্ষমতায় এসেই তিনি অর্থনৈতিক, সামাজিক ন্যায়বিচার, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন।</p>
<p>কর্মসূচি : জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পুস্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন। কাল বেলা ১১টায় কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর উদ্যোগে দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও বিভিন্ন ইউনিটে স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26313/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
