<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা &#8211; skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/archives/category/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%93-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%BE/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Sun, 18 Jan 2026 05:35:50 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>
	<item>
		<title>লিভার সুস্থ রাখতে যে ৩টি খাবার এড়িয়ে চলবেন</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26266</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26266#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 05:35:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26266</guid>

					<description><![CDATA[আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার, যা হজম থেকে শুরু করে শরীরকে বিষমুক্ত রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করে। তবে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে ‘ফ্যাটি লিভার’ বা সিরোসিসের মতো জটিলতা ভয়াবহভাবে বাড়ছে। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, লিভারের ক্ষতি মারাত্মক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত এর লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তাই অকাল ঝুঁকি এড়াতে এবং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার, যা হজম থেকে শুরু করে শরীরকে বিষমুক্ত রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করে। তবে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে ‘ফ্যাটি লিভার’ বা সিরোসিসের মতো জটিলতা ভয়াবহভাবে বাড়ছে। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, লিভারের ক্ষতি মারাত্মক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত এর লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তাই অকাল ঝুঁকি এড়াতে এবং লিভারকে সুরক্ষিত রাখতে এখনই খাদ্যাভ্যাস থেকে ৩টি ক্ষতিকর খাবার বাদ দেওয়া জরুরি।</p>
<p>লিভার ভালো রাখতে কোন ৩টি খাবার এড়িয়ে চলবেন, তা নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো—</p>
<p>১. অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার</p>
<p>চিনি কেবল দাঁত বা ওজনের জন্য ক্ষতিকর নয়, এটি লিভারের অন্যতম প্রধান শত্রু। চিনিতে থাকা ‘ফ্রুক্টোজ’ ভেঙে লিভার শক্তিতে রূপান্তরিত করে। কিন্তু যখন আমরা অতিরিক্ত মিষ্টি, কোল্ড ড্রিঙ্কস, ক্যান্ডি বা সোডা জাতীয় পানীয় খাই, তখন লিভার সেই অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজকে চর্বিতে পরিণত করতে বাধ্য হয়। এর ফলে লিভারে মেদ জমে যা ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার’ রোগের জন্ম দেয়।</p>
<p>২. ভাজাপোড়া এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার</p>
<p>ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার বা দোকানের অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ট্রান্স ফ্যাট থাকে। এই চর্বি হজম করা লিভারের জন্য অত্যন্ত কঠিন। নিয়মিত এই ধরনের খাবার খেলে লিভারে প্রদাহ শুরু হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে লিভারের কোষগুলোকে স্থায়ীভাবে নষ্ট করে দিতে পারে।</p>
<p>৩. প্যাকেটজাত বা আল্ট্রা-প্রসেসড ফুড</p>
<p>প্যাকেটজাত খাবার যেমন চিপস, ইন্সট্যান্ট নুডলস বা ফ্রোজেন খাবারে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম বা লবণ এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। অতিরিক্ত লবণ শরীরে জলের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং লিভারে স্কারিং বা ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া এই খাবারগুলোতে থাকা কৃত্রিম রঙ ও রাসায়নিক লিভারের ডিটক্স করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।</p>
<p>লিভার সুস্থ রাখার সহজ উপায়</p>
<p>পর্যাপ্ত পানি : শরীর থেকে টক্সিন বের করতে প্রচুর পানি পান করুন।<br />
সবুজ সবজি : পালং শাক, ব্রকলি ও তেতো জাতীয় খাবার লিভারের জন্য খুব উপকারী।<br />
রসুন ও হলুদ : রসুনের সালফার ও হলুদের কারকিউমিন লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।</p>
<p>লিভার নিজেকে নিজে সারিয়ে তোলার ক্ষমতা রাখে। তাই আজ থেকেই ক্ষতিকর খাবার বাদ দিলে আপনার লিভার দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26266/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৯৯ শতাংশ হার্ট অ্যাটাক হয় যে চার কারণে</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25899</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25899#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 06:46:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25899</guid>

					<description><![CDATA[একেবারে সুস্থ-সবল মানুষ, কোনো রোগ-অসুখ নেই—হঠাৎ একদিন বুকে ব্যথা, তারপর ধরা পড়ল হার্ট অ্যাটাক! এমন ঘটনা এখন অস্বাভাবিক নয়। নিঃশব্দেই অনেক সময় হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত জমাট বাঁধে, অথচ কোনো সতর্ক সংকেতও মেলে না—না বুকে ব্যথা, না রাতে ঘাম, না অন্য কোনো লক্ষণ। অথচ এর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভয়াবহ বিপদ। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদ্‌রোগের পেছনে চারটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>একেবারে সুস্থ-সবল মানুষ, কোনো রোগ-অসুখ নেই—হঠাৎ একদিন বুকে ব্যথা, তারপর ধরা পড়ল হার্ট অ্যাটাক! এমন ঘটনা এখন অস্বাভাবিক নয়। নিঃশব্দেই অনেক সময় হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত জমাট বাঁধে, অথচ কোনো সতর্ক সংকেতও মেলে না—না বুকে ব্যথা, না রাতে ঘাম, না অন্য কোনো লক্ষণ। অথচ এর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভয়াবহ বিপদ। </p>
<p>সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদ্‌রোগের পেছনে চারটি প্রধান কারণই দায়ী প্রায় ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে—যেগুলো চিহ্নিত করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেল্‌থ এবং আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন।</p>
<p>হার্ট অ্যাটাকের মূল চার কারণ</p>
<p>উচ্চ রক্তচাপ</p>
<p>উচ্চ রক্তচাপের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ভারতে প্রতি বছর ১০ লাখেরও মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত হন। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে স্ট্রোক বা হৃদ্‌যন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। একটা সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একজন সুস্থ ব্যক্তির রক্তচাপের স্বাভাবিক মাপ হিসেবে ১২০/৮০-কে নির্দিষ্ট করে। পরে জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই অঙ্কই তারা বাড়িয়ে করে ১৩০। সম্প্রতি প্রকাশিত আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশিকা অনুযায়ীও এই মাপকে ১৩০ ধরা হয়েছে। তবে এর বেশি হওয়া মানেই বিপদ। তখন রক্তবাহী ধমনীর উপর চাপ বাড়ে। ফলে হার্টের স্পন্দন অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>উচ্চ কোলেস্টেরল</p>
<p>কোলেস্টেরলের ভালো ও মন্দ দুই-ই আছে। মন্দ কোলেস্টেরলের ফাঁদে পড়লেই হার্টের মতিগতি বদলে যায়। বিগড়ে যায় তার ছন্দ। খারাপ কোলেস্টেরল বাড়লে রক্তনালির মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়ে। আর রক্ত জমাট বাঁধলে হৎস্পন্দন অনিয়মিত হবেই। তখন হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে।</p>
<p>রক্তে অধিক শর্করা</p>
<p>রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে থেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে। এ ক্ষেত্রে ধমনীর দেওয়ালের মধ্যে চর্বি, কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য পদার্থ জমতে থাকে, যাকে বলে ‘প্লাক’। এর ফলে ধমনী সঙ্কীর্ণ হয়ে রক্তপ্রবাহকে বাধা দিতে পারে। এই ব্লকেজ থেকেই স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা থাকে।</p>
<p>অতিরিক্ত ধূমপান</p>
<p>অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে শরীরের নানাভাবে ক্ষতি হয়। ধূমপানের কারণে রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। যে কারণে ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এর ফলে হৃৎপিণ্ড আর মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাধাপ্রাপ্ত হয়। সঙ্গে রক্তনালিতে চর্বি, খারাপ কোলেস্টেরল এবং ক্যালশিয়াম জমতে থাকে। যে কারণে রক্তনালির দেওয়াল পুরু হতে থাকে যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।</p>
<p>হার্ট ভালো রাখতে তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ধূমপান যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। রক্তে শর্করা যাতে না বাড়ে, সে কারণে রোজের খাওয়া-দাওয়ায় নজর দিতে হবে। সুষম আহার জরুরি, পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও প্রয়োজন। হার্টের রোগ তলে তলে মাথাচাড়া দিচ্ছে কি না, তা নির্ণয় করার অনেকগুলো পরীক্ষা আছে, যেমন— অ্যাঞ্জিয়োগ্রাম, ইলেক্ট্রোকার্ডিয়োগ্রাম, ইকোকার্ডিয়োগ্রাম, স্ট্রেস টেস্ট, কার্ডিয়াক এমআরআই। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেই সব পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25899/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সকালের নাশতার যেসব খাবার নীরবে বাড়াচ্ছে রক্তচাপ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25838</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25838#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 02:33:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[সকালের নাশতার যেসব খাবার নীরবে বাড়াচ্ছে রক্তচাপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25838</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষজ্ঞদের মতে সকালের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা সারাদিন আমাদের চলার শক্তি জোগায়। তবে আমরা অনেকেই সকালে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে এমন কিছু খাই যেটা রক্তচাও বাড়াতে পারে। এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ। প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই কার্ডিওলজিস্ট তার সতর্ক করেছেন এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে, যেগুলো আসলে হার্টের জন্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষজ্ঞদের মতে সকালের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা সারাদিন আমাদের চলার শক্তি জোগায়। তবে আমরা অনেকেই সকালে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে এমন কিছু খাই যেটা রক্তচাও বাড়াতে পারে। এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ। প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই কার্ডিওলজিস্ট তার সতর্ক করেছেন এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে, যেগুলো আসলে হার্টের জন্য ততটা ভালো নয়।</p>
<p>ডা. ভোজরাজ বলেন, লেবেলে ‘হোল গ্রেন’, ‘লো ফ্যাট’, বা ‘হার্ট হেলদি’ লেখা থাকলেই তা সবসময় হার্টের জন্য ভালো খাবার নয়। অনেক সময় এগুলোতেই লুকিয়ে থাকে অতিরিক্ত সোডিয়াম বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট। যেটা আপনার রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।</p>
<p>ডা. ভোজরাজ জানান, সকালের নাশতায় যদি আপনি হোল গ্রেন টোস্ট, ইনস্ট্যান্ট ওটমিল প্যাকেট বা গ্র্যানোলা খান, তাহলে অজান্তেই আপনি সকাল ৯টার আগেই রক্তচাপ বাড়িয়ে ফেলতে পারেন। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হল এই খাবারগুলোই প্রায় সব ডাক্তারি পরামর্শের ‘হার্ট-হেলদি’ তালিকায় থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ জানেন না, এগুলোই দিনের শুরুতেই রক্তচাপ ও ইনসুলিন লেভেল বাড়িয়ে দেয়।</p>
<p>কেন এই খাবারগুলো বিপজ্জনক : ডা. ভোজরাজ ব্যাখ্যা করে বলেন, লুকানো সোডিয়াম শরীরে পানি জমিয়ে রাখে, আর পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট ইনসুলিন ও স্ট্রেস হরমোন বাড়ায়। এই দুইয়ের মিশ্রণই সকালে শরীরে প্রদাহ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি তৈরি করে। দীর্ঘদিন ধরে এমন অভ্যাস আপনার হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। তিনি জানান, সঠিক খাদ্য বেছে নেয়া ও উপাদানের বিষয়ে সচেতন থাকলে সহজেই আপনি দিনের শুরুটা করতে পারেন হার্টের পক্ষে ভালোভাবে। দিন শুরু এমন খাবার দিয়ে করুণ যেটা রক্তে শর্করার ভারসাম্য রাখে, প্রদাহ কমায়, আর সত্যিকার অর্থে হার্ট সুস্থ রাখে।</p>
<p>আমরা অনেক সময় স্বাস্থ্যকর লেখা দেখে নিশ্চিন্তে খাবার বেছে নিই, কিন্তু বাস্তবে সেই খাবারের ভেতরেই লুকিয়ে থাকতে পারে উচ্চ রক্তচাপের নীরব কারণ। সে বিষয়টি বলেছেন ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ। এবার থেকে সকালের নাশতায় আপনি কি কি খাচ্ছেন সে বিষয়ে সচেতন থেকে সঠিক খাবার বেছে নিন যেটা হার্টের জন্য ভালো।  </p>
<p>সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25838/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে জেগে উঠছেন, কার্ডিয়াক অ্যাজমায় ভুগছেন না তো?</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25654</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25654#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 05:20:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[কার্ডিয়াক অ্যাজমায় ভুগছেন না তো?]]></category>
		<category><![CDATA[রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে জেগে উঠছেন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25654</guid>

					<description><![CDATA[অনেকেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগেন কিন্তু তারা জানেন না এটা কার্ডিয়াক অ্যাজমা কি না। এই সমস্যাটা অনেক সময় ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। কার্ডিয়াক অ্যাজমা সাধারণ অ্যাজমার মতো নয়,এটি মূলত হৃদযন্ত্রের জটিলতার কারণে ফুসফুসে পানি জমে সৃষ্ট এক ধরনের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। চিকিৎসকদের মতে, বাম দিকের হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুসে চাপ বৃদ্ধি পায়, ফলে এই সমস্যা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অনেকেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগেন কিন্তু তারা জানেন না এটা কার্ডিয়াক অ্যাজমা কি না। এই সমস্যাটা অনেক সময় ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। কার্ডিয়াক অ্যাজমা সাধারণ অ্যাজমার মতো নয়,এটি মূলত হৃদযন্ত্রের জটিলতার কারণে ফুসফুসে পানি জমে সৃষ্ট এক ধরনের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। চিকিৎসকদের মতে, বাম দিকের হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুসে চাপ বৃদ্ধি পায়, ফলে এই সমস্যা দেখা দেয়।</p>
<p>ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের প্রতিবেদনে চিকিৎসকরা কার্ডিয়াক অ্যাজমার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সাধারণ বা ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা মূলত ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা, যা ধুলো, ধোঁয়া বা অ্যালার্জির কারণে শ্বাসনালী সংকুচিত হলে ঘটে। অন্যদিকে, কার্ডিয়াক অ্যাজমার মূল কারণ হৃদরোগ বিশেষ করে কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর। এতে ফুসফুসে তরল জমে শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং হুইজিংয়ের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।</p>
<p>ঝুঁকির কারণ: চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যেসব বিষয় কার্ডিয়াক অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়ায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:</p>
<p>    দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ রক্তচাপ<br />
    ডায়াবেটিস<br />
    হার্ট ভালভের অসুস্থতা<br />
    এঞ্জাইনা বা বুকে ব্যথা<br />
    পূর্বে হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস</p>
<p>লক্ষণ যেগুলোতে সতর্ক হবেন: অনেকেই কার্ডিয়াক অ্যাজমার উপসর্গকে সাধারণ অ্যাজমা ভেবে ভুল করেন। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত—</p>
<p>    রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে ঘুম ভেঙে যাওয়া<br />
    কাশি বা কাশির সঙ্গে রক্ত আসা<br />
    হুইজিং বা সিসি ধরনের শব্দ হওয়া<br />
    সামান্য পরিশ্রমেও হাঁপিয়ে যাওয়া</p>
<p>চিকিৎসা: কার্ডিয়াক অ্যাজমার চিকিৎসা সাধারণ অ্যাজমার থেকে আলাদা। এতে মূলত হৃদযন্ত্রের চিকিৎসাই প্রাধান্য পায়। চিকিৎসকরা নিয়মিত ব্যায়াম, কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন, এবং প্রয়োজনে আধুনিক ডিভাইস যেমন ইমপ্ল্যান্টেবল কার্ডিওভার্টার ডিফিব্রিলেটর, বাইভেন্ট্রিকুলার পেসমেকার বা লেফট ভেন্ট্রিকুলার অ্যাসিস্ট ডিভাইস ব্যবহারের পরামর্শ দেন।</p>
<p>প্রতিরোধের উপায়: কার্ডিয়াক অ্যাজমা প্রতিরোধে হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে জরুরি। এজন্য—</p>
<p>    রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা<br />
    স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা<br />
    নিয়মিত শরীরচর্চা করা<br />
    ধূমপান ও মাদক সম্পূর্ণ পরিহার করা প্রয়োজন।</p>
<p>চিকিৎসকরা মনে করিয়ে দেন, কার্ডিয়াক অ্যাজমা শুধুমাত্র ফুসফুসের নয়, এটি হৃদরোগের একটি গুরুতর ইঙ্গিত। তাই উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই ভালো।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25654/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সকালের নাশতায় যেসব খাবার খেলেই কিডনির বিপদ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25496</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25496#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 03:16:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[সকালের নাশতায় যেসব খাবার খেলেই কিডনির বিপদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25496</guid>

					<description><![CDATA[সকালের নাশতা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার বলে ধরা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন, কিছু ভুল খাবারের অভ্যাস কিডনির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে? কিডনি আমাদের শরীরের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এটি রক্ত পরিশোধন, তরলের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ইলেকট্রোলাইট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অথচ সকালে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ ফেলে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সকালের নাশতা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার বলে ধরা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন, কিছু ভুল খাবারের অভ্যাস কিডনির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে? কিডনি আমাদের শরীরের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এটি রক্ত পরিশোধন, তরলের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ইলেকট্রোলাইট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অথচ সকালে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ ফেলে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য কিছু সাধারণ খাবার নীরবে বিপদ ডেকে আনতে পারে। জেনে নিন কোন ৮টি খাবার কিডনির জন্য ক্ষতিকর এবং কীভাবে সেগুলোর বদলে স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেয়া যায়। </p>
<p>১. প্রক্রিয়াজাত মাংস<br />
বেকন, সসেজ, সালামি এই জনপ্রিয় ব্রেকফাস্ট মাংসগুলো কিডনির শত্রু। এদের মধ্যে সোডিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা অনেক বেশি, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বিকল্প: সেদ্ধ ডিম, ডাল, টোফু বা তাজা মাছের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন।</p>
<p>২. চিনিযুক্ত সিরিয়াল<br />
রঙিন প্যাকেটে পাওয়া সিরিয়ালগুলো দেখতে আকর্ষণীয় হলেও এগুলোতে চিনি ও কৃত্রিম উপাদানের পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে বেশি। এতে ওজন বৃদ্ধি, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং কিডনির উপর চাপ বাড়ে। বিকল্প: ওটমিল, মিউসলি বা ব্রান ফ্লেক্সের মতো হোল-গ্রেইন সিরিয়াল বেছে নিন। তাজা ফল, বাদাম বা বীজ যোগ করুন প্রাকৃতিক মিষ্টির জন্য।</p>
<p>৩. ফ্লেভার্ড দই<br />
অনেকেই ভাবেন দই মানেই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু প্যাকেটজাত ফ্লেভার্ড দইয়ে থাকে প্রচুর চিনি, কৃত্রিম রং ও ফসফেট যা কিডনির ভারসাম্য নষ্ট করে। বিকল্প: চিনি ছাড়া সাদামাটা দই খান। সঙ্গে যোগ করুন ফল, চিয়া সিড বা ফ্ল্যাক্সসিড।</p>
<p>৪. পেস্ট্রি, মাফিন ও ডোনাট<br />
মিষ্টি পেস্ট্রি বা ডোনাট সকালে খেলে শরীরে জমে যায় অতিরিক্ত চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট। এগুলো শুধু ওজন বাড়ায় না, কিডনি ও হার্টের কার্যকারিতাও কমিয়ে দেয়। বিকল্প: ঘরে তৈরি ওটস বা হোলগ্রেইন মাফিন, প্রাকৃতিক মিষ্টি হিসেবে মধু বা খেজুর ব্যবহার করতে পারেন।</p>
<p> ৫. ফাস্ট ফুড স্যান্ডউইচ<br />
দ্রুত খাওয়ার জন্য অনেকেই বেছে নেন ফাস্ট ফুড স্যান্ডউইচ, যা লুকিয়ে রাখে প্রচুর সোডিয়াম, প্রিজারভেটিভ ও অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট। বিকল্প: ঘরে তৈরি হোল-গ্রেইন স্যান্ডউইচে দিন সবজি, ডিম বা গ্রিলড চিকেন। এতে পুষ্টি বজায় থাকবে এবং কিডনিও থাকবে সুরক্ষিত।</p>
<p>৬. ইনস্ট্যান্ট নুডলস<br />
দ্রুত রান্না হয় ঠিকই, কিন্তু ইনস্ট্যান্ট নুডলসে সোডিয়াম, এমএসজি ও প্রিজারভেটিভের মাত্রা এত বেশি যে কিডনির উপর বিশাল চাপ ফেলে।<br />
বিকল্প: ঘরে তৈরি ভেজিটেবল স্যুপ বা লো-সোডিয়াম নুডলস বেছে নিন।</p>
<p>৭. প্যাকেটজাত ফলের রস<br />
প্যাকেটজাত জুসে প্রায়ই থাকে অতিরিক্ত চিনি ও প্রিজারভেটিভ। এতে ফাইবার না থাকায় রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বাড়ে এবং কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।<br />
বিকল্প: পুরো ফল খান বা ঘরে তৈরি কম-চিনি জুস পান করুন।</p>
<p> ৮. প্যানকেক ও ওয়াফল<br />
রিফাইন্ড ময়দা ও সিরাপে তৈরি এই জনপ্রিয় ব্রেকফাস্ট খাবারগুলিতে থাকে প্রচুর চিনি ও কার্বোহাইড্রেট। নিয়মিত খেলে তা কিডনির পাশাপাশি রক্তে চিনি বাড়ায়। বিকল্প: হোলগ্রেইন বা বাকহুইট প্যানকেক বানান। টপিং হিসেবে ব্যবহার করুন তাজা ফল, দই বা বাদাম।</p>
<p>সকালের সঠিক খাবার কেবল শক্তি দেয় না, এটি শরীরের ভারসাম্যও বজায় রাখে। তাই অস্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্টের পরিবর্তে পুষ্টিকর, হালকা ও প্রাকৃতিক খাবার বেছে নিন। এতে কিডনি থাকবে সুস্থ, শরীর থাকবে প্রাণবন্ত।</p>
<p>সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25496/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুপুরে খাবার না খেলে কী ঘটে শরীরে, এতে ভালো না ক্ষতি</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25469</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25469#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 05:52:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[এতে ভালো না ক্ষতি]]></category>
		<category><![CDATA[দুপুরে খাবার না খেলে কী ঘটে শরীরে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25469</guid>

					<description><![CDATA[কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই দুপুরের খাবার সময়মত খেতে পারেন না বা ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে থাকেন। অনেকেই আবার ডায়েটের জন্য দুপুরে খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। মাঝে মধ্যে না খেয়ে থাকার কারণে কিছুটা উপকার মিললেও নিয়মিত দুপুরের খাবার বাদ দিলে শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। নিজেকে ফিট রাখার জন্যও কেউ কেউ নিয়ম করে প্রতিদিনই দুপুরের খাবার বাদ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই দুপুরের খাবার সময়মত খেতে পারেন না বা ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে থাকেন। অনেকেই আবার ডায়েটের জন্য দুপুরে খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। মাঝে মধ্যে না খেয়ে থাকার কারণে কিছুটা উপকার মিললেও নিয়মিত দুপুরের খাবার বাদ দিলে শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।</p>
<p>নিজেকে ফিট রাখার জন্যও কেউ কেউ নিয়ম করে প্রতিদিনই দুপুরের খাবার বাদ দেন। কিন্তু এভাবে খাবার বাদ দেয়ার কারণে শরীরের যে ক্ষতি হয়, তা অনেকেই জানেন না। দুপুরে খাবার খাওয়া বাদ দিলে শরীরে কী ঘটে, তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।</p>
<p>রক্তে শর্করার মাত্রা উঠানামা করা:<br />
দুপুরে খাবার খাওয়া বাদ দিলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, ঘাম, কাঁপুনি, এমনকি জ্ঞান হারানোর আশঙ্কাও দেখা দেয়। আবার এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে এর প্রভাবে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি কমে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।</p>
<p>বিপাক ধীর হওয়া:<br />
দুপুরে না খেলে শরীর শক্তি হারাতে থাকে এবং বিপাক ধীর হয়। এ কারণে শরীরের ক্যালোরি পোড়ানোর ক্ষমতা কমে। ওজন বাড়তে থাকে। শরীর তখন সারভাইভাল মোডে চলে যায়।</p>
<p>বেশি খাওয়ার প্রবণতা:<br />
দুপুরে না খাওয়ার কারণে সন্ধ্যা বা রাতে অনেক বেশি ক্ষুধা পায় এবং তখন অল্প সময়ে অনেক বেশি খাবার খাওয়া হয়। এ কারণে ওজন বৃদ্ধিসহ গ্যাস-অ্যাসিডিটি ও বদহজম হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।</p>
<p>পুষ্টির ঘাটতি:<br />
দুপুরে খাবার বন্ধ করার কারণে ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন বি১২ ও ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হয় শরীর। ফলে চুল পড়া, ত্বক রুক্ষ হওয়া, ক্লান্তি বোধ হওয়া এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসের মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।</p>
<p>রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়া:<br />
জিঙ্ক, ভিটামিন সি ও প্রোটিনের ঘাটতি থেকে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ কারণে ভাইরাল সংক্রমণ, ঠান্ডা-কাশি, এমনকি গ্যাসট্রো-ইনফেকশন পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।</p>
<p>হজমের সমস্যা:<br />
দীর্ঘ সময় পেট খালি থাকলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমা হয়। যা অ্যাসিড রিফ্লাক্স, বুক জ্বালা, গ্যাসট্রিক, গ্যাস্ট্রাইটিস এবং অনেক সময় আলসারের মতো জটিল সমস্যার জন্ম দিয়ে থাকে।</p>
<p>হৃদরোগের ঝুঁকি:<br />
দুপুরে খাবার না খাওয়ার কারণে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ কম-বেশি হতে পারে। আর এমনটা চলতে থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকে অনেকাংশে বেড়ে যায়।</p>
<p>সমাধান:<br />
প্রতিদিন দুপুরের খাবার সময়মত খেতে হবে। প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখতে হবে খাদ্যতালিকায়। সময় কম থাকলে স্যুপ, ফল বা স্যান্ডউইচজাতীয় হালকা পুষ্টিকর খাবার খেয়ে নিন। চাইলে আগে থেকে খাবার নিয়ে পরিকল্পনা করে রাখুন। আর ওজন কমাতে খাবার এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং প্রোটিন কনট্রোল ও সঠিক টাইমিং অনুসরণ করুন।</p>
<p>মনে রাখতে হবে, নিয়মিত দুপুরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস বাদ দেয়া সাধারণ বিষয় মনে হলেও এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরের ভয়ানক ক্ষতি করতে পারে। হজমশক্তি থেকে শুরু করে হৃদযন্ত্র, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মস্তিষ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রভাবিত হয়। এ জন্য সচেতন হয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর উপাদানে দুপুরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25469/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করার পাঁচ উপায়</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25400</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25400#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 04:39:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করার পাঁচ উপায়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25400</guid>

					<description><![CDATA[খাবার খাওয়ার সময় মনোযোগের ঘাটতি থাকলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খাওয়া মানেই শারীরিক ও মানসিক অনেক সমস্যা বাড়তে দেওয়া। সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করার অভ্যাস থাকলে পাঁচটি উপায়ে এই বদঅভ্যাস দূর করতে পারেন। মনোযোগ দিয়ে খাবার খান খাবারে সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খাবার খাওয়ার সময় মনোযোগের ঘাটতি থাকলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খাওয়া মানেই শারীরিক ও মানসিক অনেক সমস্যা বাড়তে দেওয়া। সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করার অভ্যাস থাকলে পাঁচটি উপায়ে এই বদঅভ্যাস দূর করতে পারেন। </p>
<p>মনোযোগ দিয়ে খাবার খান<br />
খাবারে সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া শুরু করবেন না, একটু সময় নিন।  এই অভ্যাস যদি গড়ে তুলতে পারেন তাহলে দেখবেন মনোযোগ দিয়ে খাবার গ্রহণ করতে পারছেন, এতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের আগেই মনে হবে পেট ভরে গেছে।</p>
<p>খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করুন<br />
খাবার গ্রহণের আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। এতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের আশঙ্কা কমবে। </p>
<p>ছোট প্লেটে খাবার খান<br />
ছোট প্লেটে খেতে পারেন। ছোট প্লেটে খাবার রাখলে মনে হয় পরিমাণে বেশি, অথচ বাস্তবে তা নয়। এতে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ হয় সহজেই।</p>
<p>নিয়মিত ধ্যান করুন<br />
মানসিক চাপ বেশি থাকলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের অভ্যাস তৈরি হয়। মানসিক চাপ কমাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের পাশাপাশি নিয়মিত ধ্যান করুন। এতে মন শান্ত থাকবে। এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা কমে যাবে।</p>
<p>হাতের কাছে মুখোরোচক খাবার রাখবেন না<br />
অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের অভ্যাস কমাতে চাইলে টেবিলে, বিছানার পাশে বিস্কুট, চিপ্‌স বা মিষ্টিজাতীয় মুখোরোচক খাবার রাখবেন না। কারণ হাতের কাছে খাবার থাকলেই অসচেতনভাবে খাবার গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে।  </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25400/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুধ দিয়ে চা বা কফি পান করছেন, গবেষণা বলছে চমকপ্রদ তথ্য</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25358</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25358#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 04:40:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[গবেষণা বলছে চমকপ্রদ তথ্য]]></category>
		<category><![CDATA[দুধ দিয়ে চা বা কফি পান করছেন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25358</guid>

					<description><![CDATA[চা বা কফি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেকেই এই পানীয়ের স্বাদ ও ঘনত্ব বাড়াতে এতে দুধ মেশান। কিন্তু দুধ দিয়ে চা বা কফি পান করা শরীরের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানা মতভেদ রয়েছে। চা ও দুধের পৃথক গুণাগুণ চা, বিশেষ করে সবুজ ও কালো চা, ক্যামেলিয়া সিনেনসিস উদ্ভিদের পাতা থেকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চা বা কফি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেকেই এই পানীয়ের স্বাদ ও ঘনত্ব বাড়াতে এতে দুধ মেশান। কিন্তু দুধ দিয়ে চা বা কফি পান করা শরীরের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানা মতভেদ রয়েছে।</p>
<p>চা ও দুধের পৃথক গুণাগুণ<br />
চা, বিশেষ করে সবুজ ও কালো চা, ক্যামেলিয়া সিনেনসিস উদ্ভিদের পাতা থেকে তৈরি এবং এতে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ক্যাটেচিন ও থিফ্ল্যাভিনস। এগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল হ্রাস ও ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে দুধে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম, যা হাড়ের শক্তি, শরীরের বৃদ্ধি এবং কোষ গঠনে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।</p>
<p>চায়ের সঙ্গে দুধ: উপকার নাকি ক্ষতি?<br />
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দুধের ক্যাসেইন নামক প্রোটিন চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কার্যকারিতা কিছুটা হ্রাস করতে পারে। ফলে দুধসহ চা পান করলে হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য চায়ের উপকারী প্রভাব কমে যেতে পারে। তবে অন্য কিছু গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, যদি চা যথেষ্ট সময় ধরে ভিজিয়ে রাখা হয়, তবে দুধ যোগ করলেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের শোষণে তেমন পার্থক্য হয় না।</p>
<p>কফির সঙ্গে দুধ: কিছু অতিরিক্ত সুবিধা:<br />
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, কফির সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেলে শরীরে প্রদাহ বা ফোলাভাব কমতে পারে। কফির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং দুধের অ্যামিনো অ্যাসিড একসঙ্গে কাজ করে প্রদাহবিরোধী প্রভাব ফেলে, যা আর্থ্রাইটিস বা ব্যথার উপশমে সহায়ক।</p>
<p>পুষ্টিবিদদের মতে, দুধ মিশ্রিত কফি ব্ল্যাক কফির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম অম্লীয়, ফলে এটি অ্যাসিডিটি ও হজমজনিত সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করে। তবে অতিরিক্ত কফি পান শরীরে লৌহ ও ক্যালসিয়ামের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে এবং ঘুমের চক্রেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।</p>
<p>সতর্কতা: যাদের ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা রয়েছে, তাদের জন্য দুধসহ চা বা কফি উপযুক্ত নয়। এছাড়া দুধ দিয়ে তৈরি কফি পুনরায় গরম করা থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, কারণ তা খাদ্যনালিতে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p>দুধ দিয়ে চা বা কফি পান করা সবার জন্য একই রকম প্রভাব ফেলে না। কারও জন্য এটি উপকারী হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। সংযম বজায় রেখে, নিজের শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়াই সবচেয়ে ভালো। </p>
<p>সূত্র: হেলথলাইন ও টাইমস অব ইন্ডিয়া  </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25358/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শরীর সুস্থ ও ঠান্ডা রাখতে যা খাবেন!</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25234</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25234#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 03 Oct 2025 03:45:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[শরীর সুস্থ ও ঠান্ডা রাখতে যা খাবেন!]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25234</guid>

					<description><![CDATA[গ্রীষ্মকালে তীব্র রোদে প্রায় সবারই শরীর ঘামে। এ কারণে শরীর অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তবে শুধু গ্রীষ্মকাল নয়, অন্যান্য ঋতুতেও কঠোর পরিশ্রমের কারণে শরীর ঘামে এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। কঠোর পরিশ্রমের কারণে যেকোনো সময়েই শরীর দুর্বল হয়। আর ঘামের কারণে হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন, ত্বকের সমস্যা ও ক্লান্তি দেখা দেয়। এ অবস্থায় নিজেকে সবসময় সুস্থ রাখা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রীষ্মকালে তীব্র রোদে প্রায় সবারই শরীর ঘামে। এ কারণে শরীর অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তবে শুধু গ্রীষ্মকাল নয়, অন্যান্য ঋতুতেও কঠোর পরিশ্রমের কারণে শরীর ঘামে এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। কঠোর পরিশ্রমের কারণে যেকোনো সময়েই শরীর দুর্বল হয়। আর ঘামের কারণে হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন, ত্বকের সমস্যা ও ক্লান্তি দেখা দেয়।</p>
<p>এ অবস্থায় নিজেকে সবসময় সুস্থ রাখা প্রয়োজন। এ জন্য খাদ্যতালিকায় কিছু সহজলভ্য খাবার রাখলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। পাশাপাশি শরীরও সুস্থ থাকে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম সুস্থ থাকতে সুপারফুড জাতীয় কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জানিয়েছে। যে খাবারগুলো শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রেখে সুস্থ রাখে আপনাকে। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-</p>
<p>ডাবের পানি:<br />
ডাবের পানি হচ্ছে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট। এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে উপকারী। পটাশিয়াম, সোডিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে ডাবের পানিতে, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ব্যালান্স ঠিক রাখে। প্রতিদিন সকালে একগ্লাস পরিমাণ ডাবের পানি পান করলে ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।</p>
<p>তোকমা বীজ:<br />
শরীর শীতল করার প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে তোকমা বীজ বা দানা। নিয়মিত এই দানা খাওয়ার ফলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শরীর ঠান্ডাও থাকে। একগ্লাস পরিমাণ পানিতে কিছুটা দানা ভিজিয়ে রেখে লেবু মিশিয়ে তা খাওয়া হলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে।</p>
<p>শসা:<br />
শসাকে বলা হয় গ্রীষ্মকালের কুলিং ফুড। প্রচুর পরিমাণ পানি ও ফাইবার সমৃদ্ধ শসা খাওয়ার ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং ত্বকও উজ্জ্বল হয়। সালাদ বা স্মুদি হিসেবে শসা খেলে উপকার মিলে।</p>
<p>টক দই:<br />
হজমে সহায়তার জন্য দারুণ উপকারী টক দই। এটি শরীরও ঠান্ডা রাখে। টক দইয়ে থাকা প্রোবায়েটিক উপাদান অন্ত্র ভালো রাখে এবং গরম থেকে হওয়া অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায়। দুপুরে পরিমিত পরিমাণ টক দই খাওয়া হলে কার্যকরী ফল পাওয়া যায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25234/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রতিদিন শসা খেলে শরীরে যে প্রভাব পড়ে</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25201</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25201#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Oct 2025 03:22:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিদিন শসা খেলে শরীরে যে প্রভাব পড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25201</guid>

					<description><![CDATA[স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি বড় অংশ হলো সালাদ। আর সালাদের একটি প্রধান উপাদান হলো শসা। কখনও ভেবে দেখেছেন কী শসাকে অবশ্যই সালাদ হিসেবে কেন খাওয়া হয়? শসার উপকারিতা বহুবিধ, যার মধ্যে রয়েছে এটি পানি সমৃদ্ধ এবং হাইড্রেশন বজায় রাখার জন্য উপযোগী। শসার পুষ্টিগুণ বেশি, এছাড়াও এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি বড় অংশ  হলো সালাদ। আর সালাদের একটি প্রধান উপাদান হলো শসা। কখনও ভেবে দেখেছেন কী শসাকে অবশ্যই সালাদ হিসেবে কেন খাওয়া হয়? শসার উপকারিতা বহুবিধ, যার মধ্যে রয়েছে এটি পানি সমৃদ্ধ এবং হাইড্রেশন বজায় রাখার জন্য উপযোগী। শসার পুষ্টিগুণ বেশি, এছাড়াও এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগের চিকিৎসার জন্য দুর্দান্ত এবং ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও সাহায্য করে। শসাতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম এবং এটি আপনাকে ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে।</p>
<p>পুষ্টিবিদরা বলেন, ‘‘ একটি শসাতে ৯৫ শতাংশ পানি থাকে,  এতে প্রোটিন পাওয়া যায় ০.৬৪ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৭৮ গ্রাম, ফ্যাট ০.১১ গ্রাম, ডায়েটারি ফাইবার ০.৬২ গ্রাম, মনোসাক্যারাইড ১.৭০ গ্রাম।’’</p>
<p>হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখে<br />
শসাতে থাকা খাদ্য উপাদান শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্ত জমাট বাঁধা এবং রক্ত প্রবাহের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এর মাধ্যমে হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে।</p>
<p>চোখের জ্যোতি বাড়াতে পারে<br />
শসাতে প্রচুর পরিমাণ থাকায় চোখের ছানি পড়া ঠেকাতে কাজ করে। এ ছাড়া চোখের পাতায় ব্যবহার করলে ময়লা অপসারণ করতে ও জ্যোতি বাড়াতে কাজ করে।</p>
<p>হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা<br />
শসাতে প্রচুর ভিটামিন বি থাকার কারণে ঘুম ভালো হয়, মাথা ধরা কমে। এবং হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা হয। এতে থাকা খনিজ সিলিকা চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে।</p>
<p>ইউরিক অ্যাসিড কমায়<br />
প্রচুর পরিমাণ সিলিকা থাকায় শরীরে জমে থাকা ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। এতে বাতের ব্যথা কমে। বিশেষত গেঁটে বাতের রোগীরা উপকার পান।</p>
<p>মাথাব্যথা কমায়<br />
শসাতে প্রচুর ভিটামিন বি থাকার কারণে ঘুম ভালো হয়, মাথা ধরা কম হয়।</p>
<p>মানসিক চাপ কমায়<br />
শসাতে রয়েছে ভিটামিন বি ১, বি ৫ এবং বি ৭। যা উদ্বেগ ও মানাসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। </p>
<p>শসা ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে<br />
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। মলিনতা ও শুষ্কতা দূর করে ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন বি, নায়াসিন, রিবোফ্লোবিন, ভিটামিন সি এবং জিংক ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষা করতে সাহায্য করে।</p>
<p>উল্লেখ্য, দিনে এক বা দুইটির বেশি শসা খাওয়া উচিত নয়। কারণ অতিরিক্ত শসা খেলে বদহজম বা গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।  ভারী খাবার খাওয়ার সময় বা পরে শসা খাওয়া ভালো। রাতে এবং খালি পেটে শসা খেলে অনেকের সমস্যা হয়, তাই সকালে বা দুপুরে খেলে ভালো। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25201/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
