<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আন্তর্জাতিক &#8211; skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/archives/category/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Tue, 20 Jan 2026 04:11:57 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>
	<item>
		<title>গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ ভাইরাস, নজিরবিহীন স্বাস্থ্য বিপর্যয়</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26372</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26372#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 04:11:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ ভাইরাস]]></category>
		<category><![CDATA[নজিরবিহীন স্বাস্থ্য বিপর্যয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26372</guid>

					<description><![CDATA[ইসরায়েলের অবরোধে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ঢুকতে না পারায় ফিলিস্তিনের গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ এক শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস। এতে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা মানুষদের মধ্যে প্রাণহানি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন গাজার শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের আঘাতে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধসে পড়ার মুখে। টিকাদানের অভাব, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরায়েলের অবরোধে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ঢুকতে না পারায় ফিলিস্তিনের গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ এক শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস। এতে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা মানুষদের মধ্যে প্রাণহানি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন গাজার শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের আঘাতে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধসে পড়ার মুখে। টিকাদানের অভাব, তীব্র অপুষ্টি ও যুদ্ধজনিত মানসিক আঘাত পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে চিকিৎসা সহায়তা আটকে দেয়ার গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন তিনি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড</p>
<p>গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের চিকিৎসা পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া সোমবার আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে, বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা রোগীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এক নজিরবিহীন স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মুখোমুখি। পরিস্থিতি এমন গতিতে খারাপের দিকে যাচ্ছে, যা আমরা আগে কখনও দেখিনি।’</p>
<p>আবু সালমিয়া জানান, এই ভাইরাসটি সম্ভবত ফ্লু বা করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। সব বয়সী মানুষের মধ্যেই এটি ছড়িয়ে পড়ছে। তীব্র অপুষ্টি, দীর্ঘদিনের মানসিক আঘাত এবং টিকাদানের প্রায় অভাবে এই সংক্রমণ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। তার মতে, আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গ অনেক সময় টানা দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার জ্বর, গিঁট ও হাড়ে তীব্র ব্যথা, লাগাতার মাথাব্যথা ও বমি। অনেক ক্ষেত্রে এই অসুস্থতা পরে তীব্র নিউমোনিয়ায় রূপ নিচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘এই জটিলতাগুলো প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে, বিশেষ করে যেসব বাস্তুচ্যুত পরিবার ঠান্ডা, আর্দ্রতা বা গাদাগাদি থেকে সুরক্ষা না পাওয়া তাঁবুতে বাস করছে তাদের জন্য।’</p>
<p>আবু সালমিয়া জানান, ইসরায়েলের গণহত্যা শুরুর পর থেকে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। যুদ্ধবিরতির চুক্তির ১০০ দিনের বেশি সময় পার হলেও এই ধস আরও দ্রুত ঘটছে বলে তিনি সতর্ক করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোতে ন্যূনতম চিকিৎসা সরঞ্জামেরও মারাত্মকভাবে ঘাটতি রয়েছে। আর এখন এভাবেই চলছে হাসপাতালগুলো।</p>
<p>তার ভাষায়, ‘আমাদের কাছে জীবাণুমুক্ত গজ বা অস্ত্রোপচারের গাউন পর্যন্ত নেই। অ্যান্টিবায়োটিকের ভয়াবহ সংকট রয়েছে। ক্যানসারের ওষুধ পুরোপুরি নেই। কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগী ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষের চিকিৎসার ওষুধও নেই’। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানসিক রোগীদের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রায় নেই বললেই চলে। এতে শুধু রোগীরাই নয়, পুরো সমাজই ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।</p>
<p>আবু সালমিয়া আরও জানান, গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ চিকিৎসা পরীক্ষাগার এখন আর কাজ করছে না। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণের অভাবে চিকিৎসকেরা এমনকি সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করতে পারছেন না।</p>
<p>আল-শিফার এই পরিচালক অভিযোগ করেন, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সুপারিশ করা সরঞ্জামও ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ ও যন্ত্রপাতি আটকে দেয়া হচ্ছে, অথচ কোমল পানীয়, স্ন্যাকস ও মোবাইল ফোনের মতো অপ্রয়োজনীয় জিনিস ঢুকতে দেয়া হচ্ছে’। তিনি একে পরিকল্পিতভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেন।</p>
<p>এমন অবস্থায় অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরীক্ষাগারের উপকরণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি অবাধে গাজায় ঢোকার ব্যবস্থা করতে আবু সালমিয়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p>ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েল বারবার হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র, ওষুধের গুদাম ও স্বাস্থ্যকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। পাশাপাশি চিকিৎসা সহায়তার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে কার্যত পঙ্গু করে দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া গণহত্যামূলক যুদ্ধে ৭১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হন আরও ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ।</p>
<p>অবশ্য গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলেও তা বারবার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪৬৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ১২৮৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26372/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ আফ্রিকায় স্কুলবাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ১৩ শিশু নিহত</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26369</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26369#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 04:06:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26369</guid>

					<description><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকার গাউতেং প্রদেশে ট্রাকের সঙ্গে স্কুলগামী মিনিবাসের সংঘর্ষে ১৩ জন শিশু নিহত হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলেই ১১ স্কুলশিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশু মারা যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল প্রায় ৭টার দিকে জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ আফ্রিকার গাউতেং প্রদেশে ট্রাকের সঙ্গে স্কুলগামী মিনিবাসের সংঘর্ষে ১৩ জন শিশু নিহত হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।</p>
<p>প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলেই ১১ স্কুলশিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশু মারা যায়।</p>
<p>কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল প্রায় ৭টার দিকে জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়ার সময় ওই বেসরকারি মিনিবাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।</p>
<p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুদের বহনকারী মিনিবাসটি ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে।</p>
<p>ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং ট্রাকচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p>
<p>গাউতেং জরুরি সেবা বিভাগ পাঁচজন আহতকে সেবোকেং হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়াও আরও দু’জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কোপানং হাসপাতালে পাঠানো হয়। মিনিবাসটির চালকও আহত হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জাতীয় ও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলোকে প্রয়োজনীয় মানসিক ও সামাজিক সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26369/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26332</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26332#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 05:18:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ]]></category>
		<category><![CDATA[ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26332</guid>

					<description><![CDATA[চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তীব্র গরম ও প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিক নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ক্যাটাস্ট্রোফি) ঘোষণা করেন। এ দুটি অঞ্চল রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে। দেশটির বন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তীব্র গরম ও প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।</p>
<p>রোববার (১৮ জানুয়ারি) চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিক নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ক্যাটাস্ট্রোফি) ঘোষণা করেন। এ দুটি অঞ্চল রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে।</p>
<p>দেশটির বন বিভাগ কনাফ জানায়, সারা দেশে অন্তত ২৪টি সক্রিয় দাবানল জ্বলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আগুন লাগে নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে।</p>
<p>দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে। নিরাপত্তার জন্য প্রায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ২৫০টির বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।</p>
<p>কর্তৃপক্ষ জানায়, তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠায় এবং প্রবল বাতাস বইতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। একই ধরনের তাপপ্রবাহ ও দাবানলে চলতি মাসে প্রতিবেশী আর্জেন্টিনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26332/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলা হলে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের’ শামিল হবে: ইরান</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26326</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26326#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 04:43:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলা হলে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের’ শামিল হবে: ইরান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26326</guid>

					<description><![CDATA[ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা করা হলে তা ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। স্থানীয় সময় রোববার (১৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেয়া বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর যেকোনো হামলা ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা করা হলে তা ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।</p>
<p>স্থানীয় সময় রোববার (১৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেয়া বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর যেকোনো হামলা ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ ঘোষণার শামিল’।</p>
<p>একই সঙ্গে পেজেশকিয়ান বলেন, “গত দুই সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের পেছনেও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও শত্রুতার বড় ভূমিকা রয়েছে।”</p>
<p>তিনি আরো বলেন, “ইরানিদের জীবনে বর্তমানে যে আর্থিক কষ্ট এবং দুরবস্থা দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো মার্কিন সরকার ও তাদের মিত্রদের দীর্ঘদিনের শত্রুতা এবং অমানবিক নিষেধাজ্ঞা।”</p>
<p>শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ৩৭ বছরের শাসনের অবসানের আহ্বান জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।”</p>
<p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে খামেনির একাধিক এক্স পোস্ট পড়ে শোনানো হয়, যেখানে ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করা হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।”</p>
<p>ট্রাম্প আরও বলেন, “দমন-পীড়ন ও সহিংসতার ওপর নির্ভর করে ইরানি শাসকরা টিকে আছে। একটি দেশের নেতা হিসেবে তিনি (খামেনি) যে অপরাধ করেছেন, তা হলো পুরো দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া এবং আগে কখনো না দেখা মাত্রায় সহিংসতা ব্যবহার করা।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26326/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না: ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26322</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26322#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 03:39:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না: ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26322</guid>

					<description><![CDATA[গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া অবস্থানে রয়েছে। এর বিরোধীতাকারীদের শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে নতুন করে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না—এমন বার্তা দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। ইউরোপীয় ঐক্য জোরালো হয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিরোধিতা চললে আগামী ফেব্রুয়ারি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া অবস্থানে রয়েছে। এর বিরোধীতাকারীদের শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে নতুন করে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ইউরোপ আপসের পথে যাবে না—এমন বার্তা দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। ইউরোপীয় ঐক্য জোরালো হয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।</p>
<p>গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিরোধিতা চললে আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্কসহ ইউরোপের আটটি মিত্র দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তালিকায় রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন ও যুক্তরাজ্য। এই হুমকির পরই ইউরোপজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ে এবং দেশগুলোর অবস্থান নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়।</p>
<p>ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করে ট্রাম্প প্রয়োজনে কঠোর পথ নেয়ার কথাও উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক মহলে তার এ বক্তব্য সমালোচনার জন্ম দেয়। শুল্ক-হুমকির আওতায় থাকা ইউরোপীয় দেশগুলো এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় সতর্ক করে জানায়, এ ধরনের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। একই সঙ্গে তারা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং ন্যাটোর সদস্য হিসেবে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। সংলাপের ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার নীতিকে অটল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।</p>
<p>ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং সংঘাত এড়ানোর আহ্বান জানান। ইউরোপজুড়ে যে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তার মতে, ইউরোপীয় কমিউনিটির মৌলিক মূল্যবোধের প্রশ্নে এখন আরও দৃঢ় থাকা জরুরি।</p>
<p>এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন। পরে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গেও কথা বলেন। স্টারমারের কার্যালয় জানায়, গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ন্যাটোর সব সদস্যের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মিলিত নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ সঠিক বার্তা দেয় না।</p>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আটটি দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যে প্রাথমিকভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে, যা ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই হার ২৫ শতাংশে উন্নীত হতে পারে এবং সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আরেক পোস্টে ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও উল্লেখ করেন।</p>
<p>গ্রিনল্যান্ড জনসংখ্যায় ছোট হলেও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক তৎপরতা নজরদারিতে এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও মন্তব্য করেছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে—এমন ধারণাই ওয়াশিংটনের অবস্থানের কেন্দ্রে রয়েছে।</p>
<p>সব মিলিয়ে গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও ইউরোপের দৃঢ় প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন এক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে শুল্ক, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব—তিনটি বিষয়ই সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26322/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ২১ জন নিহত</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26310</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26310#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 02:30:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ২১ জন নিহত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26310</guid>

					<description><![CDATA[স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৭০-এর বেশি আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার দক্ষিণ স্পেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। স্পেনের রেল কর্তৃপক্ষ অ্যাডিফ নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী একটি দ্রুতগতির ট্রেন আদামুজ শহরের কাছে লাইনচ্যুত হয়। তা বিপরীত লাইনে ঢুকে উল্টো দিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৭০-এর বেশি আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার দক্ষিণ স্পেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p>স্পেনের রেল কর্তৃপক্ষ অ্যাডিফ নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী একটি দ্রুতগতির ট্রেন আদামুজ শহরের কাছে লাইনচ্যুত হয়। তা বিপরীত লাইনে ঢুকে উল্টো দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনকে ধাক্কা দেয়। ফলে ওই ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়।</p>
<p>পুলিশের এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে প্রাথমিকভাবে পাঁচজন নিহত হওয়ার কথা জানান। কিন্তু পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২১।</p>
<p>আন্দালুসিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান আন্তোনিও সানজ জানান, দুর্ঘটনায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। স্পেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে, অনেক যাত্রী ট্রেনের বগিতে আটকা পড়েছেন। তাঁদের নিয়ে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১০০-তে পৌঁছাতে পারে।</p>
<p>কর্ডোবা অঞ্চলের ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার মাধ্যমে আরটিভিইকে বলেন, ‘সমস্যা হলো—বগিগুলো দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। ধাতু মচকে গেছে। এর মধ্যে মানুষ আটকা পড়ে আছে। আটকা পড়া কোনো ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে আমাদের হয়তো কোনো মৃত ব্যক্তিকে সরিয়ে জায়গা করতে হচ্ছে। এটা খুব কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ।’</p>
<p>এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথম ট্রেনের একটি বগি সম্পূর্ণভাবে উল্টে গিয়েছিল। টেলিভিশনে ঘটনাস্থলে চিকিৎসক ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কর্মব্যস্ত দেখা গেছে।</p>
<p>রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার মাধ্যম আরএনই’র এক সাংবাদিক দুর্ঘটনাকবলিত দুই ট্রেনের একটি ছিলেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের মুহূর্ত তাঁর কাছে ‘ভূমিকম্পের মতো’ মনে হয়েছে। আটকা পড়া যাত্রীরা জরুরি হাতুড়ি দিয়ে বগির জানালা ভেঙে বের হতে চেষ্টা করেন।</p>
<p>‘হরর মুভির মতো দৃশ্য’<br />
প্রথম ট্রেনের যাত্রী ছিলেন লুকাস মেরিয়াকো নামের এক ব্যক্তি। তিনি লা সেক্সটা টেলিভিশনকে বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি আমার কাছে হরর মুভির মতো মনে হয়েছে। পেছন থেকে প্রচণ্ড একটি ধাক্কা লাগে। মনে হলো—পুরো ট্রেন যেন ভেঙে পড়ছে। কাচের কারণে অনেকে আহত হয়েছেন।’</p>
<p>স্পেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, দুই ট্রেন মিলিয়ে প্রায় ৪০০ জন যাত্রী ছিলেন।</p>
<p>দুর্ঘটনার কারণে মাদ্রিদ, সেভিয়া, কর্ডোবা, মালাগা ও হুয়েলভা রুটের উচ্চগতির ট্রেনসেবা অন্তত সোমবার পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে অ্যাডিফ। এসব শহরের স্টেশন ভুক্তভোগীদের পরিবার ও স্বজনদের সহায়তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>রাজ প্রাসাদ এক্সে এক বার্তায় জানিয়েছে, রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ ও রানি লেতিসিয়া এ দুর্ঘটনায় ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা হতাহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।</p>
<p>স্পেনের উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার, যা ইউরোপে সবচেয়ে বড়। পৃথক ট্র্যাকে এ নেটওয়ার্ক মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, সেভিয়া, ভ্যালেন্সিয়া এবং মালাগাসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোকে যুক্ত করেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26310/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খামেনির বদলে ইরানে নতুন নেতা চান ট্রাম্প</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26253</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26253#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 03:54:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[খামেনির বদলে ইরানে নতুন নেতা চান ট্রাম্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26253</guid>

					<description><![CDATA[সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহতের পর ইরানে নতুন নেতৃত্বের দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমাধ্যমে মূলত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সরানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, “ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।” বিক্ষোভকারীদের কঠোরভাবে দমন করায় খামেনির সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “একটি দেশের নেতা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহতের পর ইরানে নতুন নেতৃত্বের দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমাধ্যমে মূলত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সরানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, “ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।”</p>
<p>বিক্ষোভকারীদের কঠোরভাবে দমন করায় খামেনির সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “একটি দেশের নেতা হিসেবে তিনি যা করেছেন, তা দেশের জন্য পুরো ধ্বংসযজ্ঞ। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে যে পরিমাণ সহিংসতা হয়েছে। এটি আগে কখনো দেখা যায়নি।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “দেশকে সঠিকভাবে চালানোর জন্য— যদিও এ চালানোর বিষয়টি খুবই নিচু লেভেলের— ইরানের নেতৃবৃন্দকে দেশ সঠিকভাবে চালানোর দিকে মনযোগ দিতে হবে। যেমনটা আমি যুক্তরাষ্ট্রে করি। দেশের নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করে নয়। নেতৃত্ব হলো শ্রদ্ধার বিষয়, ভয় অথবা মৃত্যুর বিষয় নয়।”</p>
<p>এদিকে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের আগে তার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ট্রাম্পকে তিনি অপরাধী হিসেবে অভিহিত করেছেন। খামেনি বলেছেন, ইরানের জনগণের ওপর এই ধ্বংসযজ্ঞ চাপিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।</p>
<p>গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। এটি ৮ ও ৯ জানুয়ারি সহিংস রূপ ধারণ করে। এ সময় কঠোরভাবে বিক্ষোভ দমন করে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত বিক্ষোভে তিন হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।</p>
<p>সূত্র: পলিটিকো</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26253/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উত্তর সিরিয়ায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26247</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26247#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 03:01:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[উত্তর সিরিয়ায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26247</guid>

					<description><![CDATA[উত্তর সিরিয়ায় চলমান সংঘর্ষ বন্ধে সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়া এড়াতে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা জরুরি। গত বছর ডিসেম্বর থেকে সিরিয়ার আলেপ্পো অঞ্চলে সিরীয় সরকারি বাহিনী ও কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। আলেপ্পোর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>উত্তর সিরিয়ায় চলমান সংঘর্ষ বন্ধে সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়া এড়াতে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা জরুরি।</p>
<p>গত বছর ডিসেম্বর থেকে সিরিয়ার আলেপ্পো অঞ্চলে সিরীয় সরকারি বাহিনী ও কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। আলেপ্পোর স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ জন নিহত এবং প্রায় ১২৯ জন আহত হয়েছে।</p>
<p>সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সিরিয়ার সরকারকে আলেপ্পো থেকে আল-তাবকা পর্যন্ত এলাকায় সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণভাবে শান্তিপূর্ণ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা সিরিয়া পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>এর আগে শনিবার সিরীয় সেনাবাহিনী ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিমাঞ্চলকে বন্ধ সামরিক এলাকা ঘোষণা করে। সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের ওপর হামলার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p>অন্যদিকে এসডিএফ অভিযোগ করেছে, দামেস্কপন্থি গোষ্ঠীগুলো সদ্য স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নের আগেই তা লঙ্ঘন করেছে। চুক্তির শর্ত মানা না হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে তারা। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26247/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গ্রিনল্যান্ড দখলে বিরোধিতা: ৮ দেশের ওপর শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, পিছু হটবে না ইউরোপ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26244</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26244#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 02:54:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রিনল্যান্ড দখলে বিরোধিতা: ৮ দেশের ওপর শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের]]></category>
		<category><![CDATA[পিছু হটবে না ইউরোপ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26244</guid>

					<description><![CDATA[ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ইস্যুতে বিরোধিতা করায় ইউরোপীয় আট মিত্র দেশের ওপর শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এ শুল্ক কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। এদিকে ইউরোপীয় নেতারা বলছেন, তারা পিছু হটবেন না। ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে জবাব দেয়া হবে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ইস্যুতে বিরোধিতা করায় ইউরোপীয় আট মিত্র দেশের ওপর শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।</p>
<p>কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এ শুল্ক কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। এদিকে ইউরোপীয় নেতারা বলছেন, তারা পিছু হটবেন না। ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে জবাব দেয়া হবে।</p>
<p>স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে এ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।</p>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। ১ জুন থেকে এই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে।”</p>
<p>ট্রাম্প জানান, গ্রিনল্যান্ডে এসব দেশের প্রতিনিধিদের অজানা উদ্দেশ্যে সফরের জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে দেশগুলো বিপজ্জনক খেলায় নেমেছে।”</p>
<p>তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে গ্রিনল্যান্ড কেনার চেষ্টা করছে। তার মতে, পরিকল্পিত মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘গোল্ডেন ডোম’-এর জন্য গ্রিনল্যান্ড এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ। এতে কানাডার সম্ভাব্য সুরক্ষার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p>এর আগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত না হলে তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন।”</p>
<p>এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলো। শুল্কের ভয়ে ইউরোপ পিছু হটবে না বলে জবাব দেন তারা। হুমকি বাস্তবায়িত হলে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে জবাব দেয়া হবে বলে জানায় যুক্তরাজ্য, জার্মানিসহ আট দেশের নেতারা।</p>
<p>ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা জানান, ইইউ আন্তর্জাতিক আইন ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভূখণ্ড রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাবে এরই মধ্যে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছান জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সামরিক সদস্যরা। ডেনমার্কের অনুরোধে চলতি সপ্তাহে সীমিত সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26244/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26239</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26239#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 16:44:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26239</guid>

					<description><![CDATA[ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাতের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্র অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। অভিযানের পরও সেই যোগাযোগ বজায় রয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের বরাতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাতের তথ্য ফাঁস হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্র অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। অভিযানের পরও সেই যোগাযোগ বজায় রয়েছে।</p>
<p>শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাবেলোর সঙ্গে সরাসরি ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা করেন। ওই সময় কাবেলোর নিয়ন্ত্রণাধীন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যেন বিরোধীদের লক্ষ্য করে সহিংসতায় না নামে তা নিয়ে তাকে সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র।</p>
<p>রয়টার্সের জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারির অভিযানের পর থেকে ভেনেজুয়েলার গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর মূলত কাবেলোরই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যে মাদক পাচার সংক্রান্ত অভিযোগপত্রকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিল, সেই একই অভিযোগপত্রে কাবেলোর নামও রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তাকে আটক করা হয়নি।</p>
<p>সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের শুরু থেকেই এই যোগাযোগ চলছিল এবং মাদুরোকে আটকের আগের কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটন।</p>
<p>রয়টার্স লিখেছে, আগে কখনো প্রকাশ না হওয়া এই যোগাযোগ ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা ছিল, কাবেলো যদি তার নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনী মাঠে নামান, তাহলে দেশটিতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কাবেলোর আলোচনার পরিসর কতটা বিস্তৃত ছিল, কিংবা কাবেলো যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা মেনে চলছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। কেননা কাবেলো প্রকাশ্যে দেলসি রদ্রিগেজের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>দিওসদাদো কাবেলো দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলার দ্বিতীয় সর্বাধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো স্যাভেজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং পরে নিকোলাস মাদুরোর অন্যতম প্রধান অনুগতে পরিণত হন। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দমন-পীড়নের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ধরিয়ে দিতে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করলেও কাবেলো এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26239/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
