<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থনীতি &#8211; skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/archives/category/%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Sun, 18 Jan 2026 15:55:53 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>
	<item>
		<title>জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে প্রবাসী আয় ২২ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26302</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26302#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 15:55:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে প্রবাসী আয় ২২ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26302</guid>

					<description><![CDATA[চলতি জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১৮৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২২ হাজার ৭৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)।এর মধ্যে গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১৮৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২২ হাজার ৭৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)।এর মধ্যে গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।</p>
<p>রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>আরিফ হোসেন খান বলেন, গত বছরের জানুয়ারি প্রথম ১৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১১৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। এ সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৩০ শতাংশ।</p>
<p>অন্যদিকে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৮১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই প্রবাসী আয় এসেছিল এক হাজার ৪৯৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26302/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৭৪ কোটি টাকা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26281</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26281#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 09:44:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৭৪ কোটি টাকা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26281</guid>

					<description><![CDATA[সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগেরই দর বেড়েছে। টাকার অংকে বেড়েছে লেনদেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৭৬ দশমিক ২০ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগেরই দর বেড়েছে। টাকার অংকে বেড়েছে লেনদেন।</p>
<p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৭৬ দশমিক ২০ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩৫ পয়েন্টে।</p>
<p>এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১৩ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বেড়েছে ১ হাজার ০৯ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ২৬ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বেড়েছে ১ হাজার ৯৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।</p>
<p>আজ ডিএসইতে ৪৭৪ কোটি ০৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা।</p>
<p>এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৯ টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৯০ টি কোম্পানির, বিপরীতে ৪২ টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৫৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26281/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন ৩৭৯ কোটি টাকা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26069</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26069#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 09:52:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় আরও কমলো লেনদেন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26069</guid>

					<description><![CDATA[সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগেরই দর কমেছে। তবে টাকার অংকে সামান্য বেড়েছে লেনদেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৭ দশমিক ৫২ পয়েন্ট কমেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগেরই দর কমেছে। তবে টাকার অংকে সামান্য বেড়েছে লেনদেন।</p>
<p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৭ দশমিক ৫২ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৫৮ পয়েন্টে।</p>
<p>এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমেছে ৯৯৫ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৪ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বেড়েছে ১ হাজার ৯১২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।</p>
<p>আজ ডিএসইতে ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৩৬৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।</p>
<p>এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯০ টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০২ টি কোম্পানির, বিপরীতে ২২০ টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26069/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26056</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26056#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 08:18:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26056</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে এবং আগামী দুই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির অর্থনীতির শক্তিশালী সম্ভাবনার কারণে আংশিকভাবে পূর্বাভাস সংশোধন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশে উন্নীত হবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে ৬ দশমিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে এবং আগামী দুই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। </p>
<p>দেশটির অর্থনীতির শক্তিশালী সম্ভাবনার কারণে আংশিকভাবে পূর্বাভাস সংশোধন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশে উন্নীত হবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছাবে।</p>
<p>এই ঊর্ধ্বমুখী সংশোধনের পেছনে রয়েছে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ফলে ব্যক্তিগত ভোগ বৃদ্ধি, শক্তিশালী শিল্প কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রত্যাশা।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে সাধারণ নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা হ্রাস এবং নতুন সরকারের মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিল্প সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।</p>
<p>এছাড়া, এসব কারণে সরকারি ব্যয় ও বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধিও পূর্বাভাসের তুলনায় দ্রুততর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের জুন মাসের পূর্বাভাসের তুলনায় ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধি ০.৩ শতাংশ পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে। </p>
<p>বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার তুলনায় বেশি স্থিতিস্থাপকতা দেখাচ্ছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমে ২.৬ শতাংশে নামবে এবং ২০২৭ সালে তা সামান্য বেড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাবে। </p>
<p>তবে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে, বর্তমান পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে ২০২০-এর দশকটি ১৯৬০-এর দশকের পর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির দিক থেকে সবচেয়ে দুর্বল দশক হয়ে উঠতে পারে।</p>
<p>প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রত্যাশিত নীতিগত পরিবর্তনের আগে বাণিজ্যে অগ্রিম তৎপরতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে দ্রুত সমন্বয়ের ফলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি সহায়তা পেয়েছিল। কিন্তু এসব সাময়িক প্রণোদনা ২০২৬ সালে কমে যাবে, কারণ বাণিজ্য গতি শ্লথ হবে এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হবে।</p>
<p>তবে বৈশ্বিক আর্থিক অবস্থার শিথিলতা এবং কয়েকটি বড় অর্থনীতিতে রাজস্ব সম্প্রসারণ এই মন্দা কিছুটা সামাল দিতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে কমে ২ দশমিক ৬ শতাংশে নামবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যার পেছনে শ্রমবাজারের শীতলতা এবং জ্বালানির দাম কমার ভূমিকা রয়েছে।</p>
<p>বাণিজ্য প্রবাহে সমন্বয় এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা কমলে ২০২৭ সালে আবার প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন অর্থনীতিবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইন্ডারমিত গিল বলেন, ‘প্রতিটি বছর পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি সৃষ্টিতে কম সক্ষম হলেও নীতিগত অনিশ্চয়তার প্রতি যেন আরও স্থিতিস্থাপক হয়ে উঠছে।’</p>
<p>তিনি সতর্ক করে বলেন, ধীরগতির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি ঋণের রেকর্ড উচ্চমাত্রা যুক্ত হলে তা সরকারি অর্থব্যবস্থা ও ঋণবাজারে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রাজস্ব চাপ বাড়ছে, যেখানে সরকারি ঋণ গত অর্ধশতকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক গ্রুপের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ ও প্রসপেক্টস গ্রুপের পরিচালক এম আয়হান কোসে বলেন, ‘উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে সরকারি ঋণ গত অর্ধশতকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোয় রাজস্ব বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার এখন জরুরি অগ্রাধিকার।’</p>
<p>তিনি বলেন, সঠিকভাবে নকশা করা রাজস্ব বিধি ঋণ স্থিতিশীল করতে ও নীতিগত সুরক্ষা পুনর্গঠনে সহায়তা করতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, বিশ্বাসযোগ্য বাস্তবায়ন এবং টেকসই রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ওপর।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26056/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএনপির কাছে ২০ আসন চায় এনসিপি, চায় মন্ত্রিসভায়ও হিস্যা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26005</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26005#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 09:25:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[চায় মন্ত্রিসভায়ও হিস্যা]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপির কাছে ২০ আসন চায় এনসিপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26005</guid>

					<description><![CDATA[আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে এককভাবে নির্বাচন করতে প্রস্তুত জাতীয় নাগরিক পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলেও আসন সমঝোতায় বিএনপির সঙ্গে এনসিপির অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে বলে দেশের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। উভয় দলের একাধিক সূতের বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপির [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে এককভাবে নির্বাচন করতে প্রস্তুত জাতীয় নাগরিক পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলেও আসন সমঝোতায় বিএনপির সঙ্গে এনসিপির অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে বলে দেশের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।</p>
<p>উভয় দলের একাধিক সূতের বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে এনসিপির অনানুষ্ঠাকিভাবে যোগাযোগ চলছে। এনসিপি ২০ আসন সমঝোতা করতে চায়।</p>
<p>তার মধ্যে ঢাকায় চারটি আসন চাচ্ছে দলটি। দুই দলের মধ্যে বোঝাপড়া হলে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিএনপি প্রয়োজনে প্রার্থী তুলে নেবে। এ ছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মন্ত্রিসভায়ও হিস্যা চায়।</p>
<p>বিএনপির একটি সূত্র বলছে, কেবল আসন সমঝোতা নয়, এনসিপির নেতারা নিজেদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার বিষয়ে একটা নিশ্চয়তা চান।</p>
<p>তারা বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এনসিপি থেকে তিনজনকে মন্ত্রী করার কথাও অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তুলেছেন। বিএনপির দিক থেকে স্পষ্ট করে এখনো কিছু জানানো হয়নি। তবে বিএনপি চায় না এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে কোনো নির্বাচনী জোটে বা সমঝোতায় যাক।</p>
<p>এনসিপি-সংশ্লিষ্ট কোনো কোনো সূত্র জানায়, এনসিপির ব্যাপারে জামায়াতেরও আগ্রহ রয়েছে।</p>
<p>জামায়াত বিএনপির চেয়েও বেশি ছাড় দিতে চায়। কিন্তু এনসিপির নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কারও কারও মত হচ্ছে, নতুন এই দলটি ‘ডানপন্থী’ তকমা গায়ে লাগাতে চাইছে না। তারা নিজেদের মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত করতে আগ্রহী।</p>
<p>এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, ‘এই মুহূর্তে এনসিপি নির্বাচনী জোট নিয়ে চিন্তা করছে না। অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।</p>
<p>আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। নির্বাচনী আবহটাকে আমরা সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য কাজে লাগাচ্ছি।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা এককভাবেই নির্বাচন করতে চাই। কোনো জোট বা সমঝোতা হয় কি না, তা দেখার জন্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বা এর শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’</p>
<p>এদিকে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতা নিয়ে ২ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মৌলিক দাবিগুলোর সঙ্গে যারা কাছাকাছি আছে, এ রকম দলের সঙ্গে আমাদের যদি ঐক্যবদ্ধ হতে হয় বা কোনো ধরনের সমঝোতায় যেতে হয়, তাহলে সেটা আমরা বিবেচনায় রাখব।’</p>
<p>বুধবার নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত হয়ে মৃত্যুবরণকারী শহীদ গাজী সালাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, তার দল ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে এবং তারা এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত। তবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেসব আসন থেকে প্রার্থী হবেন, এনসিপি সেসব আসনে প্রার্থী নাও দিতে পারে।</p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের সংস্কার আর জুলাই সনদের দাবির সঙ্গে কোনো দল সংহতি প্রকাশ করলে জোটের ব্যাপারটা বিবেচনা করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26005/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন ৪৫১ কোটি টাকা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25988</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25988#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 12:56:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25988</guid>

					<description><![CDATA[দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানি এবং ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটদর। তবে বেড়েছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২ দশমিক ৭২ পয়েন্ট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানি এবং ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটদর। তবে বেড়েছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ।</p>
<p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২ দশমিক ৭২ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৪ পয়েন্টে।</p>
<p>এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭১ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৪ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।</p>
<p>আজ ডিএসইতে ৪৫১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৩৯৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা।</p>
<p>এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৪টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৯৯টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25988/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় বেড়ে লেনদেন</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25942</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25942#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 09:22:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25942</guid>

					<description><![CDATA[দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানি এবং ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটদর। তবে টাকার অংকে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২২ দশমিক ২৬ পয়েন্ট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানি এবং ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটদর। তবে টাকার অংকে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।</p>
<p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২২ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৯ পয়েন্টে।</p>
<p>এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৩ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৭ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ০৩ দশমিক ০৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।</p>
<p>আজ ডিএসইতে ৪৭৮ কোটি ০১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৩৯৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।</p>
<p>এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৮০টি কোম্পানির, বিপরীতে ২৪১টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৭২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25942/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় আরও কমলো লেনদেন</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25856</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25856#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 11:13:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় আরও কমলো লেনদেন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25856</guid>

					<description><![CDATA[সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। সেই সাথে আজও টাকার অংকে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। সেই সাথে আজও টাকার অংকে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।</p>
<p>ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>সূত্র মতে, এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ১১৯ পয়েন্টে।</p>
<p>এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৫ দশমিক ০৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৬ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ০ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।</p>
<p>আজ ডিএসইতে ৪৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৪৮৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা।</p>
<p>এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৪টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৭৯টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25856/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রভাব পড়বে পণ্যের দামে সুফল পাবে বিদেশিরা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25841</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25841#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 04:28:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রভাব পড়বে পণ্যের দামে সুফল পাবে বিদেশিরা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25841</guid>

					<description><![CDATA[বন্দর ব্যবহারকারীদের আপত্তি সত্ত্বেও এক মাস স্থগিত রাখার পর বিভিন্ন সেবার বিপরীতে গড়ে ৪১ শতাংশ হারে অতিরিক্ত মাশুল আদায় করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এই মাশুলের বড় অংশ আদায় করা হবে শিপিং লাইন থেকে। একাংশ পরিশোধ করবে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা। শিপিং লাইন বন্দরের বাড়তি খরচ তুলে নেবে আমদানিকারক-রপ্তানিকারকের কাছ থেকে। আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক বাড়তি খরচ পণ্যের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বন্দর ব্যবহারকারীদের আপত্তি সত্ত্বেও এক মাস স্থগিত রাখার পর বিভিন্ন সেবার বিপরীতে গড়ে ৪১ শতাংশ হারে অতিরিক্ত মাশুল আদায় করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এই মাশুলের বড় অংশ আদায় করা হবে শিপিং লাইন থেকে। একাংশ পরিশোধ করবে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা। শিপিং লাইন বন্দরের বাড়তি খরচ তুলে নেবে আমদানিকারক-রপ্তানিকারকের কাছ থেকে।</p>
<p>আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক বাড়তি খরচ পণ্যের দামে যুক্ত করবে। এদিকে এরই মধ্যে এবার ৭০ শতাংশ সারচার্জ সমন্বয় করবে শিপিং সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলো, এমনটাই জানিয়েছে শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে, নতুন মাশুল কার্যকরের পর দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে ব্যয়বহুল বন্দরে পরিণত হবে চট্টগ্রাম বন্দর।</p>
<p>বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, এ সারচার্জ বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে চট্টগ্রাম বা দেশের অন্য যে কোনো স্থানে পরিশোধ করতে হবে। বিদেশি প্রিন্সিপালরা বাধ্য হবে অন্য অঞ্চলের বন্দর ব্যবহার করতে, যার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ আসার হার কমবে। অতিরিক্ত খরচ আমদানির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং রপ্তানিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতাহীন করে তুলবে।</p>
<p>চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক কালবেলাকে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফ বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসা কয়েকটি জাহাজ সেই নতুন ট্যারিফের আওতাভুক্ত হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফবলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ৪১ শতাংশ ট্যারিফ কার্যকর করেছে। শুধু শিপিং সেক্টর নয়, এর সঙ্গে অনেক বডি জড়িত। কেউ তো এই বর্ধিত টাকা নিজের পকেট থেকে দেবে না। সুতরাং শিপিং সেক্টরে সার্বিকভাবে ৭০ শতাংশ সারচার্জ সমন্বয় করতে যাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদেরই পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p>নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান বরাবর গত ৫ অক্টোবর একটি চিঠি লেখে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। সেখানে বলা হয়েছে, বর্তমানে একটি ১৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজের জন্য টাগ ভাড়া ২ হাজার ৯০৭ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার (১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ)। নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, একই জাহাজের জন্য টাগ ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে ১৫ হাজার ৭০৯ ডলার, ভ্যাটসহ যা ৫০০ শতাংশের বেশি। এত বড় বৃদ্ধির নজির নেই এবং এটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পের জন্য অর্থনৈতিকভাবে টেকসই নয়। নতুন ট্যারিফ তালিকায় সামগ্রিকভাবে প্রায় ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যা কোনোভাবেই যৌক্তিক বা গ্রহণযোগ্য নয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বেশিরভাগ ট্যারিফ আইটেম সরাসরি শিপিং লাইনের বহনযোগ্য খরচ।</p>
<p>এদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত কনটেইনার পরিবহন সংস্থা মেডিটেরানিয়ান শিপিং কোম্পানি (এমএসসি) বাংলাদেশ থেকে আমদানি-রপ্তানি করা সব ধরনের পণ্য পরিবহনের ওপর সারচার্জ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। পোর্ট কস্ট রিকভারি সারচার্জ (পিসিআর) আরোপ করা হচ্ছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এমএসসি দুই ধাপে এই সারচার্জ কার্যকর করবে। এর মধ্যে ১৬ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এবং বাংলাদেশে সব গন্তব্য ও উৎসের (যুক্তরাষ্ট্র ও দূরপ্রাচ্য ছাড়া) চালানের ক্ষেত্রে সারচার্জ কার্যকর হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১০ নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিমুখী ও যুক্তরাষ্ট্রগামী এবং বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব চালানের ক্ষেত্রে সারচার্জ কার্যকর করা হবে।</p>
<p>বাড়তি মাশুলের কারণে বন্দর খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন শিপিং লাইনগুলোও বন্দরের চেয়ে আরও বেশি হারে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘোষণা দিতে শুরু করেছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার ডেনমার্কভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানি মায়ের্সক লাইন চার্জ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ মাশুল বাড়ানোর কারণে কোম্পানিটির খরচ বাড়ায় নতুন হারের কথা জানিয়ে অনলাইনে ঘোষণা দেয়।</p>
<p>মায়ের্সক লাইনের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০ ফুট কনটেইনারে কোম্পানিটি টার্মিনাল হ্যান্ডলিং চার্জ বা টিএইচসি আগে আদায় করত ১২০ ডলার। বুধবার থেকে আদায় শুরু হয়েছে ১৬৫ ডলার। এ হিসাবে প্রতিটি কনটেইনারে ৪৫ ডলার বাড়িয়েছে তারা। তবে ৪০ ফুট লম্বা কনটেইনারে এই চার্জ ২০৫ থেকে ৩১০ ডলার বাড়িয়েছে।</p>
<p>এর আগে ৭ অক্টোবর সিএমএ সিজিএম, সিএনসি ও এএনএল—এই তিন লাইন ২৬ অক্টোবর থেকে ২০ ফুট লম্বা কনটেইনারে ৪৫ ডলার বাড়তি সারচার্জ আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে।</p>
<p>কোম্পানির ওয়েবসাইটে দেওয়া ঘোষণায়, কনটেইনারভেদে আমদানি-রপ্তানিতে এই সারচার্জ আরোপ করা হয়। প্রতিটি সাধারণ কনটেইনারের বিপরীতে সারচার্জ ১০০ ডলার, রিফার কনটেইনারের জন্য ১৫০ ডলার, ওওজি (আউট অব গেস) কনটেইনারের জন্য ১৫০ ডলার এবং আইএমও কনটেইনারের জন্য ২০০ ডলার সারচার্জ আরোপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি ও কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান বলেন, বাড়তি মাশুলের কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে। রপ্তানি খাতে একটা অংশ ক্রেতারা দিলেও দিন শেষে এটা পণ্যের দামের সঙ্গে হিসাব হবে। বিদেশি ক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে চাইবে না। তাহলে রপ্তানিকারকদের বোঝা বহন করতে হবে। রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে পোশাকের কার্যাদেশ নেওয়া যাবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25841/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আইএমএফের প্রতিবেদন: প্রবৃদ্ধিতে পিছিয়ে মূল্যস্ফীতিতে এগিয়ে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25832</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25832#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 02:26:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[আইএমএফের প্রতিবেদন: প্রবৃদ্ধিতে পিছিয়ে মূল্যস্ফীতিতে এগিয়ে বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25832</guid>

					<description><![CDATA[মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে চড়া মূল্যস্ফীতির হারে এগিয়েছে। ২০২০ সালের করোনা মহামারির আঘাত এবং এর পরবর্তী সময়ে সারা বিশ্বেই অর্থনৈতিক মন্দা ছোবল দেয়। সেসব আঘাত থেকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশই ঘুরে দাঁয়। তবে বাংলাদেশ এখনো পারেনি দাঁড়াতে। পাঁচ বছর পরও চড়া মূল্যস্ফীতি ও নিম্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে চড়া মূল্যস্ফীতির হারে এগিয়েছে। ২০২০ সালের করোনা মহামারির আঘাত এবং এর পরবর্তী সময়ে সারা বিশ্বেই অর্থনৈতিক মন্দা ছোবল দেয়। সেসব আঘাত থেকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশই ঘুরে দাঁয়। তবে বাংলাদেশ এখনো পারেনি দাঁড়াতে। পাঁচ বছর পরও চড়া মূল্যস্ফীতি ও নিম্ন জিডিপির প্রবৃদ্ধির গতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।</p>
<p>মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ভুটানের ৭ দশমিক ৪ শতাংশ, ভারতের ৬ দশমিক ২ শতাংশ, নেপালের ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম। দেশটির প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি।</p>
<p>আইএমএফ বাংলাদেশের সমান প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জন্য। দেশটির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।</p>
<p>দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেশি হবে। এর মধ্যে রয়েছে মালদ্বীপ। তাদের প্রবৃদ্ধির পূর্ভাবাস দেওয়া হয়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ, শ্রীলংকায় গত বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের কোনো পূর্ভাবাস দেয়নি আইএমএফ। কারণ এর আগে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল। এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।</p>
<p>এদিকে আইএমএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার এখনো বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি- ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। পূর্বাভাস বলছে, চলতি অর্থবছরে ভুটানের মূল্যস্ফীতি হবে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, ভারতের ৪ শতাংশ, মালদ্বীপের ২ দশমিক ৫ শতাংশ, নেপালের ৪ দশমিক ২ শতাংশ।</p>
<p>শ্রীলংকায় গত অর্থবছর মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১ দশমিক ২ শতাংশ। চলতি বছরে দেশটিতে কোনো মূল্যস্ফীতি নাও হতে পারে। মালদ্বীপ ও নেপাল জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারে বাংলাদেশের তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও মূল্যস্ফীতির লাগাম টানায় এগিয়ে রয়েছে।</p>
<p>প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনামের মূল্যস্ফীতি হবে ৩ দশমিক ২ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়ার ২ দশমিক ৯ শতাংশ, যা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক কম।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25832/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
