<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অপরাধ &#8211; skynews24.net</title>
	<atom:link href="https://skynews24.net/archives/category/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://skynews24.net</link>
	<description>স্কাইনিউজ২৪</description>
	<lastBuildDate>Sat, 17 Jan 2026 14:54:16 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>
	<item>
		<title>প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসান ও ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26226</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26226#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 14:54:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসান ও ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26226</guid>

					<description><![CDATA[সওজে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)-এর শীর্ষ পর্যায়ে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সওজের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসান এবং ফেনী জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা। নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন গ্রহণ, কোটি কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন, বিদেশে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সওজে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ</p>
<p>সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)-এর শীর্ষ পর্যায়ে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সওজের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসান এবং ফেনী জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা। নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন গ্রহণ, কোটি কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন, বিদেশে অর্থ পাচার এবং প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলোর নজরে বিষয়টি এসেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সওজের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বদলি ও পোস্টিং নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পদায়ন করা হয় এবং এর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়। অভিযোগ রয়েছে, ফেনী জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা এই সিন্ডিকেটেরই একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। কুমিল্লা থেকে ফেনীতে পোস্টিং পেতে তিনি বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নিজস্ব বলয় তৈরি করে সওজের ফেনী কার্যালয় কার্যত নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন।</p>
<p>স্থানীয় ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ফেনীতে সড়ক নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পেতে হলে নির্বাহী প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠ হতে হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া, নিম্নমানের কাজেও বিল ছাড় এবং অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে সুনীতি চাকমা অল্প সময়ের মধ্যেই অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p>সুনীতি চাকমার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশে তিনি অর্থ পাচার করেছেন এবং সেই অর্থ দিয়ে বাড়ি ও সম্পদ ক্রয় করেছেন। তার সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনা করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তার আয়-ব্যয়ের সঙ্গে দৃশ্যমান সম্পদের কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি, তবে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>দুর্নীতি দমন কমিশন সুনীতি চাকমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেলেও, সেই তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়াকে ধীরগতির করতে এবং প্রভাবিত করতে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে সময় ক্ষেপণের কৌশল নিচ্ছেন।</p>
<p>এই পুরো ঘটনার সঙ্গে সওজের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসানের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুতর আকার ধারণ করেছে। অভিযোগ রয়েছে, সুনীতি চাকমার উত্থানের পেছনে প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসানের প্রত্যক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয় রয়েছে। তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়েই সুনীতি চাকমা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।</p>
<p>সৈয়দ মাইনুল হাসান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি বুয়েটের ছাত্র থাকাকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সদস্য হন এবং ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ২০২২ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের প্যানেল থেকে নির্বাচন করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সেন্ট্রাল কাউন্সিল মেম্বার নির্বাচিত হন। তার এই রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয় তাকে প্রশাসনের ভেতরে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।</p>
<p>১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে সৈয়দ মাইনুল হাসান ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান। ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ চাকরি জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৩ সালের ২ জুলাই তিনি সওজের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পান। অভিযোগ রয়েছে, এই পদে থাকার সময় তিনি নিজের অনুগত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পদায়ন করেছেন এবং অনিয়ম-দুর্নীতির একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন।</p>
<p>বিশ্বস্ত সূত্রগুলো বলছে, সুনীতি চাকমার মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ অর্থের একটি বড় অংশ বিদেশে পাচারের পরিকল্পনায় সৈয়দ মাইনুল হাসান অবগত ছিলেন এবং পরোক্ষভাবে এতে সহায়তা করেছেন। যদিও এই অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন, তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বিদেশে পাচার বা বেনামে হস্তান্তর করা হতে পারে।</p>
<p>উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অতীতে সওজ ও অন্যান্য দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হলেও সৈয়দ মাইনুল হাসান এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—শীর্ষ পর্যায়ের এই কর্মকর্তারা কি আইনের ঊর্ধ্বে? সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিক সময়ে গ্রেফতার ও সম্পদ জব্দ করা না গেলে তদন্ত কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়তে পারে।</p>
<p>এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে একাধিকবার প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান। কখনো সাক্ষাৎকার দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, আবার অনেক সময় ফোন রিসিভও করেননি। একইভাবে সুনীতি চাকমার পক্ষ থেকেও অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনগুলোর দাবি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও দুর্নীতি হলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।</p>
<p>এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ভূমিকার দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে দেশবাসী। তদন্তের অগ্রগতি ও নতুন তথ্য জানাতে পাঠকদের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।<br />
Tag : </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26226/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণপূর্ত অধিদপ্তরের দুর্নীতির মহানায়ক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম! (পর্ব-১)</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26053</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26053#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 07:41:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[গণপূর্ত অধিদপ্তরের দুর্নীতির মহানায়ক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম! (পর্ব-১)]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26053</guid>

					<description><![CDATA[বলা হয়,দেশের অবকাঠামো এবং নির্মান খাতের উন্নয়নের মেরুদণ্ড হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। কিন্তু যুগের পর যুগ চলে গেলেও, সরষের ভিতরের ভূত রয়েই গেছে। দুর্নীতি আর গণপূর্ত যেন এক অপরের পরিপূরক। কারন গণপূর্ত অধিদপ্তরে আছেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের মত কর্মকর্তারা। কেননা তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার-বদলি বাণিজ্য ও ভুয়া বিল–ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বলা হয়,দেশের অবকাঠামো এবং নির্মান খাতের উন্নয়নের মেরুদণ্ড হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। কিন্তু যুগের পর যুগ চলে গেলেও, সরষের ভিতরের ভূত রয়েই গেছে। দুর্নীতি আর গণপূর্ত যেন এক অপরের পরিপূরক। কারন গণপূর্ত অধিদপ্তরে আছেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের মত কর্মকর্তারা। কেননা তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার-বদলি বাণিজ্য ও ভুয়া বিল–ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ না হতেই অগ্রীম বিল প্রদান, অস্বাভাবিক এবং বানোয়াট বিজ্ঞাপন ব্যয়, আরবরিকালচারসহ একাধিক বিভাগ থেকে সুপরিকল্পিতভাবে সরকারি অর্থ লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বলা যায় একেবারে অনিয়মে সিদ্ধহস্ত।</p>
<p><strong>অসম্পন্ন কাজের পূর্ণ বিল দিয়ে বিপুল অঙ্কের ‘ওটিএম কেলেঙ্কারি’:</strong></p>
<p>প্রতিবেদকের হাতে আসা নথি ও অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–২ এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম সানাউল্লাহর মাধ্যমে আওয়ামী পন্থী আই বি বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক<br />
মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তার পছন্দের ঠিকাদারকে ওপেন টেন্ডার মেথডে নিয়ম ভেঙ্গে কয়েকটি কাজ দেন। এসব কাজ এখনো অসমাপ্ত থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবেই সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।</p>
<p>অভিযোগে উল্লেখিত কাজগুলোর আইডি:<br />
997828, 997827, 997826, 997825, 995647, 994880, 994647, 994646, 994817, 994818,</p>
<p>অভিযোগনামা ও নথি বলছে, এসব আইডি তদন্ত করলেই কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাবে।</p>
<p>টেন্ডার বাণিজ্যে ‘অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেট’:</p>
<p>তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে গত ১০ বছরে বিপুল অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। তিনি সদ্য সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করেছেন। যা এখনও বহাল আছে।</p>
<p>সূত্র বলছে, ২০২৪ সালে ২৯ ডিসেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি এলটিএম বাদ ২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ওটিএমে দরপত্র আহ্বান করে নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। অনিয়ম হওয়া ওই দরপত্রগুলোর আইডি:</p>
<p>1056148, 1057945, 1056137, 1056138, 1056145, 1057947, 1057196, 1056073, 1057101, 1018075।<br />
<strong><br />
আরবরিকালচার বিভাগে ভুয়া বিল, গাছ বিক্রি, বানোয়াট বিজ্ঞাপন বিল:</strong></p>
<p>মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তার অনুসারী কর্মকর্তার মাধ্যমে ভুয়া ফুলগাছ রোপণ বিল, বিজ্ঞাপনে অনিয়ম,ভুয়া ভাউচারে অর্থ উত্তোলন করে বিপুল সরকারি অর্থ আত্মসাত করেছেন।</p>
<p>এছাড়া ঢাকার এক বিভাগ হতে অন্য বিভাগে এবং ঢাকার বাহিরে দুর্নীতির দায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার হওয়া দুর্নীতির বরপূত্র আখ্যা পাওয়া একদল নির্বাহী প্রকৌশলী এই ইঞ্জিনিয়ার মনিরুলের শাগরেদ। এদের সিংহভাগের বদলি হলেও নানা কায়দায় তাদের সহযোগিতায়ই লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।</p>
<p>গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তার বিরুদ্ধে আসা প্রত্যেকটি অভিযোগ সত্য এবং গুরুতর। শুধু তাই নয় যথাযথ তদন্ত হলে সরকারি অর্থ লুটপাটের বড় সিন্ডিকেট উন্মোচিত হতে পারে।</p>
<p>তবে এইসব বিষয়ে মনিরুলকে সশরীরে তার অফিসে কিংবা মুঠোফোনে যোগাযোগ করার একাধিকবার চেষ্টা করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।</p>
<p>(পরবর্তী পর্বে বিস্তারিত)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26053/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণপূর্তের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওমর ফারুক দুর্নীতি অনিয়ম করে কোটিপতি</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26042</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26042#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 13:26:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[গণপূর্তের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওমর ফারুক দুর্নীতি অনিয়ম করে কোটিপতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26042</guid>

					<description><![CDATA[নানান দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগের পরেও বহাল তবিয়তে আজিমপুর গণপূর্তের উপ বিভাগ-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ওমর ফারুক খোদ রাজধানীতেই গড়েছেন কোটি টাকার সম্পদ। আজিমপুর গণপূর্তের উপ বিভাগ-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ওমর ফারুকে’র পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকায় বাসা নং- ২৭২, ফ্ল্যাট নং-সি-৫ জাফরাবাদে একটি আলিশান ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যার বাজার মূল্য কোটি টাকার উপরে। একজন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নানান দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগের পরেও বহাল তবিয়তে আজিমপুর গণপূর্তের উপ বিভাগ-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ওমর ফারুক খোদ রাজধানীতেই গড়েছেন কোটি টাকার সম্পদ।</p>
<p>আজিমপুর গণপূর্তের উপ বিভাগ-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ওমর ফারুকে’র পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকায় বাসা নং- ২৭২, ফ্ল্যাট নং-সি-৫ জাফরাবাদে একটি আলিশান ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যার বাজার মূল্য কোটি টাকার উপরে।</p>
<p>একজন দশম গ্রেডের কর্মকর্তার জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী যদি ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা হয় তাহলে কিভাবে তিনি এই আলীশান ফ্ল্যাট কিনলেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। একজন ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তার যদি ধানমন্ডির মতো জায়গায় ফ্লাট কিনতে পারেন তাহলে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা কি করছেন তা এখন ভাবার বিষয়?</p>
<p>মো: ওমর ফারুকে’র আরও একটি রেকর্ড আছে ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সালের জুলাই এর মধ্যে তাকে ৫ বার বদলী করা হয়। পরে শেরেবাংলা নগর থেকে আজিমপুরে বদলীর পর অদ্যাবদি পর্যন্ত আছেন।</p>
<p>এ ব্যাপারে কথা বলতে আজিমপুর গণপূর্তের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওমর ফারুকের অফিসে গেলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।</p>
<p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে এক কর্মচারী জানান, স্যার তো তার প্রয়োজন ছাড়া অফিসে আসেননা।</p>
<p>পরে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।</p>
<p>সুত্র: newsbureauofbangladesh.com</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26042/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হত্যা মামলার আসামি হয়েও দাপটে বহাল: গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/26014</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/26014#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Jan 2026 10:41:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা মামলার আসামি হয়েও দাপটে বহাল: গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=26014</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. আহসান হাবীব—এমন তথ্য উঠে এসেছে একাধিক গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তা দুর্নীতি, অনিয়ম এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক : সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. আহসান হাবীব—এমন তথ্য উঠে এসেছে একাধিক গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তা দুর্নীতি, অনিয়ম এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি একাধিক হত্যা মামলার আসামিও তিনি।</p>
<p>অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে যোগদানের পর থেকেই প্রকৌশলী আহসান হাবীবের প্রভাব বাড়তে থাকে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে অধিকাংশ উন্নয়ন কাজের দরপত্র নিজ পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এমনকি তার বিরুদ্ধে বিদেশে শতকোটি টাকা পাচারের অভিযোগও রয়েছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় একসময় তার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের প্রমাণও পেয়েছিল বলে জানা গেছে।</p>
<p>গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আহসান হাবীব আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। বিভাগে তার নিজস্ব একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। তার বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হলে তা দ্রুত ‘ম্যানেজ’ করার ব্যবস্থাও তিনি করে থাকেন।</p>
<p>আরও জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পক্ষে অর্থ ও রসদ সরবরাহ করেছিলেন আওয়ামী লীগ আমলের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত আহসান হাবীব এখনো বহাল তবিয়তে কর্মস্থলে রয়েছেন। তিনি রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার আসামি, যার মামলা নম্বর ৮৭৪। ওই মামলায় তিনি ৭০ নম্বর আসামি।</p>
<p>মামলার নথি অনুযায়ী, কে এম শাহরিয়ার শুভ বাদী হয়ে গত ৩১ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আহসান হাবীবসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করার আবেদন করেন। আদালত পল্টন মডেল থানাকে একই ধরনের আর কোনো মামলা আছে কি না—সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন এবং পরে আবেদনটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।</p>
<p>পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একই ঘটনায় এর আগেও পল্টন মডেল থানায় আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে একই অভিযুক্তদের নাম রয়েছে। ওই মামলাটি ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।</p>
<p>সূত্র জানায়, হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পর থেকেই মামলার বাদীর ওপর চাপ সৃষ্টি ও আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা চালাচ্ছেন আহসান হাবীব। অভিযোগ রয়েছে, এই মীমাংসা প্রক্রিয়ায় প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকেও ভূমিকা রাখা হচ্ছে।</p>
<p>গণপূর্ত অধিদপ্তরের আরেক কর্মকর্তা বলেন, আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় আহসান হাবীব নিজেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে মনে করেন। ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত অর্থের জোরে মামলা থেকে নিজের নাম বাদ দিতে সক্ষম হবেন—এমন বিশ্বাস তার রয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য আহসান হাবীবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/26014/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু প্রকল্পে লুটপাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজি নন উপদেষ্টা রিজওয়ানা</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25505</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25505#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 04:37:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[জলবায়ু প্রকল্পে লুটপাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজি নন উপদেষ্টা রিজওয়ানা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25505</guid>

					<description><![CDATA[বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বিশ্বের যে কয়েকটি দেশ রয়েছে চরম ঝুঁকিতে, তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। অথচ সরকার, দাতা দেশ ও সংস্থা কর্তৃক বরাদ্দ তহবিল নিয়ে বছরের পর বছর ধরে এ খাতে চলছে প্রায় অবাধ লুটপাট, তহবিল তছরুপ, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি সর্বোপরি স্বেচ্ছাচারিতা। টিআইবিসহ একাধিক সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদন এবং গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে বিভিন্ন সময়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বিশ্বের যে কয়েকটি দেশ রয়েছে চরম ঝুঁকিতে, তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। অথচ সরকার, দাতা দেশ ও সংস্থা কর্তৃক বরাদ্দ তহবিল নিয়ে বছরের পর বছর ধরে এ খাতে চলছে প্রায় অবাধ লুটপাট, তহবিল তছরুপ, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি সর্বোপরি স্বেচ্ছাচারিতা। টিআইবিসহ একাধিক সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদন এবং গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে বিভিন্ন সময়ে বেরিয়ে এসেছে এসব লুটপাটের ভয়াবহ চিত্র। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ও লুটেরা ড. হাছান মাহমুদ পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে ভয়াবহ রকমের লুটপাট হয় জলবায়ু প্রকল্পের অর্থ। সেই ধারা শেখ হাসিনা সরকারের শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। টিআইবির এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো কোনো জলবায়ু প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ আত্মসাত হয়েছে। এভাবে বিগত সময়ে হাজার কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের অর্থ দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা, এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পকেটে ঢুকেছে। টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার জন্য এনজিওগুলোকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এনজিওগুলো এভাবে অগ্রিম ঘুষ দিয়ে বরাদ্দ এনে বাকি প্রায় পুরোটাই আত্মাসাত করেছে অনেক ক্ষেত্রে। এই খাতে বরাদ্দের সিংহভাগই বিদেশ থেকে নেয়া ঋণের অর্থ। যা সাধারণ জনগণের ওপর চাপছে। গবেষণা সংস্থা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের নাগরিকদের মাথাপিছু জলবায়ু ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৬ মার্কিন ডলার।</p>
<p>ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শুরুতেই পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পড়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের হাতে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আশা করা হয়েছিল, উপদেষ্টা রিজওয়ানা অত্যন্ত সিরিয়াস থাকবেন এ বিষয়ে। জলবায়ু প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিগত সময়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের একটা সুরাহা হবে। লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে তিনি ব্যবস্থা নেবেন। মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম নেয়া হবে। উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে বিগত সময়ে নেয়া প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নকাজ খতিয়ে দেখা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের ইতিমধ্যে এক বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এ সরকারের আয়ুস্কালও বলা যায় শেষ পর্যায়ে এখন। কিন্তু সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ ও শীর্ষনিউজ ডটকমের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে খোঁজ নিতে গিয়ে অবাক হতে হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে সামান্যতম পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। বিশেষ বা উচ্চ পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে অনুসন্ধান করে লুটপাটকারীদের শাস্তির আওতায় আনাতো দূরের কথা, ইতিপূর্বে টিআইবিসহ বিভিন্ন সংস্থা জলবায়ু খাতের অর্থ লুটপাটের যেসব তথ্য উদঘাটন করেছে সেগুলোর ব্যপারেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে।</p>
<p>সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ ও শীর্ষনিউজ ডটকমের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। তবে মন্ত্রণালয় কিছুই দেখাতে পারেনি। উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের সঙ্গে মুখোমুখি কথা হয়েছিল। তিনিও এ সংক্রান্ত ন্যূনতম কোনো পদক্ষেপের নজির দেখাতে পারেননি। পরে লিখিতভাবেও জানতে চাওয়া হয়েছিল। এরও জবাব দেননি উপদেষ্টা। মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এসব হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি নন উপদেষ্টা। জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ দু’একজন কর্মকর্তা এ নিয়ে কথাও বলেছেন। কিন্তু উপদেষ্টার আগ্রহ না থাকায় তারা আর এ বিষয়টি তুলেননি।</p>
<p>জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলায় ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়ে তিনটি তহবিল গঠন করে সরকার। ২০০৫ সালে গঠন করা হয় ‘ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন’ (ঘঅচঅ)। এরপর ২০০৯ সালে গৃহীত হয় ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান’ (ইঈঈঝঅচ)। এই পরিকল্পনার ভিত্তিতে ২০১০ সালে গঠিত হয় ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ (ইঈঈঞঋ)। একই বছর চালু হয় ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ (ইঈঈজঋ) ও পাইলট প্রজেক্ট ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স (চচঈজ)।</p>
<p>বিদেশি অর্থায়ন ছাড়াও সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিবছর জলবায়ু খাতে বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ দিয়ে আসছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) জলবায়ু, পরিবেশ ও দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো খাতে ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২২৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, এসব প্রকল্পে ব্যবহৃত অর্থের উল্লেখযোগ্য অংশ বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বরাদ্দ শুধু প্রকৃতি রক্ষার খাতেই সীমিত নয়, এর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে টেকসই অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক জলবায়ু প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রশ্ন।</p>
<p>কিন্তু এসব অর্থ অতীতে কী হারে লুটপাট হয়েছে এর কিছুটা চিত্র পাওয়া যায়, টিআইবিসহ বিভিন্ন সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদনে। বাংলাদেশে জলবায়ু প্রকল্পের দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক অপচয় নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এবং ঝঙঅঝ ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন যৌথভাবে একটি গবেষণা প্রকাশ করে। গবেষণা অনুযায়ী, উপকূলীয় এলাকা বরগুনা, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর চারটি প্রকল্পে ১৪ থেকে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত দুর্নীতি হয়েছে। পাশাপাশি, সাতটি প্রশমন প্রকল্পে প্রায় ৫৪.৪ শতাংশ অর্থ অপচয় বা আত্মসাতের ঘটনা ধরা পড়েছে। ৬৮ কোটি টাকার জলবায়ু প্রকল্পে ৩৭ কোটি টাকাই আত্মসাত হয়েছে। এছাড়া এনজিওগুলোকে ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ড থেকে অর্থ পেতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে বলে গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় বাঁধ নির্মাণসহ জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পগুলোতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে টিআইবি। গবেষণা অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে।</p>
<p>রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী বিবেচনায় অনুমোদন, ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকির এলাকায় প্রকল্প বরাদ্দ, আদৌ কোন নজরদারি না থাকা, অনুমোদিত প্রকল্প পরিবর্তন, নিম্নমানের কাজ, অযথা মেয়াদ বাড়ানো ইত্যাদি তো আছেই। আগামীতে দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ তীব্র খরার পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এ্যারোনটিকস এ্যান্ড স্পেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) ও ন্যাশনাল ওসেনিক এ্যান্ড এ্যাটমোসফেরিক এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া) ক্লাইমেট ডাটা সেন্টার চলতি বছর সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পূর্বাভাস দিয়েছে। সংস্থা দুটির মতে, উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্রস্রোত এল নিনোর প্রভাবে এবার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তাপমাত্রা বাড়বে, যা ৪৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা খরাকবলিত হতে পারে। ফলে পানির অভাবে কৃষি জমি ও জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাবে। ফলে ধান উৎপাদন হবে ব্যাহত। দেখা দেবে সুপেয় পানির অভাব।</p>
<p>বায়ুদূষণ রোধে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার তহবিল পাওয়ার পরও বাংলাদেশের বাতাসের গুণগতমান বছরের প্রায় অর্ধেক সময়েই অত্যন্ত দূষিতই থাকছে। এর কারণ কী। এতো বিশাল অর্থ পেয়েও পরিবেশ অধিদপ্তর বায়ুদূষণ রোধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে কেন? অনেকের মতে, এই অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। বিভিন্ন প্রকল্পের নামে অর্থের অপচয় হচ্ছে, লুটপাট হচ্ছে। এর ফলে বায়ুদূষণ রোধের পরিবর্তে অসাধু কর্মকর্তাদেরই পকেট ভারি হচ্ছে। ঢাকার পরিবেশ ও বায়ুদূষণ রোধে ২০১৭ সালে ৮০২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশে নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ (কেস) শীর্ষক একটি প্রকল্প’ বাস্তবায়ন হয়। তবে তাতে বায়ুদূষণের কোন উন্নতি হয়নি। এই প্রকল্পের টাকা অন্য খাতে ব্যয় এবং লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ইতিপূর্বে এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে বলেছেন, ঢাকার বায়ুদূষণ রোধে সরকার আন্তরিক নয়। যেসব কারণে বায়ুদূষণ হচ্ছে তা এখন মোটামুটি চিহ্নিত হয়েছে। কিন্তু সরকারকে এসব বিষয়ে যথাযথ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায় না। এ বিষয়ে আইন করা হলেও তা কার্যকর হয় না। মেয়াদ উত্তীর্ণ বাস দিব্যি বায়ুদূষণ করে ঢাকার রাজপথে চলাচল করছে, দেখার কেউ নেই। অবৈধ ইটভাটা চলছে, বেআইনিভাবে বায়ুদূষণ করে নির্মাণ কাজ চলছে, কিন্তু সরকার এসব বিষয়ে উদাসীন। অথচ বৈশ্বিক তহবিল থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা এসেছে। তারপরও বায়ুদূষণ রোধ না হওয়াতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে এই অর্থ গেল কোথায়। এ অর্থ ভিন্ন খাতে বা ভিন্ন ভাবে খরচ হয়েছে এমনটি ভাবাইতো স্বাভাবিক।</p>
<p>এটি ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের কথা। অর্থাৎ তাঁর তখন পরিচয় ছিল শুধুমাত্র পরিবেশবিদ, বেলার নির্বাহী। এর প্রায় ৯ মাস পরে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো পরিবেশ অধিদপ্তর। পরিবেশ অধিদপ্তর সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, পরিবেশ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের দুর্বলতা ও প্রয়োগের ব্যর্থতা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের অনিয়মসহ সুশাসনের সব সূচকে ঘাটতির কারণে পরিবেশ অধিদপ্তরে দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ঘটেছে।</p>
<p>টিআইবির গবেষণায় পাওয়া তথ্য মতে, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে তদারকির সময় তদারকি কর্মকর্তা ইটিপি, কারখানার পরিবেশ, পানির মান, লাইসেন্সের কাগজপত্র, ল্যাবরেটরি রিপোর্ট, টাকার রশিদ, ছাড়পত্র নবায়ন ও মূল সার্টিফিকেট ইত্যাদি বিষয় সংশ্লিষ্ট কারখানার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সঠিকভাবে তদারকি করেন না। জরিপের আওতাভুক্ত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিল্পকারখানায় বছরে একবারও পরিবেশ অধিদপ্তরের তদারকি হয়নি।</p>
<p>গবেষণায় উঠে এসেছে, জরিপকৃত শিল্প কারখানার শতকরা ৫১ ভাগ মেয়াদোত্তীর্ণ ছাড়পত্র দিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার শতকরা ৭০ ভাগ তথ্য সংগ্রহের সময় পর্যন্ত নবায়নের জন্য আবেদনই করেনি। অন্যদিকে, দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের কোনো তালিকা না থাকায় ‘দূষণকারী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান’ মানদণ্ডের আলোকে জরিমানা, দণ্ড ও বাজেয়াপ্তকরণে ঘাটতি রয়েছে। দূষণকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আদালতে মামলা করার পরিবর্তে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা নির্ধারণে অধিদপ্তর বেশি আগ্রহী বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>এছাড়া, জরিপের আওতাভুক্ত শতকরা ১৭ ভাগ শিল্প কারখানা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনাপত্তিপত্র না পাওয়া সত্ত্বেও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। আবাসিক এলাকায় শিল্প কারখানা স্থাপন না করার আইনি বিধান থাকলেও বেশিরভাগ শিল্প কারখানাই (৭২ শতাংশ) আবাসিক এলাকায় অবস্থিত। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ক্ষেত্রবিশেষে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে এটি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>জরিপে শতকরা ৫১ ভাগ শিল্প কারখানায় পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। জরিপের আওতাভুক্ত শতকরা ৫৭ ভাগ শিল্পকারখানা বা প্রকল্প কোনো প্রকার পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ছাড়াই পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া, অধিদপ্তরের ‘নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ’ প্রকল্পের অধীনে অযৌক্তিকভাবে একই কর্মকর্তার ১০ বারসহ ১০ বছরে মোট ২৯৩ জন কর্মকর্তার বিদেশে প্রশিক্ষণের নামে ভ্রমণ বাবদ অর্থ অপচয় করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মীদের একাংশের ক্ষমতা অপব্যবহার করে এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জরিমানার অর্থ মওকুফ করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p>পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব পরিবেশ অধিদপ্তরের ওপর থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এক ধরনের বিপরীতমুখী ভূমিকা পালন করছে। অর্থাৎ সর্ষের মধ্যেই ভূতের দেখা মিলছে। অনিয়ম, দুর্নীতি, অদক্ষতা ও সুশাসনের ঘাটতি দূর করতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। দুর্নীতি-অনিয়মের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, প্রভাবশালী শিল্প কারখানার মালিকদের প্রভাব থেকে মুক্ত করে পরিবেশ অধিদপ্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে পরিবেশ দূষণ ও এর বিপর্যয় থেকে উত্তরণে ব্যর্থতার পাশাপাশি এ সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন সম্ভব হবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25505/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাস্টমসের গড়িমসি ভায়াগ্রার ছয় টন কাঁচামাল নিয়ে</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/25134</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/25134#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 03:28:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[কাস্টমসের গড়িমসি ভায়াগ্রার ছয় টন কাঁচামাল নিয়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=25134</guid>

					<description><![CDATA[দেশের আমদানি নীতি অনুযায়ী যৌন উত্তেজক ওষুধ ভায়াগ্রা তৈরির কাঁচামাল সিলডেনাফিল সাইট্রেট ব্লক লিস্টেড পণ্য (ঔষধ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া আমদানি নিষিদ্ধ), যা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে একমাত্র ফার্মাসিউটিউক্যাল কোম্পানি আমদানি করতে পারে। কিন্তু বাণিজ্যিক আমদানিকারক রাজধানী ঢাকার উজালা পেইন্ট ট্রেডিং কোম্পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠান মিথ্যা ঘোষণায় কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়া দেশের ইতিহাসে অন্যতম রেকর্ড [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের আমদানি নীতি অনুযায়ী যৌন উত্তেজক ওষুধ ভায়াগ্রা তৈরির কাঁচামাল সিলডেনাফিল সাইট্রেট ব্লক লিস্টেড পণ্য (ঔষধ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া আমদানি নিষিদ্ধ), যা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে একমাত্র ফার্মাসিউটিউক্যাল কোম্পানি আমদানি করতে পারে। কিন্তু বাণিজ্যিক আমদানিকারক রাজধানী ঢাকার উজালা পেইন্ট ট্রেডিং কোম্পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠান মিথ্যা ঘোষণায় কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়া দেশের ইতিহাসে অন্যতম রেকর্ড ৫ হাজার ৮০৫ কেজি সিলডেনাফিল সাইট্রেট নিয়ে এসেছে। চায়না ক্লে (খেলনা তৈরির কাঁচামাল) ঘোষণায় শুধু ভায়াগ্রার কাঁচামালই নয়, আরও ৩৮ ধরনের ওষুধের কাঁচামাল নিয়ে এসেছে আমদানিকারক এই প্রতিষ্ঠান। ঘটনাটি ঘটেছে দেশের অন্যতম স্থলবন্দর দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে।</p>
<p>রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা সিলডেনাফিল সাইট্রেটের ওই চালানটি আটকে দেওয়ার পর টনক নড়ে কাস্টমসের। তবে নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক এবং চালানটি ছাড়ানোর দায়িত্বে থাকা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে কাস্টমস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।</p>
<p>অনুসন্ধানে জানা যায়, হিলি শুল্ক স্টেশনে গত ৭ আগস্ট চায়না ক্লে পাউডার ঘোষণায় বিল অব এন্ট্রি (মূল্য, প্রকৃতি, পরিমাণের মতো পণ্যের বিস্তারিত সব তথ্য উল্লেখ করে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ) দাখিল করে উজালা পেইন্ট ট্রেডিং কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটি ৩০ হাজার ৬৬৮ কেজি বা সাড়ে ৩০ টন ক্লে পাউডারের ঘোষণা দেয়। আর সে অনুযায়ী কাস্টমস অ্যাসেসমেন্টও (পণ্যের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক এবং অন্যান্য কর নির্ধারণ ও আদায়ে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া)Ñশুরু করে। সবকিছু চলছিল পূর্বপরিকল্পিত ছক অনুযায়ীই। তবে বিপত্তি বাধে রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার তরফ থেকে চালানটির বিষয়ে আপত্তি আসার পর। গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর এই পণ্যের চালানটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে। আর এতে করে বেরিয়ে আসে ভয়াবহ এক জালিয়াতির চিত্র। সাড়ে ৩০</p>
<p>টন পণ্য পরীক্ষার পর দেখা যায়, এই চালানে চায়না ক্লে প্রকৃতপক্ষে মাত্র সাড়ে ১৪ টন। বাদবাকি সবই ওষুধের কাঁচামাল। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো চালানটিতে মেলে ছয় টনের কাছাকাছি যৌন উত্তেজক ওষুধ ভায়াগ্রা তৈরির কাঁচামাল সিলডেনাফিল সাইট্রেট। দেশের বিদ্যমান আমদানি নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের ওষুধের কাঁচামাল শুধু ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় আমদানির সুযোগ রয়েছে। সাধারণত কোনো বাণিজ্যিক আমদানিকারকের ওষুধ তৈরির এমন কাঁচামাল আমদানির কোনো সুযোগ নেই। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুরের আওতাধীন হিলি স্টেশন দিয়ে আমদানি হওয়া এই ব্লক লিস্টেড পণ্যের চালান আটকে যাওয়ার কথা ছিল কাস্টমস কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে। অথচ তা রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতায় চিহ্নিতের পর এখন প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে কার্যত গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কমিশনারেটের বিরুদ্ধে।</p>
<p>ভায়াগ্রার কাঁচামাল আমদানির বিষয়ে জানতে চাইলে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুরের কমিশনার অরুণ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘বিষয়টি খুব স্পর্শকাতর হওয়ায় ব্যবস্থা নিতে একটু সময় লাগছে। তবে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফের এ আইন লক করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে মামলা করা হবে।’</p>
<p>ব্যবস্থা নিতে বিলম্বের কারণ হিসেবে এই কাস্টমস কমিশনার বলেন, মামলা করার আগে আমদানিকারককে দুবার শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) দিতে হয়। এ কারণে সময়ক্ষেপণ হয় বলে দাবি এই কাস্টমস কর্মকর্তার। এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস পলিসির সদস্য থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান এই কমিশনার। মামলার পর পণ্যের চালানটির জন্য দ্বিগুণ জরিমানা ও বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে বলেও জানান অরুণ কুমার বিশ্বাস।</p>
<p>কায়িক পরীক্ষার প্রতিবেদন অনুযায়ী, উজালা ট্রেডিং কোম্পানি আলোচিত এই পণ্য চালানে চায়না ক্লে ছাড়াও আরও ৩৭ ধরনের ওষুধের কাঁচামাল আমদানি করেছে। ৩০ হাজার ৬৬৮ কেজির এই পণ্য চালানে চায়না ক্লে ১৪ হাজার ৪৫৩ কেজি। আর ভায়াগ্রার কাঁচামাল ৫ হাজার ৮০৫ কেজি। এ ছাড়া ওমিপ্রাজল রয়েছে ৪ হাজার ৩০৭ কেজি বা চার টনেরও বেশি। সিত্রাল ক্যাফেইন থেকে শুরু করে আরও ৩৫ ধরনের ওষুধের কাঁচামাল রয়েছে এই পণ্য চালানে। ওষুধের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশে বলা হয়েছে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে আগেই অনুমোদন নিতে হবে। সেক্ষেত্রে যে ধরনের ওষুধের কাঁচামাল আমদানি করা হবে, সেসব ওষুধের পরিমাণ, ট্রেড নেম, জেনেরিক নাম, মূল্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ উৎপাদন এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ছাড়া অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে আমদানির সুযোগ নেই। অথচ ঔষধ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান উজালা পেইন্ট ট্রেডিং কোম্পানি ৩৭ ধরনের ওষুধের কাঁচামাল এলসির মাধ্যমে আমদানি করেছে। এ ছাড়া ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন প্রতিষ্ঠান ছাড়া এই ধরনের ওষুধের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ আইনত নেই। যদিও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি শুল্কায়নের প্রক্রিয়া শুরু করে আটকে যাওয়ার পর নতুন করে ঔষধ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চালানটি খালাসের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। সরকারের নীতি আদেশ অমান্য করে বাণিজ্যিক আমদানিকারক এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতিরও চেষ্টা করেছে। আর এইচএস কোড অনুযায়ী, শুল্কায়ন করলে শুল্ক-করের পরিমাণ দাঁড়ায় আরও ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। কাস্টমসের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চালানটির মোট শুল্ক-কর আসে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আর বাণিজ্যিক আমদানিকারকের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় অবাক খোদ কাস্টমস কর্মকর্তারাই। এ ছাড়া সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ধীরগতিতে নানা বির্তক তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন রংপুর ভ্যাটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।</p>
<p>এ বিষয়ে বিল অব এন্ট্রিতে দেওয়া উজালা ট্রেডিং কোম্পানির রাজধানীর কদমতলীর দনিয়ার ঠিকানায় গিয়ে আমদানিকারকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>জানা গেছে, এর আগে এক চালানেই ছয় হাজার কেজি সিলডেনাফিল সাইট্রেট (যৌন উত্তেজক ওষুধ ভায়াগ্রার কাঁচামাল) ধরা পড়েছিল বেনাপোল স্থলবন্দরে। এরপরও বিভিন্ন সময়ে ভায়াগ্রার কাঁচামাল দেশে ঢুকেছে। এটি ঢুকছে মূলত সোডিয়াল স্টার্চ গ্লাইকোলেট নামে। সিলডেনাফিল সাইট্রেট, যা মূলত ওষুধ উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানে কিছু বিশেষ ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইদানীং কিছু কোমল পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোমল পানীয় উৎপাদনে এ উপাদান ব্যবহার করছে বলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে অভিযোগ জমা পড়েছে। এ ছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় আনা এ পণ্য ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় বলে জানা গেছে। এক ধরনের এনার্জি ড্রিংক তৈরিতে ভায়াগ্রার এ কাঁচামাল মেশানো হয়। এ ধরনের এনার্জি ড্রিংক সেবনকারী কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীরা আসক্ত হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, কারও হার্টে বা ব্রেনে সামান্যতম সমস্যা থাকলে, ভায়াগ্রা সেবনে তার মৃত্যু অবধারিত। তাই নির্ধারিত (চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ) চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তবেই ভায়াগ্রা সেবন করতে হবে। বাইপাস সার্জারি, ব্লাডপ্রেশার ও ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা ভায়াগ্রা সেবন করতে পারবেন না। ভায়াগ্রা কেউ বেশিদিন সেবন করলে আসক্ত হয়ে যায়। আর এটা ছাড়তে পারে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ভায়াগ্রা সেবন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি বলেও জানিয়েছেন তারা।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে লুৎফুল কবীর বলেন, ‘এটি নিষিদ্ধ নয়। তবে সবার জন্য আমদানি, উৎপাদন বা বিক্রি অনুমোদিতও নয়। যেহেতু সিলডেনাফিল একটি স্পর্শকাতর ওষুধ, তাই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া আমদানির সুযোগ নেই। মিথ্যা তথ্যে যদি কেউ ৬ টনের মতো সিলডেনাফিল আমদানি করে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেখানে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এ ওষুধের ব্যবহার সীমিত। এই বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল অন্য কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হতে পারে। বিশেষ করে তথাকথিত এনার্জি ড্রিংক, হারবাল কোম্পানির যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হতে পারে। মনে রাখতে হবে, সিলডেনাফিল ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ নয়, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ ওষুধ সেবন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই মিথ্যা তথ্য দিয়ে যারা এগুলো আমদানি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও জানান এই চিকিৎসক।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/25134/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রকল্পে অপচয়ের উৎসব</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/24873</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/24873#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 01:43:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=24873</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীর আজিমপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর, যা বাস্তবায়নে প্রথমে ৮৫৪ কোটি টাকার প্রস্তাব থাকলেও ব্যয়ের নানা খাত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৮০ কোটি টাকা কমিয়ে ৭৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৯.৬৬ একর জমিতে পুরোনো ভবন ভেঙে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর আজিমপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর, যা বাস্তবায়নে প্রথমে ৮৫৪ কোটি টাকার প্রস্তাব থাকলেও ব্যয়ের নানা খাত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৮০ কোটি টাকা কমিয়ে ৭৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৯.৬৬ একর জমিতে পুরোনো ভবন ভেঙে ২০ তলার ১১টি বহুতল ভবনে ৮৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ হবে। তবে প্রস্তাবনায় কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, গাড়ি, আসবাব, কমিটির সদস্য সম্মানী, এমনকি শিশুদের খেলার মাঠ ও পানি সংরক্ষণাগারের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল, যা অপচয় ও অস্বচ্ছ ব্যয়ের উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কিছু খাত থেকে ব্যয় সংকোচন করা হলেও প্রকল্পে এখনো কোটি কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারণের অভিযোগ রয়ে গেছে।</p>
<p>নথিপত্র বলছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ শেষ করে জোন-সি তে মনোযোগ দিয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। ৮৫৪ কোটি টাকার প্রস্তাব দিলেও এই প্রকল্পে লিফট, ভূমি উন্নয়ন, আরবরিকালচার ও ল্যান্ডস্কেপিং, শিশুদের খেলার মাঠ, বাউন্ডারি ওয়াল ও গেট, মাটি পরীক্ষা, ডিজিটাল সার্ভে, ম্যাটেরিয়াল ট্রিটমেন্ট, আর্কিটেকচারাল ও থ্রিডি মডেল নকশা, বৈদ্যুতিক নকশা, কাঠামোগত নকশা, বিজ্ঞাপন, টেন্ডার, স্টেশনারি স্ট্যাম্প,সদস্যদের সম্মানী, ইউটিলিটি চার্জ, ডিপিডি বা ডেসকো কানেকশন চার্জ এবং আপ্যায়ন ব্যয় হ্রাস করতে বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্প থেকে প্রায় ৮০ কোটি টাকা কমিয়ে গত আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৭৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বহুতল ভবন নির্মাণে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ১০ সদস্যের একটি টিমের সাত দিনের বিদেশ সফরের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p>প্রকল্পের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ভবন নির্মাণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যয় হবে প্রায় ১৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩৫৬ কোটি ৫৫ লাখ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২৮৬ কোটি ১৪ লাখ ব্যয় করা হবে।</p>
<p>৯.৬৬ একর জমিতে ৩২টি পুরোনো ভবন ভেঙে ২০ তলার ১১টি বহুতল ভবনে কর্মচারীদের জন্য ৮৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া এই প্রকল্পের পাশেই (জোন-ডি) ৬৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্মকর্তাদের জন্য আরও একটি প্রকল্পের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এসব প্রকল্প জোন এ, বি, সি, ডি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও খুব কাছাকাছি একই জায়গায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও আলাদা নন। নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক (পিডি) একজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত। জোন এ, বি, সি, ডি বলা হলেও প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আলাদা না হলেও প্রতিটি প্রকল্পে অফিস ও অফিসের আসবাব, বেতন-ভাতা, যাতায়াতের জন্য গাড়ি (ক্রয় বা ভাড়া) ও মোটরসাইকেলের কথা উল্লেখ থাকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বেতন এবং অফিস ও অফিসের আসবাবসহ সবকিছু মিলিয়ে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অফিস ও আসবাব না কিনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বরাদ্দের টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেন। কর্মকর্তারা পদাধিকার বলে যে সরকারি গাড়ি পান, তা দিয়েই প্রকল্পের সাইট ভিজিট করেন; আবার মোটরসাইকেল কেনার কথা বলা হলেও তা কেনা হয় না, আগের প্রকল্পের বা নিজস্ব গাড়ি অথবা মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ কারণে প্রকল্পে গাড়ি ও আসবাবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের কথা বলা হলেও প্রকল্প শেষে সেগুলো জমা দিতে পারেন না কর্মকর্তারা।</p>
<p>প্রস্তাবিত ডিপিপিতে অতিরিক্ত ব্যয় ধরায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পিইসি সভায় সিদ্ধান্তে প্রকল্পটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। পিইসি সভার সুপারিশের ভিত্তিতে ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়।</p>
<p>প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ১০০০ বর্গফুট ফ্ল্যাটের ২০ তলা ভবন ৬টি, ৬৫৭৭৪.৫ বর্গ মি.-এর ব্যয় ৩১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা; ৮০০ বর্গফুট ফ্ল্যাটের ২০ তলা ভবন ৫টি, ৪৫১৯৬.৮৫ বর্গ মি.- এর ব্যয় ২১০ কোটি ৯৮ লাখ; ৯০০০ বর্গফুট ফ্ল্যাটের ১টি ৬ তলা সার্ভিস ভবন ৬০২০.০৬ বর্গ মি.- এর ব্যয় ৩০ কোটি ২২ লাখ; ১৫০০০ বর্গফুটের একটি ৬তলা মাল্টিপারপাস ভবন ৩৮০২.৫২ বর্গ মি.-এর ব্যয় ৩৮ কোটি এবং ৬০০০ বর্গফুটের একটি ৬তলা মসজিদ ভবন ১২৮২.০৪ বর্গ মি.-এর ব্যয় ১০ কোটি ৫ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও ওয়াকওয়ে এবং পার্কিং ১৯৪০১.৮৮ বর্গমিটার, ৬ কোটি ১৬ লাখ; আরসিসি মাস্টার ড্রেন ৯০০০ মিটার, ৫ কোটি ৫ লাখ; স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ২টি, ৮ কোটি; ভূগর্ভস্থ জলাধার (অগ্নি নির্বাপক) ৫৫০০০০ গ্যালন, ৫ কোটি ৯ লাখ; স্যুয়ারেজ ও অন্যান্য ময়লা পানির ড্রেন, পরিদর্শন পিট, পিটের ঢাকনা, স্যুয়ারেজ লাইন ১টি, ১০ কোটি ২৯ লাখ; সাব-স্টেশন ১৪ সেট, ১৬ কোটি ৬৫ লাখ; ইমার্জেন্সি জেনারেটর এটিএস ও ক্যানোপিসহ ১৪ সেট, ৫ কোটি ৫৬ লাখ; লিফট ৩৭টি, ৩২ কোটি ২৭ লাখ; ১১ কেভি এক্সপ্রেস লাইনের কাজ ১টি, ৫ কোটি ৯৪ লাখ এবং একটি ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন সিস্টেমের জন্য ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।</p>
<p>প্রকল্পের প্রস্তাবিত ডিপিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ হাজার বর্গফুটের ডাবল বেজমেন্টের ৬ তলা মাল্টিপারপাস ভবন, ৩৮০২.৫২ বর্গমিটার ৩৮ কোটি ৫২ লাখ; ফোর্স ভেন্টিলেশন সিস্টেম ও স্টেয়ারকেস ১টি, আড়াই কোটি; মসজিদে সাউন্ড সিস্টেম প্রায় ৪২ লাখ; মসজিদ ও মাল্টিপারপাস ভবনের জন্য ১২৬ টন এসি, ১ কোটি ৬৪ লাখ; সোলার সিস্টেম ১৫৫ কিলোওয়াট, ২ কোটি ১৯ লাখ; পিডি অফিসের আসবাবপত্র ৭ লাখ; আরবরিকালচার ও ল্যান্ডস্কেপিং ১ কোটি ২০ লাখ; ভূমি উন্নয়ন ২২৮৪৩ ঘনমিটার ১ কোটি ৭৩ লাখ; ৫ জন কর্মকর্তার বেতন-ভাতা ২ কোটি ১৭ লাখ; ৩ জন আউটসোর্সিং কর্মীর জন্য ২২ লাখ; কমিটির সদস্যদের সম্মানী ৩০ লাখ; আপ্যায়ন খরচ ১০ লাখ; মাটি পরীক্ষার খরচ প্রায় ৪১ লাখ; ডিজিটাল সার্ভে খরচ দেড় কোটি; আর্কিটেকচারাল নকশা, থ্রিডি মডেল, প্লাম্বিং ও কাঠামো নকশা ৩৯ লাখ; বৈদ্যুতিক নকশা (ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন লে-আউট) ১২ লাখ; বিজ্ঞাপন ও টেন্ডার ডকুমেন্টস ৩০ লাখ; স্টেশনারি সিল-স্ট্যাম্প ১৫ লাখ; পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ১০ লাখ; যানবাহন ভাড়া ২৬ লাখ; পুরোনো ভবন অপসারণ ৫ লাখ; ডিপিডিসি বা ডেসকো কানেকশন চার্জ ১ কোটি ৯ লাখ; অনাপত্তি ব্যয় ৫ লাখ; ওয়াসা চার্জ ১ কোটি ৪০ লাখ; তিন বছর অফিস ভাড়া ২২ লাখ; ইউটিলিটি চার্জ ১০ লাখ; বাউন্ডারি ওয়াল ও গেট ১০০৪.৩৬ মিটার ২ কোটি; প্রতি মিটারে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও ওয়াকওয়ে ১৯৪০১.৮৮ বর্গমিটার, ৬ কোটি ১৬ লাখ; জলাশয় রিটেইনিং ওয়ালসহ ঘাটলা ও জগিং ট্র্যাক ৩ হাজার ঘনমিটার ৩ কোটি ৩৬ লাখ; বাচ্চাদের খেলার মাঠ ১৬৯৯০ ঘনমিটার ২ কোটি ২০ লাখ; ১৫০ মিটার গভীর ২টি ডিপ টিউবওয়েল, ২ কোটি ৪০ লাখ; সুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ২টি, ৮ কোটি এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার ১৫ গ্যালন, ১ কোটি ৩৭ লাখ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রস্তাবিত ডিপিপিতে ৫৮টি সেফটি ট্যাংকের জন্য ৬ কোটি ৭২ লাখ ব্যয় ধরা হলেও একনেক সভায় তা কমিয়ে ১ কোটি ৩৫ লাখ করা হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে একটি ডিস্ট্রিবিউশন লাইন ওয়াটার পাম্পের জন্য ৩৬ লাখ টাকা কমিয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলাধার (অগ্নি নির্বাপক) ৫৫০০০০ গ্যালন, ৫ কোটি ৯ লাখ, এই কাজে ১৫ লাখ টাকা কমানো হয়েছে। সুয়েজ ও অন্যান্য ময়লা পানির ড্রেন পরিদর্শন পিট ও ঢাকনা লাইন, ১টির কাজ, ১০ কোটি ২৯ লাখ; সাব-স্টেশন (১০০০ একটি, ৮০০ সাতটি, ৫০০ পাঁচটি, ২০০ একটি কেভিএ আরএমইউ ট্রান্সফরমার, এইচটি এলটি, পিএফআই ও অন্যান্য ১৪ সেট, ১৯ কোটি ৫৮ লাখ); ইমারজেন্সি জেনারেটর (২টি ৫০০ কেডিএ, ১১টি ১৫০ কেভিএ, একটি ১০০ কেভিএ) এটিএস ও ক্যানোপিসহ ১৪ সেট, ৭ কোটি ১০ লাখ; ২টি লিফট ও ৪০ কোটি কমিয়ে ৩৭টি লিফটের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২ কোটি ৩২ লাখ টাকা; কিন্তু ৩৫টির বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। (৮০০ কেজির ২০ স্টপ প্যাসেঞ্জার ২০টি, ১০০০ কেজির ২০ স্টপ ফায়ার কাম বেড লিফট ১১টি, ১২৫০ কেজির ৮ স্টপ ফায়ার কাম বেড লিফট ১টি, ১২৫০ কেজির ৭ স্টপ ফায়ার কাম বেড লিফট ১টি, ৮০০ কেজির ৩ স্টপ প্যাসেঞ্জার লিফট ২টি), ১১টি বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা সেট ৮টি, ৬২ লাখ; পিএবিএক্স এবং ইন্টারকম সিস্টেম ১টি, ২ কোটি ৩৮ লাখ; কম্পাউন্ড সিকিউরিটি লাইট ১টি, ২ কোটি ১৮ লাখ; সিসিটিভি সিস্টেম ৯৯০টি, ৩ কোটি ৫৫ লাখ এবং পাম্প মোটর সেট ৩১টির জন্য ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া জোন-ডি-তে ৬৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাটের ২০ তলা ৫টি ভবন, ২৫০০ বর্গফুটের ২ তলা ১টি চিলড্রেন ক্লাব হাউস এবং ১০০০ বর্গফুটের ৩টি গেট হাউস ভবন নির্মাণ করা হবে। একইভাবে জোন-সি-এর মতো বিভিন্ন ব্যয় ধরা হয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিম বলেন, ‘আজিমপুর জোন-সি এই প্রকল্পের মাটি পরীক্ষা করে প্রস্তাবিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। জোন-সি ও ডির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যতটুকু জানি জোন-সির ডিপিপি একনেক সভায় পাস হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/24873/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণপূর্তের ইএম কারখানা বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ইউসুফের দুর্নীতির রাজত্ব</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/24858</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/24858#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Sep 2025 13:34:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=24858</guid>

					<description><![CDATA[গণপূর্তের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইউসুফ। অত্যন্ত ক্ষমতাধর কর্মকর্তা ইউসুফের বিরুদ্ধে রয়েছে নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি,কমিশন,বানিজ্য ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ ভাগাভাগি করে অর্থ লোপাটের অভিযোগ। তিনি অফিসে বসেন না। তার অফিসের কর্মচারীদের একটাই কথা স্যারকে তো আমরাই অফিসে পাই না আপনারা কিভাবে তার দেখা পাবেন। মো: ইউসুফ এর রয়েছে একটি শক্তিশালী সরকার বিরোধী ঠিকাদার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গণপূর্তের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইউসুফ। অত্যন্ত ক্ষমতাধর কর্মকর্তা ইউসুফের বিরুদ্ধে রয়েছে নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি,কমিশন,বানিজ্য ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ ভাগাভাগি করে অর্থ লোপাটের অভিযোগ। তিনি অফিসে বসেন না। তার অফিসের কর্মচারীদের একটাই কথা স্যারকে তো আমরাই অফিসে পাই না আপনারা কিভাবে তার দেখা পাবেন। মো: ইউসুফ এর রয়েছে একটি শক্তিশালী সরকার বিরোধী ঠিকাদার সিন্ডিকেট। মূলত: আওয়ামী আমলে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া ইউসুফ মনেপ্রাণে বর্তমান সরকারকে ঘৃণা করেন। আওয়ামী বিরোধী লোক দেখলেই তার গা জ্বলে ।</p>
<p>পক্ষান্তরে নিজেকে জামাত ঘরানার প্রমানে ভুয়া একটি প্যাড এ চট্টগ্রাম বিআইটির বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্যাড দিয়ে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দিয়েছেন । উক্ত প্যাড পর্যালোচনা করে দেখা যায় , সাইফুল্লাহ নামে কোন সভাপতি চট্টগ্রাম বিআইটিতে ছিল না । আবার স্বাক্ষরের নিচে যে সিল দেয়া হয়েছে সেটিও ভুয়া । সেখানে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশ ছাত্র শিবির । কিন্তু বাংলাদেশ ছাত্র শিবির নামে কোন সংগঠন নেই । সংগঠনটির প্রকৃত নাম হলো: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির । এভাবে জাল জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়া ইউসুফ এখন শিবির সাজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে । গণপূর্ত অধিদপ্তরে বিএনপি জামাত বিরোধী প্রকৌশলীদের নিয়ে যে সিন্ডিকেট ইউসুফ তার মধ্যে অন্যতম বলে জানা গেছে। নির্দিষ্ট কমিশন ছাড়া তিনি কোন কাজ করেন না। আমাদের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে তার থলের বিড়াল। গনমাধ্যমকে তিনি এড়িয়ে চলেন। তিনি যেহেতু কমিশন ছাড়া কাজ করেন না তাই নিজেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখেন এমন অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর। শুধু তাই নয়,  ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে একজন ঠিকাদার পাওনা আদায়ে থানায় অভিযোগ পর্যন্ত দাখিল  করেছিল যা গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে উঠে এসেছিল। তারপর তড়িঘড়ি করে উক্ত ঠিকাদারের বিল পরিশোধ করেছিলেন বলে জানা গেছে।</p>
<p>গত অর্থ বছরের শেষের দিকে  তিনি তার ১৫-২০% কমিশনের টাকা আদায়ের জন্য উঠে পড়ে লাগেন। কাজ না করে ও পুরো বিল উঠিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ও আছে ইউসুফের বিরুদ্ধে।কাজ না করে বিল উত্তোলনের এ টাকা তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে তা গনমাধ্যমের সংবাদে উঠে আসার পরেও তার বিরুদ্ধে কোন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। এ নিয়ে অধিদপ্তর জুড়ে রয়েছে গুঞ্জন। কিসের ক্ষমতায় এবং কার অনুকুল্যে তিনি এতটা ক্ষমতাধর? এ প্রশ্নের জবাব খুুঁজতে গিয়ে পাওয়াগেছে পিলে চমকানো তথ্য। ইএম কারখানা বিভাগ একটি অত্যন্ত লোভনীয় পোষ্টিং । এখানে নয় ছয়ের সুয়োগ খুব বেশী। তাই উক্ত স্থানটিতে আসার জন্য তিনি অনেক টাকা বিনিয়োগ ও করেছেন।একাধিক সূত্র তা নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>মোঃ ইউসুফ অফিসের বাহিরে বসে তার কমিশন বাণিজ্য চালিয়ে যেতে খুব বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। তার অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি অত্যন্ত বড়। আওয়ামী ঘরনার এই কর্মকর্তা সরকারী অর্থ হাতিয়ে নিতে সিদ্ধহস্ত। তিনি মূলত: তার সিন্ডিকেটের ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করিয়ে থাকেন। তার আস্থাভাজন বিহারী কাওসার, নাজমা এন্টারপ্রাইজ এর সাথে যে সখ্যতার প্রমাণ মিলেছে। সরকার বিরোধী ঠিকাদাররা তার অত্যন্ত আস্থাভাজন। তার কমিশন বাণিজ্যের রেট ১৫-২০%। এমন তথ্য প্রমান আমাদের হাতে এসেছে। ভুক্তভোগী একাধিক ঠিকাদারগন নাম প্রকাশ না করার শর্তে গনমাধ্যমের কাছে এ কথা বলেন। আগারগাঁও এ সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ন একটি প্রকল্পে একজন ঠিকাদারের নিকট থেকে বাধ্যতামূলক ভাবে বিল আটকিয়ে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করেছেন। উক্ত ঠিকাদার এখন ও পুরাপুরি বিল তুলতে পারে নাই। আমাদের অনুসন্ধানে তা বেরিয়ে এসেছে। অথচ ২ বছর পূর্বে উক্ত প্রকল্প সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>একটি নিদিষ্ট সিন্ডিকেট এর সক্রিয় সদস্য মো: ইউসুফ। গণপূর্ত অধিদপ্তরে এতটাই ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছেন যে, তারা ধরাকে সরাজ্ঞান করেছেন। এছাড়াও ইএম ও সিভিল শাখার একাধিক নির্বাহী প্রকৌশলী কমিশন বাণিজ্যের হোতা। এরা অবৈধ অর্থ ও সম্পদ এতটাই বেশী অর্জন করেছেন যে, কোন আইন ও নীতিমালা এদের স্পর্শ করতে পারে না। এরা দুর্নীতি দমন কমিশনকে পর্যন্ত কেয়ার করেন না। এদের একটাই কথা, টাকা থাকলে সব ম্যানেজ করা যায়। </p>
<p>নামে-বেনামি ইউসুফ ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের অবৈধভাবে অর্জিত কোটি কোটি টাকা সম্পদ ব্যাংক ব্যালেন্স রয়েছে। সিন্ডিকেট সমস্ত নিয়োগ,বদলি, পদায়ন এ নেপথ্য ভূমিকা রাখেন। অতি সম্প্রতি সিন্ডিকেটের এক সদস্যের গুনুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন হয়েছে। যেখানে তার পদায়ন হওয়ার যোগ্যতাই নাই। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কিছু  উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে ইতোমধ্যে এদের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>সাবেক প্রতিমন্ত্রীর কাছের সিন্ডিকেটই আবার ও একই পথে হাঁটছে। শত শত কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে এরা সাপ লুডু খেলছে। কমিশনের বিনিময় সিন্ডিকেটের ঠিকাদারদের কাজ দিতে তৎপর। উপদেষ্টা ও সচিব এখনই কঠোর না হলে সাধারণ ঠিকাদারগণকে বঞ্চিত হতে হবে।</p>
<p>এই সিন্ডিকেটের একটা বড় গুণ তা হল: যখন যে মন্ত্রী, সচিব কিংবা প্রধান প্রকৌশলী দায়িত্বে আসেন তখনই তাদের আস্থাভাজন হতে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন।  বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা একজন অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি। তার নামও এরা ভাঙ্গিয়ে বেড়াচ্ছেন। এমন কি তার নিকট আত্মীয়দের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে এই সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী সদস্যরা মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত গিয়েছেন এমন তথ্য ও পাওয়া গেছে।</p>
<p>নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফের দুর্নীতিচিত্র:</p>
<p>নিলামের মাধ্যমে গত ৯ আগষ্ট শনিবার ট্রান্সফরমার ৩টি গণপূর্ত কারখানা উপবিভাগ-২ এর কম্পাউন্ড থেকে ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে যায় কথিত &#8216;দায়েন&#8217; নামক ঠিকানার একটি প্রতিষ্ঠান। মাত্র ১৫ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেখিয়ে উপসহকারী উপবিভাগীয় ও নির্বাহী প্রকৌশলী ৮ লক্ষ টাকা নগদ কমিশন পেয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।</p>
<p>২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংসদ সচিবালয় কর্মকর্তাদের জন্য ১১২ ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পে ১ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকার চুক্তিমূল্যে পাম্প মটর সেট সরবরাহ স্থাপণ টেষ্টিং কমিশনিং ও ৭৯১৯৯৩১ টাকা চুক্তিমূল্যে সিসিটিভি সিস্টেম সরবরাহ ও স্থাপণ কাজ দুটিতে জুন ক্লোজিংয়ে পুরো বিল দেওয়া হয়েছে অথচ কাজের কিছুই হয়নি। ভবন নির্মাণ কাজ এখনও চলমান।</p>
<p>একই অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দে ২১,৬১,২৫০/- টাকার চুক্তিমূল্যে স্থানীয় সরকার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ডাইনিং হলের বিভিন্ন ধরণের লাইট ফিটিংস মেরামত নবায়নসহ সিকিউরিটি ও গার্ডেন লাইটের সংরক্ষণ ও পুনর্বাসনের নামে নামকাওয়াস্তে কাজের বাস্তাবায়ন দেখিয়ে পুরো বরাদ্দ ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়েছে। ২২,৬০,০০০/- চুক্তিমূল্যে একই অর্থবছরে জাতীয় আর্কাইত ও লাইব্রেরী ভবনের মিটিং রুমে এলইডি টিভি ল্যাব রুমে ইন্টারএক্টিভ ডিসপ্লে ২টি ওয়াকিটকি ৩টি অডিও রেকর্ডার ২টি পয়েন্টার সরবরাহ স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ওয়্যারিং কাজে নিম্নমানের যন্ত্রপাতি সরবরাহ দেখিয়ে বরাদ্দে প্রায় অর্ধাংশ লোপাট করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।</p>
<p>সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে ৫৪,১০,৯৭৮/- টাকার চুক্তিমূল্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরে লাইব্রেরী ও ট্রেনিং রুমে ফায়ার হাইড্রেন্ট রিপেয়ারিং ফায়ার এক্সটিনগুইসার রিফিলিং এইচটি সুইচ গিয়ার মেইনগেট সিকিউরিটি লাইটসহ অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এবং নতুন এসি সরবরাহ স্থাপণ সহকারে পুরাতন এসির বার্ষিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যাপক জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী মিল্টন কুমার দাসের সহায়তায় বরাদ্দের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে চাকরিতে ঢুকে এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে এই মিল্টন কুমার দাস এখন কোটিপতি। লীগ সরকারের আমলে তিনি ই/এম ৮নং ডিভিশনে পরবর্তীতে ই/এম ৯নং ডিভিশনের অধীনে নারায়ণগঞ্জ ডিভিশনে দীর্ঘদিন দায়িত্বে ছিলেন ইচরে পাকা এই উপসহকারী প্রকৌশলী। স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর সেকশনে কোন ঠিকাদার কাজ পেলে বলে থাকেন আমার কিছু দরকার নেই আপনি ভালো করে কাজ করেন। এ রকম সুন্দর কথায় বিশ্বাস করে কেউ কাজ শুরু করলে সিডিউল মোতাবেক সকল মালামালতো কিনতেই হবে এর পরেও অতিরিক্ত মালামাল কিনিয়ে তিনি নিজেই অন্য সাইটে ওই সকল মালামাল ব্যবহার করে অন্য ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা আদায় করে থাকেন। </p>
<p>জনৈক &#8216;আকবর&#8217; নামক এক ঠিকাদার বলেন, তার একটি ছোট কাজে ২১টি ফায়ার এক্সটিনগুইসার ধরা থাকলে তাকে দিয়ে ২১টিই কিনিয়ে ওই ঠিকাদারের কাজে ১২টি ব্যবহার করে বাকী ৯টি নারায়ণগঞ্জ মেডিকেলে অন্য ঠিকাদারের কাজে ব্যবহার করে মোটা অংকের টাকা আদয় করেন উপসহকারী প্রকৌশলী মিল্টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই মিল্টন &#8216;ন&#8217; অদ্যক্ষরের এক ঠিকাদারও জনৈক মজুমদারসহ ৪ জন ঠিকাদারকে নিয়ে তার সেকশনের প্রায় সকল কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে মোটা অংকের পার্সেন্টেজ বাণিজ্য করেন। </p>
<p>সহকর্মীদের কাছে গর্ব ভরে বলে থাকেন ১০ লক্ষ টাকা খরচ করে ওই সেকশনে পোষ্টিং নিয়েং এসেছেন তিনি। সে টাকা উঠাতে তার ৩/৪ মাস সময় লাগবে। চাঁপাবাজ ধুরন্দর এই উপসহকারী প্রকৌশলী অবৈধ অর্থের জোরে মদ ও নারীবাজিতে  ব্যস্ত থাকেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার দু&#8217;জন সহকর্মী জানিয়েছেন। মাত্র ১১ বছরের চাকরি জীবনে অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থে গ্রামের বাড়ি পাবনায় -অনেক ভূ-সম্পদ মার্কেটসহ ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন এই উপসহকারী প্রকৌশলী। </p>
<p>এছাড়াও পিএসসি&#8217;র প্রিটিং প্রেস, ১১২ ফ্ল্যাট প্রকল্প, এনএমএসটি, তালতলা ও আগারগাও সরকারি কলোনী, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিডা, পাসপোট, সমাজসেবা ও বন আধিদপ্তর, এনআইএমএইচ, এনআইসিভিডি, এনআইকেডিইউ, টিবি হাসপাতাল, নিটোর, শিশু হাসপাতাল, এনবিআর, &#8211; বিটিআরসি, বিআইসিসি, এসএমআরসি, স্পারসো, ডিটিই ভবন, ইপিবি ভবন, &#8211; মানিকমিয়া এভিনিউস্থ ৬টি ন্যাম ভবনে (আমব্রেলা প্রজেক্টের অধীনে বিশেষ &#8211; মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ হয়েছে), বিআইএম ভবন, আগারগাঁও নিউ কলোনী, এনজিও ব্যুরো ভবন, জাতীয় বাতজ্বর ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, ৪৪৮ ফ্ল্যাট, এনআইএলজিসহ বিভিন্ন স্থাপনার লিফট ও এসিগুলোর বার্ষিক মেরামত এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক/যান্ত্রিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ ও নবায়ন পুনর্বাসন কাজগুলোতে নামকাওয়াস্তে কাজ দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট অধীনস্থ প্রকৌশলীদের সহয়তায় প্রতিবছর বড় অংকের টাকা লুটপাট করে ভাগ বাটোয়ারা করা হচ্ছে। </p>
<p>এ সব বিষয়ে কথা বলার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ইউসুফের মোবাইল নম্বরে কয়েকবার কল দিয়েও  সাড়া না পেয়ে তার অফিসে গিয়েও তাকে চেয়ারে পাওয়া যায় নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/24858/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পটুয়াখালীর জুলাই শহীদ হত্যা মামলা নিয়ে বানিজ্যের অভিযোগ</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/24763</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/24763#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Sep 2025 15:42:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=24763</guid>

					<description><![CDATA[পটুয়াখালীর জুলাই শহীদ রায়হান (২১) হত্যা মামলায় পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্জ¦ আবু হানিফ এর নির্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের আসামী করাসহ মামলায় হয়রানি ও অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার বাড্ডা থানার মামলা নং-৩৫, ২৮/০৪/২০২৫। এ ব্যাপারে একাধিক গোপন অডিও রেকর্ড এসেছে হাতে। যার সূত্র ধরে বেরিয়ে এসেছে বিএনপি নেতাসহ সাবেক ছাত্রদল নেতাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ। মামলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পটুয়াখালীর জুলাই শহীদ রায়হান (২১) হত্যা মামলায় পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্জ¦ আবু হানিফ এর নির্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের আসামী করাসহ মামলায় হয়রানি ও অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার বাড্ডা থানার মামলা নং-৩৫, ২৮/০৪/২০২৫।</p>
<p>এ ব্যাপারে একাধিক গোপন অডিও রেকর্ড এসেছে হাতে। যার সূত্র ধরে বেরিয়ে এসেছে বিএনপি নেতাসহ সাবেক ছাত্রদল নেতাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ। মামলা সূত্র এবং বাদীর বক্তব্যে জানা গেছে, গত ০৫ আগষ্ট ২০২৪ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের আগ মুহুর্তে ঢাকার মেরুল বাড্ডা এলাকায় ১.৪৫ মিনিটের সময় গুলিবিদ্ধ হয় পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক কামাল আকনের পুত্র সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ডেলিভারী বয় রায়হান আকন। সে সময় পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করে। রায়হান গুলিবিদ্ধ অবস্থায়ই দুসরা বিষয়টি তার বাবাকে জানায় এবং সন্ধ্যায় রায়হানের মৃত্যু হলে ঢাকায় অবস্থানরত স্বজনরা তার মরদেহ পটুয়াখালী এনে নিজ গ্রামে ০৬ আগষ্ট ২০২৪ দাফন করে। শহীদ আবু রায়হানের বাবা মামলার বাদী কামাল আকনকে প্রায়ই তার বাড়িতে গিয়ে শান্তনা দিত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু হানিফ এবং তার পুত্র পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ঢাকার চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এ্যাডভোকেট মশিউর রহমান। পিতা পুত্রের নিজেদের স্বার্থ হাসিল, মামলায় হয়রানি করে অর্থ বানিজ্যের ষড়যন্ত্রের টোপ হিসেবে ব্যবহার করে কামাল আকনকে। পরিকল্পনা মাফিক বাদিকে প্রলোভন দেখিয়ে হত্যা কান্ডের প্রায় ৮ মাস পর গত ২০/০৪/২০২৫ তারিখে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট জসিতা ইসলাম এর (২১) নং কোর্টে জজ কোর্টের এ্যাডভোকেট আলমগীর সিদ্দিকীর মাধ্যমে স্মারক নং-৬৮৪, সিআর মামলা-১৮৬/২০২৫ আনয়ন করলে আদালতের নির্দেশে ৩০২/১০৯/৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। বাড্ডা থানার মামলা নং-৩৫, ২৮/০৪/২০২৫।</p>
<p>মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী এবং অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ এবং গোপন অডিও রেকর্ডের সূত্র ধরে দীর্ঘ অনুসন্ধান চালায় । অনুসন্ধানে উক্ত মামলায় আবু হানিফ তার পুত্র এ্যাডভোকেট মশিউর রহমানের সাথে মামলায় সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার হারুন খলিফার পুত্র কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব নিয়াজ মাহমুদ নিলয় এবং পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামের আব্দুল কাদের সিকদারের পুত্র ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এবং ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর বর্তমান যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন রানা সিকদার এর নাম। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ২৩৬ জনকে আসামী করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১৫০ জন শিল্পপতি, ডাক্তার, সাংবাদিক, ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী রয়েছে। যাদেরকে ফ্যাসিস্টের তকমা লাগানো হয়েছে এদের বেশির ভাগই বিএনপি নেতা কর্মী। যার মধ্যে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার প্রায় ২০ জন বিএনপি পরিবারের সদস্য এবং নেতাকর্মী রয়েছেন। অডিও রেকডিং এ মশিউর এবং জসীম উদ্দিন রানা সিকদারের কথোপকথনে কে কয়জন আসামী দিয়েছেন এবং কে কত টাকা আদায় করেছেন তা ফুটে উঠেছে। পটুয়াখালীর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা মনির খান ১ লক্ষ টাকা দিয়েছেন জনৈক আসামীর নাম বাদ দেওয়ার জন্য, অন্য একজন ৪০ হাজার এবং অন্য একজন আরও ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন এবং রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সেলিম মল্লিক পটুয়াখালীর আরেক শ্রমিক লীগের সদস্য ফারুক হোসাইন চৌকিদারের সাথে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চুক্তি করে পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সহ সভাপতি আলিম আকনকে মামলায় আসামী করার জন্য । এছাড়াও পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এ্যাড. ফিরোজ আলমের মাধ্যমে আসামী দেওয়ার কথা জানা গেছে। অডিও রেকডিং এ কেন্দ্রীয় বিএনপির জনৈক নেতার নাম উঠে এসেছে। তিনিও ১০ জন আসামীর নাম দিয়েছেন এবং ৮ জনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করেছেন। জানা গেছে পিএসসি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য জসীম উদ্দিন রানা সিকদার একাই ১৭০ জন আসামীর নাম দিয়েছেন। যার মধ্যে ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও প্রকৌশলী রয়েছেন। যাদের সাথে তার ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে।</p>
<p>বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারের শশুর বরিশাল মহানগর ২৪নং ওয়ার্ডের ০৬ বার নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ আক্ষেপ করে বলেন , আমি একজন বিএনপির কট্টর নেতা, আমাকে আরও ১০ টি মামলায় দিলেও দু:খ থাকতো না, আমাকে কেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সাথে মামলা দেওয়া হলো। আমার এলাকায় একটি রাস্তার বিরোধ নিয়ে আমার প্রতিবেশী ঢাকা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিকী হীরন অ্যাডভোকেট মশিউরের মাধ্যমে আমাকে মিথ্যা মামলার আসামী করেছেন।</p>
<p>দুমকি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম মুন্সীর পুত্র ইমাম হোসেন শুভকে মামলায় আসামী করা হয়েছে, মশিউর এবং রানা সিকদারের মাধ্যমে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলাম ফোনে তাকে ঢাকায় অ্যাড. মশিউরের সাথে সাক্ষাত করতে বললে, তিনি গত ১৯ মে ২০২৫ সোমবার বেলা ২.০০ টায় ঢাকার রামপুরা হোটেল আল কাদরিয়ায় সাক্ষাত করলে আমার ছেলেকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে দিবে মর্মে ১০ লক্ষ টাকা দাবী করে অ্যাড. মশিউর। তিনি অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের একজন নেতার মোবাইল নম্বর (০১৭১৮৯০১৩৪১) যোগাযোগ করতে বলে। পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সহ সভাপতি আলিম আকন বলেন, আবু হানিফ মশিউর রানা গং টাকার বিনিময়ে আমাকে হয়রানী করার জন্য ফ্যাসিস্টদের সাথে মামলা দিয়েছে। আমি পটুয়াখালী জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের কাছে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি। মামলার ৫নং আসামী পটুয়াখালী কুয়াকাটা হোটেল ব্যবসায়ী খায়ের মোল্লা ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, জসীম উদ্দিন রানা সিকদার গত ১৮/০৯/২০২৪ তারিখে আমাকে পটুয়াখালী কোর্ট চত্তর থেকে অপহরণ করে। তার লোহালিয়া গ্রামের বাড়িতে একদিন আটকে রেখে অস্ত্রের মুখে আমার কুয়াকাটা হোটেল রোজ ভ্যালী লিখে নেয় এবং দখল করে। আমাকে পুনরায় হয়রানী করার জন্য মামলায় আসামী করেছে। আমি বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ পটুয়াখালী জেলার নেতৃবৃন্দের কাছে সুষ্ঠু সমাধান এবং বিচার দাবী করছি। মামলার বাদী কামাল আকন বলেন, এ্যাড মশিউর আমার ছেলের এককালীন অনুদান মুক্তিযোদ্ধাদের মত গেজেট এবং মাসে মাসে ভাতা প্রাপ্তির জন্য আবেদন করে ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে দাড়াতে হবে বলে ঢাকায় যাওয়ার জন্য ফোন করে। আমি ঢাকা যাই এবং ঢাকা ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে দাড়াই। পরবর্তীতে ০২ মাস পর জানতে পারি আমাকে দিয়ে ২৩৬ জনের বিরদ্ধে মিথ্যা মামলা করানো হয়েছে। আমি মশিউরের এ প্রতারণার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।</p>
<p>মামলা সর্ম্পকে মাদারবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্জ আবু হানিফ বলেন, আমি এর সাথে জড়িত নই। তবে আমার ছেলে বাদীকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা জসীম উদ্দিন রানা সিকদারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এ্যাড মশিউর রহমান বলেন, আমি সরাসরি মামলার সাথে সম্পৃক্ত নই। আমি আপনার সাথে দেখা করবো বলে সংবাদটি না প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করেন। জসীম উদ্দিন রানা সিকদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>মামলায় পটুয়াখালী বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামী দেওয়া প্রসঙ্গে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক পটুয়াখালীর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বিজ্ঞ আইনজীবী মজিবুর রহমান টোটন বলেন, আমি এ বিষয়ে জেনেছি এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে আলোচনা করেছি এবং আইন শৃঙ্খলা মিটিং এ উত্থপান করেছি। বাদী নিজেও জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করেছেন। তারা এ বিষয়ে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিবেন। একজন এপিপি হয়ে মামলায় মিথ্যা আসামী দেওয়া একটি গর্হিত কাজ। এর সাথে বিএনপির নেতা জড়িত থাকলে লিখিত অভিযোগ পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p>পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, আলিম আকনসহ যাদেরকে এই মামলায় আসামী করা হয়েছে তা আদো সঠিক হয়নি। আলিম আকন দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে আমাদের সাথে ছিলেন তিনি একজন বিএনপির নিবেদীত প্রাণ নেতা।</p>
<p>মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলা রেকর্ডের ক্ষেত্রে কোন অসংগতি থেকে থাকতে পারে। বাদীরও ভুল হতে পারে বা অভিযোগকারী বা বিভিন্ন মানুষের দ্বারা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে পুঙ্খানু পুঙ্খানুভাবে তদন্ত করে যারা প্রকৃতভাবে দোষী তাদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং চার্জশীটের আওতায় আসবে। যারা দোষী না, যারা আন্দোলনের বিপক্ষে ছিলেন না এবং কোনো নির্দোষ লোক আইনের আওতায় আসবেনা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/24763/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী ঘোষণাকারী আজাদ খান এখন শিক্ষার সর্বোচ্চ পদে!</title>
		<link>https://skynews24.net/archives/24456</link>
					<comments>https://skynews24.net/archives/24456#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Sep 2025 13:05:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[হাসিনাকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী ঘোষণাকারী আজাদ খান এখন শিক্ষার সর্বোচ্চ পদে!]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://skynews24.net/?p=24456</guid>

					<description><![CDATA[ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পলায়ন ও তার সরকারের পতন হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন অন্তর্বর্তী সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান কমিটমেন্ট ছিল ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার। কিন্তু দেখা গেলো, অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তাব্যক্তিরা শেখ হাসিনার চিহ্নিত দোসরদের বিচার বা শাস্তির পরিবর্তে উল্টো পুরস্কারও দিচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। এ নিয়ে অনেক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পলায়ন ও তার সরকারের পতন হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন অন্তর্বর্তী সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান কমিটমেন্ট ছিল ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার। কিন্তু দেখা গেলো, অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তাব্যক্তিরা শেখ হাসিনার চিহ্নিত দোসরদের বিচার বা শাস্তির পরিবর্তে উল্টো পুরস্কারও দিচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। এ নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, আন্দোলন হয়েছে। অনেক লেখালেখিও হয়েছে গণমাধ্যমে। কিন্তু তাতে অন্তর্বর্তী সরকার থামেনি। সর্বশেষ এ প্রমাণও পাওয়া গেলো, শিক্ষা ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ অর্থাৎ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে যিনি বর্তমানে বহাল হয়েছেন- প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান শুধু হাসিনার দোসরই নয় শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক, জাতির পিতা এবং গণতন্ত্র হরণকারী শেখ হাসিনাকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ উপাধিতে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালিয়েছেন ৫ আগস্টের আগে। এ সংক্রান্ত বক্তৃতা-বিবৃতি নিজের ফেইসবুক আইডিতেও প্রচার চালাতেন বরাবরই, অন্যরা যাতে এ কাজে উদ্বুদ্ধ হয়। প্রাক্তন কর্মস্থলের সবাই তাকে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে জানত। ফেইসবুকের পোস্টে তার বর্ণনায় মুজিব প্রেম ও হাসিনা প্রীতি ছাড়া অন্য কিছু স্থান পেত না। ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর প্রফেসর আজাদ খান ফেইসবুক আইডি থেকে ওইসব পোস্ট ডিলিট করে দেন। তবে তারপরও একটি প্রমাণ রয়ে গেছে জামালপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে দেয়া বক্তৃতার ভিডিও-তে। শেখ মুজিব ও হাসিনা বন্দনার এ ভিডিওটি ওভার ভাইরাল হওয়ার কারণে ভিডিওটি তিনি ডিলিট করতে পারেননি।</p>
<p>ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ১৭ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের ওই অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ আজাদ খান তাঁর প্রেজেন্টেশনে উপস্থিত সবাইকে মুজিবীয় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বক্তব্যের শুরুতেই বললেন, ‘গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি দক্ষিণ এশিয়ার মহামানব স্বাধীনতার ঘোষক ও সর্বাধিনায়ক বাঙালিজাতির পরিত্রাণকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।’ বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি এও বলেছেন, শেখ মুজিবের জন্ম না হলে বাংলাদেশ কখনও স্বাধীনতার স্বাদ পেত না। “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” বলে তিনি বক্তব্য শেষ করেছেন। “যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা” এই স্লোগান তিনি পাওয়ার পয়েন্টে তুলে ধরে শেখ হাসিনার মত যোগ্য নেতৃত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করে তাকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। প্রফেসর আজাদ খান ওই অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনেই এ বক্তব্য দেন এবং আহ্বান জানান।</p>
<p>‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ শেখ হাসিনাকে আমৃত্য প্রধানমন্ত্রী করার আহ্বানকারী সেই অধ্যাপক আজাদ খানই এখন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি অর্থাৎ শিক্ষা ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদে, যা অবাক করার মতো ঘটনাই বটে!! গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি এই পদে নিয়োগ পেয়েছেন। ওই সময় ছিলেন জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে। ওই সময়ের শিক্ষা সচিব সিদ্দিক যোবায়ের-এর হাত দিয়েই মাউশির ডিজি পদে নিয়োগ পেয়েছেন। তবে তাঁর এই নিয়োগে মূল ভূমিকা রেখেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, যিনি ইতিপূর্বে শিক্ষা সচিব পদে চুক্তিভিত্তিতে নিয়োজিত ছিলেন। এই শেখ আব্দুর রশীদকেই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী পুনর্বাসনের অন্যতম হোতা হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।</p>
<p>মাউশির ডিজি ড. মুহাম্মদ আজাদ খানের আওয়ামী ইতিহাস<br />
মো. আজাদ খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে পিএইচ ডিগ্রী লাভ করেন। প্রসঙ্গত, ওই সময়ে আওয়ামী সরকারের দলকানা অনুগত ছাড়া অন্য কাউকে পিএইচডির অনুমতি দেয়া হয়নি। আজাদ খান আওয়ামী সরকারের পুরোপুরি আস্থা অর্জন করেই পিএইচডি-তে ভর্তি হন। পিএইচডি-তে তার সুপারভাইজার হিসেবে ছিলেন ফ্যাসিস্টের আরেক দোসর প্রফেসর আব্দুল মান্নান যিনি বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রশিদ আহম্মেদ ২৫/০৭/২০২৩ তারিখে স্বাক্ষরিত সমাজবিজ্ঞান ভবন অনুষদ কমিটির ১ নং সদস্য হলেন প্রফেসর আব্দুল মান্নান এবং তার স্ত্রী প্রফেসর সামছুন নাহার ৪ নং সদস্য। এই প্রফেসর আব্দুল মান্নান ও তার স্ত্রী সামছুন নাহার জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন। জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থি প্যানেল থেকে নির্বাচন করেন।</p>
<p>এই ফ্যাসিস্ট প্রফেসর আব্দুল মান্নানের অত্যন্ত অনুগত ও আস্থাভাজন হওয়ায় আজাদ খানকে ঝামেলাবিহীনভাবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় অতি অল্প সময়ে পিএইচডি ডিগ্রী প্রদান করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ক্যাডারে আওয়ামীপন্থিদের সমন্বয়েরও দায়িত্ব পালন করেন ড. আজাদ খান।</p>
<p>ফ্যাসিস্ট আমলে দীর্ঘ ১৫ বছর নিজ এলাকায় বসবাস করে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর ও কুমুদীনি মহিলা কলেজ, টাঙ্গাইল-এ প্রচন্ড দাপটের সাথে চাকরি করেন। প্রাক্তন কর্মস্থলের সবাই তাকে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে জানত এবং তিনি বিভিন্ন সময়ে সভা, সেমিনারে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার বন্দনা করে বক্তব্য রাখতেন। ফেইসবুকে এগুলো পোস্টও দিতেন। তার বর্ণনায় মুজিব প্রেম ও হাসিনা প্রীতি ছাড়া অন্য কিছু স্থান পেত না।</p>
<p>৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ফেইসবুক থেকে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পক্ষের সবগুলো পোস্ট ডিলিট করলেও জামালপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ তারিখে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে শেখ মুজিব ও হাসিনা বন্দনার ভিডিওটি ওভার ভাইরাল হওয়ার কারণে এটি তিনি ডিলিট করতে পারেননি। তবে এই ভিডিওটির মিউট করতে পারছেন নিজের আইডি-তে। কিন্তু ওই সময়ের জামালপুর জেলা প্রশাসনের আকাইভ সূত্রে এবং তার অন্যান্য সহকর্মীদের থেকে এর বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া গেছে। ভিডিওটিও পাওয়া গেছে।</p>
<p>আজাদ খান তার ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডি থেকে ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ এই ভিডিওটি পোস্ট করেন। তার এই আইডি এখনও সচল আছে এবং তিনি তা ব্যবহার করছেন। ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ সালে মুজিব নগর দিবসে মুখ্য আলোচক হিসেবে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আজাদ খান শেখ মুজিব ও হাসিনা বন্দনা করেন পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে।</p>
<p>প্রশ্ন হলো- জামালপুর জেলা প্রশাসন কেন তাকে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে মনোনয়ন দিলো? জবাবটা সহজ- তিনি তার কার্যক্রম দ্বারা এটা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, জামালপুর সিভিল প্রশাসন এবং শিক্ষা প্রশাসনে তার চেয়ে বিশ্বস্ত আওয়ামীপন্থি অফিসার আর কেউ ছিল না। জেলা প্রশাসন থেকে মনোনয়ন দেওয়ার পর এনএসআই, ডিজিএফআই, এসবিসহ সকল নিরাপত্তা এজেন্সী তাকে আওয়ামীপন্থি হিসেবে নিশ্চিত করেছে। তারপরই তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে যোগদানের সুযোগ পান। পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে শেখ মুজিবকে মহামানবরূপে তুলে ধরে এমনভাবে স্লাইড তৈরি ও উপস্থাপন করেন, যাতে শেখ হাসিনার তুষ্টি অর্জন করা যায়। এই পাওয়ার পয়েন্ট তৈরি করতে তিনি যে আন্তরিকতা দেখিয়েছেন এবং পরিশ্রম করেছেন তা অবিশ্বাস্য এবং অস্বাভাবিক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই, এমনকি আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারাও ড. আজাদ খানের এমন মুজিব-হাসিনা বন্দনায় অবাক হয়েছেন। কারণ, তারা নিজেরা এত বছর আওয়ামী লীগের নেতাগিরি করেও এমন বন্দনা করতে পারতেন না।</p>
<p>কি ছিল তার পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে-<br />
জেলা প্রশাসনের ওই অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে তিনি যা বলেছেন এক্ষেত্রে হুবহু তুলে ধরা হলো, “সম্মানীত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, সুধীমন্ডলী ও প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, আস্সালামু আলাইকুম। আজ ১৭ই এপ্রিল ২০২৪ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। জামালপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আজকের মুজিবনগর দিবসে সবাইকে জানাচ্ছি মুজিবীয় শুভেচ্ছা। আমাকে এই মুজিবনগর দিবসের মুখ্য আলোচক মনোনীত করায় আয়োজক কমিটি ও জামালপুর জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি দক্ষিণ এশিয়ার মহামানব স্বাধীনতার ঘোষক ও সর্বাধিনায়ক বাঙ্গালী জাতির পরিত্রাণকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, একদল বিপথগামী সেনাকর্মকর্তার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শাহাদতবরণকারী বঙ্গবন্ধু পরিবারের ১৯ জনকে, ৫২’র শহীদ ভাষাসৈনিকদের ও ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী ৩০ লক্ষ শহীদদের যাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে বিশ্বমানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছে।”</p>
<p>“প্রিয় সুধী, ১৭ই এপ্রিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুলকে উপরাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দিনকে প্রধানমন্ত্রী করে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এই সরকারই স্বাধীনতাযুদ্ধের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি মুজিব হলেন রাষ্ট্রপতি আর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে সৈয়দ নজরুলই মূলত এই অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারকে নেতৃত্ব দিতে থাকেন। দেশ-বিদেশে স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বমত তৈরীর মাধ্যমে দ্রুত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করাই ছিল এই সরকারের প্রধান কাজ। এই সরকার গঠিত না হলে আর শেখ মুজিবের জন্ম না হলে বাংলাদেশ কখনও স্বাধীনতার স্বাদ পেত না। আমরা বাঙ্গালী জাতি হিসেবে মুজিবনগর সরকারের কাছে চির ঋণী। মুজিবনগর সরকারের চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের হাত ধরে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে বিশ্বে রোল মডেল হতে যাচ্ছে, ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত হচ্ছে এবং ডেল্টা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। হাসিনা সরকারের সার্বিক সফলতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। পরিশেষে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সফলতা কামনা করে আমি আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।”</p>
<p>অধ্যাপক আজাদ খান মুক্তিযুদ্ধের সকল কৃতিত্ব শেখ মুজিবকে দিয়েছেন, যাতে উপস্থিত সবাই মনে করেন যে মুজিব ছাড়া ওই মুক্তিযুদ্ধে কারো কোন অবদান নাই। পাওয়ার পয়েন্টের স্ক্রীনে বৈদ্যনাথপুরে শেখ মুজিবের ছবি এমনভাবে প্রতিস্থাপন করেন যেন শেখ মুজিব ওই সময় বৈদ্যনাথপুরে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। মুজিব বন্দনা শেষে অনাকাঙ্খিতভাবে হাসিনা বন্দনায় চলে আসেন। তিনি ফ্যাসিস্ট ও গণতন্ত্র হত্যাকারী শেখ হাসিনাকে “গণতন্ত্রের মানসকন্যা” হিসেবেও অভিহিত করেন।</p>
<p>“যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা” এই স্লোগান তিনি পাওয়ার পয়েন্টে তুলে ধরে শেখ হাসিনার মত যোগ্য নেতৃত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করে তাকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান</p>
<p>মাউশির ডিজি হিসেবে কেন এবং কোন সময়ে তাকে বেছে নেয়া হলো?<br />
ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর শিক্ষা সচিব হিসেবে ড. শেখ আব্দুর রশীদ দায়িত্ব পালনকালে তখনকার ডিজিএফআই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেফাউল করিম এর বড় ভাই রেজাইল করিমকে ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। ড. রশীদ মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসাবে পদায়ন পেলে সিদ্দিক যোবায়ের শিক্ষা সচিবের দায়িত্ব পান। ড. শেখ আব্দুর রশীদের ধারাবাহিকতায় তিনিও ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যান। রেজাউল করিমের স্বাভাবিক অবসরে যাওয়ার পর সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অতি আস্থাভাজন, শিক্ষা ক্যাডারের অন্যতম ফ্যাসিস্ট সফিউল আজমকে ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন শিক্ষা সচিব সিদ্দিক যোবায়ের। কিন্তু শিক্ষক সমাজের প্রচণ্ড প্রতিরোধের মুখে ৩ দিনের মাথায় সফিউল আজমকে ডিজি থেকে প্রত্যাহার করে তাকে পরিচালক (পরিকল্পনা) হিসাবে রাখা হয়। সিদ্দিক যোবায়ের আওয়ামী নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর সহচর প্রফেসর এহতেশামকে ডিজি হিসেবে পদায়িত করলে সমগ্র শিক্ষক সমাজ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ফলে তাকে ১৪ দিনের মাথায় অপসারণ করা হয়। এই টালমাটাল অবস্থায় শিক্ষা উপদেষ্টা বৃদ্ধ ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ ক্লান্ত হয়ে যান। আন্দোলনকারী শিক্ষক সমাজও বার বার আন্দোলন করে স্তিমিত হয়ে যায়। ঠিক এই সুযোগে ড. শেখ আব্দুর রশীদের ইচ্ছায় সিদ্দিক যোবায়ের ফ্যাসিস্টের দোসর ড. আজাদ খানকে ডিজি হিসেবে পদায়ন করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://skynews24.net/archives/24456/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
