যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফিলিস্তিনের গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলায় ৫০০ শিশু নিহত হয়েছে। গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শনিবার (১২ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরা ও প্রেস টিভির। আন্তর্জাতিক সব যুদ্ধনীতি উপেক্ষা
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের কিয়েভে অবস্থিত ভারতীয় ওষুধ কোম্পানি কুসামের একটি গুদাম ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার (১২ এপ্রিল) এক্স পোস্টে কিয়েভ এ দাবি করে। ইউক্রেনে ভারতীয় দূতাবাস অভিযোগ করেছে, রাশিয়া
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফাহ শহরের দখল নিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ মোরাগ করিডোর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দখলে নিয়েছে। এর ফলে গাজা থেকে পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রাফাহ। শনিবার
মার্ক জাকারবার্গ আমেরিকানদের বোকা বানাচ্ছেন। চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি এমনটা করে যাচ্ছেন। মেটার এক সাবেক কর্মী এ ধরনের অভিযোগ করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি যাকে ‘হুইসেলব্লোয়ার’ আখ্যায়িত করছে। সিবিএস নিউজের
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারাচ্ছে শুধু নারী ও শিশুরা—জাতিসংঘের বিশ্লেষণে এমনটাই উঠে এসেছে। ১৮ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত ৩৬টি হামলায় নিহতদের সবাই নারী ও শিশু বলে জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের বিতাড়নে বেশ তৎপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আর এই কারণে অভিবাসীদের “স্বেচ্ছা নির্বাসনে” বাধ্য করতে সামাজিক সুরক্ষা নম্বর বা এসএসএন বাতিলের পথে হাঁটছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর
মিয়ানমারে সৃষ্ট ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। এই ঘটনায় ২০২১ সাল থেকে মিয়ানমার শাসন করা সামরিক জান্তা দেশটির ৬টি অঞ্চলে জরুরি
৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার কয়েক ঘণ্টা পর মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের খুঁজে বের করতে হিমশিম খাচ্ছে। “আমরা খালি হাতেই মানুষদের মাটি খুঁড়ে বের করছি,” ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে খুব
শক্তিশালী ভূমিকম্প তছনছ মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বড় শহর। এতে বহু মানুষ হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে জান্তা সরকার। এ পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের
চীনা সরকার ও কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঐতিহাসিক সফরের ফলস্বরূপ এ প্রতিশ্রুতি