প্রথমার্ধে মায়ামির একমাত্র শটও ছিল সেটিই। এর আগে ২৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে কলাম্বাস ক্রুকে এগিয়ে দেন জোসেফ মার্তিনেজ। ২৩ মিনিটে ইয়ানিক ব্রাইটের ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি আদায় করেছিলেন মার্তিনেজ।
বিরতির পর মেসি আরও দুবার লক্ষ্যে শট নেন, কিন্তু কোনোটিই গোল হয়নি। অন্যদিকে ম্যাচজুড়ে আক্রমণে অনেক বেশি সক্রিয় ছিল কলাম্বাস। পুরো ম্যাচে তারা ১৪টি শট নেয়, মায়ামির শট মাত্র ৫টি। লক্ষ্যে শটও কলাম্বাসের ছিল বেশি—৭টি, মায়ামির ৩টি।
মায়ামির গোলরক্ষক চারটি সেভ করে দলকে ম্যাচে রেখেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ইনজুরি সময়ের নবম মিনিটে জামাল তিয়ারের শট ঠেকাতে পারেননি তিনি। সেই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে কলাম্বাস।
এর ঠিক দুই মিনিট আগে বড় ধাক্কা খায় মায়ামি। মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সান্তিয়াগো মোরালেস। ফলে ম্যাচের শেষটা ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।
সাম্প্রতিক সময়টা অবশ্য মায়ামির জন্য মোটেও স্বস্তির নয়। শেষ ১০ ম্যাচে এটি তাদের মাত্র দ্বিতীয় জয়হীন ফল নয়, বরং মাত্র একটি জয়ই পেয়েছে দলটি। চলতি মৌসুমে এটি তাদের দ্বিতীয় হার। ২৭ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে এখন এমএলএসের পয়েন্ট তালিকায় পাঁচ নম্বরে মায়ামি। অথচ কয়েক সপ্তাহ আগেও দলটি ছিল দ্বিতীয় স্থানে।