শিরোনাম
তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ২০২৭ সালের হজে যেতে পারবেন না যারা বাহরাইনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা চার ম্যাচে ১০ গোল হজম, সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মার্তিনেজ ৩ সন্তানকে বিষপান করিয়ে বাবার আত্মহত্যার চেষ্টা সৌদির বিভিন্ন এলাকায় নতুন সতর্কতা জারি বাংলাদেশে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার এখনো নিশ্চিত হয়নি : নাহিদ কওমি সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নসহ ১৩ দফা শিক্ষা দাবি ছাত্র মজলিসের যাত্রাবাড়ীতে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে যা জানাল ভারত

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

স্কাই নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর কূপটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এর ফলে লোকেশন-সি থেকে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কূপটির উদ্বোধন করেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় জ্বালানি সচিব খাইরুজ্জামান মজুমদারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল হিসেব এ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন বলেন, “তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে।

কূপটির গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট। ”

বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে কূপটির খনন গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার, যা প্রায় ১০০ মিটার কমবেশি হতে পারে।

তিনি বলেন, “গভীরতার কারণে কূপটির খনন ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগছে। ”

কোনো ধরনের ভূতাত্ত্বিক জটিলতা দেখা না দিলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ করার আশা রয়েছে। কূপটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে সেখান থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে কূপটির লগিংসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। এসব কাজ শেষ করে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। তিতাস-২৯ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজও আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বিজিএফসিএল।

এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 Skynews24.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com